kalerkantho


হরিনাথপুর এসইএসডিপি মডেল হাই স্কুল : অনুকরণীয় সাফল্য

আবদুল্লাহ আল মোহন   

১৮ মে, ২০১৮ ১৭:৫০



হরিনাথপুর এসইএসডিপি মডেল হাই স্কুল : অনুকরণীয় সাফল্য

১.
আমার আরেকটি প্রাণের প্রতিষ্ঠান, আলোকিত শিক্ষাঙ্গন আমার জন্মস্থান পাবনা জেলার বেড়া উপজেলাধীন নগরবাড়ী ঘাটের যমুনা নদী তীরবর্তী এলাকায় অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠিত ‘হরিনাথপুর এস ই এস ডি পি মডেল হাই স্কুল’। আমার এই প্রিয় আলোর ভুবন ভরা জীবনানন্দময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি প্রকাশিত চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে পাবনা জেলায় পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে। এরচেয়ে বড় আনন্দের, সুখের সুখবর আর কী হতে পারে আমরা যারা এর সাথে নানাভাবে জড়িত ও শুভাকাংখী, তাদের জন্যে? যদিও এই ফলাফলের সকল কৃতিত্ব প্রাণপ্রিয় শিক্ষার্থীদের, তাদের অভিভাবকদের, বিদ্যালয়ের পরম শ্রদ্ধেয় প্রধান শিক্ষক, অনন্য শিক্ষাবিদ সেলিম স্যার (বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আবদুল বাতেন সেলিমসহ সম্মানিত শিক্ষকবন্দ এবং আরেকজনের নাম না উল্লেখ করলেই নয়, তিনি সকলের কাছে অনুকরণীয় স্বপ্নবান সমাজকর্মী, শিক্ষার প্রতি আজন্মের অকৃত্রিম প্রীতিময় প্রিয় ব্যক্তিত্ব বাবলু দা’র (বাবলু কুমার সাহা, বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্বশীল) অবদানকে।

২.
এক সময়ের উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার খ্যাত প্রমত্তা যমুনা নদীর তীরে নগরবাড়ী ঘাটে প্রতিষ্ঠিত হরিনাথপুর মডেল হাই স্কুলটি ২০১২ সাল থেকে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার পর থেকে প্রতি বছরই এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সেরাদশের মধ্যে স্থান করে অনন্যতা সৃষ্টি করেছে। সারাদেশের সুবিধা বঞ্চিত এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্প ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠা করে ৬৩টি স্কুল। এই স্কুলগুলোর মধ্যে পরীক্ষার ফল আর শৃঙ্খলায় শীর্ষে আছে হরিনাথপুর এসইএসডিপি মডেল হাই স্কুল। সরকারের শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের এস ই এস ডি পি প্রকল্পের আওতাধীন বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলেও শুরু থেকেই মানসম্পন্ন সুশিক্ষা সুনিশ্চিত করতে দৃঢ়ভাবে সচেষ্ট এবং এই সংকল্পে কখনো ন্যূনতম ছাড় দেয়নি বলেই সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকছে বলে আমার ধারনা সুদৃঢ় হয়েছে। কারণ চারপাশে অসংখ্য প্রকল্পের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকে নজর দিলেই দেখি, টের পাই সেগুলোর সাথে সংশ্লিষ্টদের চরম অদক্ষতা, অযোগ্যতা, অদূরদর্শীতা সর্বোপরি লোভী প্রবৃত্তি তাড়নায় যে চেতনায় প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছিলো তার ধারে কাছেও থাকে না বলেই অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই অংকুরেই প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়, প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য নষ্ট হয়ে যায়, অসীম সম্ভাবনার আভাটুকুও আর ছড়াতে পারে না সেগুলি। ফলে সরকারের মহৎ উদ্দেশ্য আঁতুরঘরের বাইরে আর আলোর মুখ দেখার সুযোগ লাভ করে না, মুকুল আর ফোটে না কতিপয় লোভীর চরম চতুর ও অপকৌশলের গ্যাড়াকলে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্তু হয় দক্ষ মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার সবুজ পাঠটি, অপ্রেমিক শিক্ষা প্রশাসকের হাতে নিস্ফলা মাঠটিতে ফসল হয় না, কেবলই বাড়তে থাকে আগাছা আর জঙ্গলে। রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্থ হয় সঠিক সেবক পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে। এক্ষেত্রে অনন্য অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে সংশপ্তকের ন্যায় নিরলসভাবে সেবাদানকারী প্রধানশিক্ষক আমাদের সকলের শ্রদ্ধার মানুষ সেলিম স্যার। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে, বাবলুদাসহ অন্যদের সর্বাঙ্গীন সহযোগিতায় ‘হরিনাথপুর এস ই এস ডি পি মডেল হাই স্কুল’টি কেবল ফলাফলেই নয় মানবিক উচ্চ চেতনাসম্পন্ন আলোকিত মানুষ গড়ার প্রয়াসে সদা সচেষ্ট। দেশের নামকরা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সুনামের সাথে পাঠ গ্রহণ করে বিদ্যালয়ের চেতনার প্রদীপখানির আলো উজ্জ্বলতর করছে। 

