kalerkantho


যুক্তরাজ্য বিএনপিতে মালেক সভাপতি, কয়ছর সাধারণ সম্পাদক

জুয়েল রাজ, লন্ডন থেকে   

১৬ জানুয়ারি, ২০১৮ ২০:৪৫



যুক্তরাজ্য বিএনপিতে মালেক সভাপতি, কয়ছর সাধারণ সম্পাদক

অবশেষে ১৫ জানুয়ারি ঘোষিত হলো যুক্তরাজ্য বিএনপির নতুন কমিটি। সাবেক সভাপতি এম এ মালেককে সভাপতি এবং কয়ছর এম আহমদ কে পুনঃরায় সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নাম প্রস্তাব করে অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রে প্রেরণ করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্য বিএনপির ৪৫ জোনাল কমিটি’র নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে লন্ডনের রয়েল রিজেন্সি ব্যাংকুইটিং হলে দিনদিনব্যাপী চলে সম্মেলন। গত ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬ ঘটিকা থেকে ৯ ঘটিকা পর্যন্ত ছিল নমিনেশন ফরম  জমা দানের শেষ সময়। উক্ত সময়ের মধ্যে সভাপতি পদে এম এ মালিক ও সাধারণ সম্পাদক পদে কয়ছর এম আহমদ ছাড়া অন্য কোন প্রার্থী নমিনেশন ফরম জমা না দেয়ায় স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচন কমিশন উপস্থিত কাউন্সিলারদের মতামতের ভিত্তিতে তাদেরকেই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা দিয়ে কেন্দ্রের অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করেছেন বলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান। সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুল হামিদ চৌধুর এবং সদস্য সচিব হিসেবে ছিলেন যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সহদপ্তর সম্পাদক সেলিম আহমেদ। 

সরাসরি ভোটে কমিটি নির্বাচনের জন্য সভাপতি পদে তিনজন যথাক্রমে এম এ মালিক, শরিফুজ্জামান চৌধুরী তপন ও তাজ উদ্দিন নমিনেশন ফরম ক্রয় করেন। সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য ৪ জন নমিনেশন ফর্ম ক্রয় করেন। তারা হলেন যথাক্রমে কয়ছর এম আহমদ, নাসিম আহমদ চৌধুরী, দেওয়ান মোকাদ্দেম চৌধুরী নিয়াজ ও অ্যাডভোকেট তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেল। ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬ ঘটিকা থেকে ৯ ঘটিকা পর্যন্ত ছিল নমিনেশন ফরম জমা দানের শেষ সময়। উক্ত সময়ের মধ্যে এম এ মালিক ও সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ ছাড়া অন্য কোন প্রার্থী নমিনেশন ফরম জমা দেন নাই। তাই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একজন করে প্রার্থী থাকায় নির্বাচনী বিধি মোতাবেক তারা নির্বাচিত হয়েছেন বলেই বিবেচিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার। অন্য নেতারা নমিনেশন ফরম কেন জমা দিলেন না এই নিয়ে নানা সমালোচনা থাকলে ও আনুষ্ঠানিক ভাবে কেউ কোন বক্তব্য দেননি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার নব নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করতে প্রবাসে জনমত গঠনে দক্ষ, ত্যাগী ও পরিশ্রমী নেতাদের নিয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


মন্তব্য