kalerkantho


স্মার্টফোনটা কি বদলানোর সময় হয়েছে?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১৯:১২



স্মার্টফোনটা কি বদলানোর সময় হয়েছে?

প্রিয় স্মার্টফোনটাকে বদলাতে মন চায় না। কিন্তু অনেক সময় বাধ্য হয়েই নতুন একটি ফোন নিতে হয়।

আসলে দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পর এমন কিছু সমস্যা তৈরি হয়, যখন ফোন দিয়ে আর কাজ চলে না। এ অবস্থা খুব দ্রুতও আসতে পারে। এখানে জেনে নিন এমনই কিছু অবস্থা। এসব দেখা দিলে ফোনটা বদলানোর সময় হয়েছে ধরে নিতে পারেন।  

আরো স্মার্ট যন্ত্র দরকার
এই যন্ত্রটা কেবল ফোন দেওয়া-নেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর আরো অনেক কাজ রয়েছে। প্রতিদিনের অনেক কাজ সহজ করে ফেলতে পারেন স্মার্টফোনটা দিয়ে। তাই যদি মনে করেন বর্তমান স্মার্টফোন আপনার অনেক কাজই করতে পারছে না, সে ক্ষেত্রে আরো উন্নত ফোন নিতেই হচ্ছে। তবে উচ্চমানের ফোন কিনতে একটু বেশি অর্থ গুনতে হয়।

 

দীর্ঘ জীবন 
যদি এখনকার ফোন কয়েক বছর ধরে ব্যবহার করে থাকেন, তবে আপনি ভাগ্যবান। ফোনটাও অনেক ভালো নিশ্চয়ই। কিন্তু খেয়াল করে দেখুন, এর ব্যাটারি হয়তো আর আগের মতো শক্তিশালী নেই। অনেক শক্তিশালী ব্যাটারিও কিন্তু একটা নির্দিষ্ট সময় পর আর চার্জ নিতে চায় না। তখন ফোনটি ভালো থাকলেও তার ব্যবহারের উপযুক্ত থাকে না।  

ছবির মান
এখন অনেকেই ক্যামেরার কাজটা স্মার্টফোনে সারতে চান। কাজেই যারা ক্যামেরা নেবেন না, তারা উন্নত ছবি তুলতে ভালো মানের একটা ফোন কিনতে পারেন। উচ্চ প্রযুক্তির ফোনে ক্যামেরাও খুব উন্নত থাকে। পছন্দের ব্র্যান্ডের মোবাইলের এমন কোনো মডেল কিনে নিতে পারেন যার ক্যামেরা বিশেষভাবে দেওয়া হয়েছে।  

ডিজাইন
অনেক ফোন আছে যেগুলো দেখতে অনেক সুন্দর, কিন্তু হাতে নিলে তেমর সুন্দর অনুভূতি আসে না। এই ফোনগুলো ব্যবহার করতে ভালো লাগে না। শখের জিনিসটি মনের মতো না হলে তা বদলানোই ভালো। তাই বর্তমানের ফোনটার কোনো ব্যবস্থা করে নতুন একটা নিতে পারেন।  

ব্যবহারবান্ধব 
সবচেয়ে বড় কথা হলো, যত ভালো ফোনই ব্যবহার করেন না কেন তা ব্যবহারবান্ধব হতে হবে। দেখতে এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটাকে উন্নত হতে হবে। নয়তো বিপদ। তাই আপনি ফোনটা ব্যবহার করে কতটা আনন্দ পাচ্ছেন তা বুঝে নিন। গেম খেলা থেকে শুরু করে সব কাজই যেন ব্যবহারবান্ধব হয় তা খেয়াল রাখতে হবে। যদি ব্যবহার করে সুবিধাজনক বলে মনে না হয়, তো বদলানোই ভালো।  
সূত্র : এমিরেটস 


মন্তব্য