৩.
আমাদের হরিনাথপুর এস ই এস ডি পি মডেল হাই স্কুলের সাফল্যের অন্তরালের কারণ খুঁজলে দেখতে পাই শুরু থেকেই শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার পাশাপাশি পরিচালনার সাথে জড়িতদের দৃঢ় মনোবল, বাস্তবসম্মত সদিচ্ছার প্রয়োগ কৌশলেরই জয় হয়েছে। প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই অর্থের মোহ তাদের পেয়ে বসেনি বলেই শিক্ষার্থী-শিক্ষক অনুপাত সবসময়ই যৌক্তিক ছিলো, প্রচন্ড চাহিদা ও চাপের মাঝেও শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে সংখ্যঅবৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থকরী মোহের কাছে পরাজিত হতে দেখিনি, অসৎ উপায়ের আশ্রয় নিতে দেখিনি শিক্ষার্থী ভর্তির প্রক্রিয়ায়। পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমেই প্রকৃত শিক্ষানুরাগী শিক্ষার্থীকেই ভর্তির ক্ষেত্রে একমাত্র মানদন্ড বিবেচনা করা হয়েছে, সেই মানের পতন হতে কখনো কর্তৃপক্ষকে একটুও ছাড় দিতে দেখিনি। তারা সম্মিলিতভাবে সচেষ্ট ছিলেন তাদের সন্তানেরা যেন সঠিক ও মানসম্পন্ন সুশিক্ষায় আরেকটু ভালো মানুষ, দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হিসেবে বিকশিত হতে পারে, কেবলমাত্র উচ্চতর জিপিএ সনদ প্রাপ্তি, অর্জনই জীবনের সবটা না হয়ে ওঠে। অতিরিক্ত সময় পাঠদান করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের আপন সন্তানসম জ্ঞানে। অসভ্যতার দৈহিক-শারীরিক শাস্তির বদলে মানসিক চেতনাকে আরো সমৃদ্ধতর করে, সুস্থ ও সুরুচির মনোবিকাশের দ্বারা শিক্ষার্থীদের অস্থিরতাকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়েছে। শিক্ষাদানের পাশাপাশি শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে সংশ্লিষ্ট সকলে সংঘবদ্ধভাবে আরেকটু ভালো করার প্রচেষ্টা-প্রয়াসই আমার প্রিয় এই শিক্ষাঙ্গণকে আনন্দ আলোর আসর হিসেবে গড়ে তুলেছে। অর্থনৈতিক দারিদ্র্যতা কিংবা অহেতুক ভয়ের সংস্কৃতির পথের পাথর, বাধাগুলোকে অতিক্রম করা গেলে আলোর বাতিঘর করে তোলা মোটেই যে অসম্ভব নয়, সেটাই প্রমাণ করেছে এই প্রতিষ্ঠানটি। চারপাশে শিক্ষা ব্যবসায়ীদের অনাচারের অন্ধকারে অনুকরণীয় দৃষ্টান্তস্থাপনকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত সকলকে জানাই আমার অভিনন্দন, সালাম, শুভেচ্ছা নিরন্তর। আপনাদের জয় হোক।

৪.
আলোকিত এই মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা, স্বপ্নবান মানুষ বাবলুদা’র ভাষ্যটিও মনকাড়া, ‘বিদ্যালয়টি আন্ডার সার্ভড এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলেও মানের দিক থেকে এটি অনন্য। এবারের এস এস সি পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান পাবনা জেলায় পঞ্চম।
অভিনন্দন সন্মানিত প্রধান শিক্ষকসহ শিক্ষকমন্ডলীকে। আর শুভ কামনা থাকল কৃতি শিক্ষার্থীদের জন্য।’ বিনয়ী ও কর্মঠ ব্যক্তিত্ব বাবলুদা’র সাথে নানা কাজের সুযোগে তাঁর কর্মদক্ষতা, ব্যবস্থাপনা কৌশলগুলো আমার কাছে অনুকরণীয় সবসময়। সঠিক সময়ে যথাযথ বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণে ‘সিদ্ধপুরুষ’ বাবলুদা সুরের নিরব সাধক বলেই সুস্থ ও শুদ্ধ সংস্কৃতির সঠিক ঠিকানা জানেন। আর তাই রবীন্দ্রনাথের এতনিষ্ঠ ভক্ত তিনি রবীন্দ্র বাণীটি ‘মনের দারিদ্র্যতা না ঘুচলে অর্থৃনৈতিক দৈন্যতা কখনো যাবে না’ বেশ ভালো করেই জানেন ও মানেন বলে নিজ এলাকায়, মাটির টানে শিক্ষার মাঠে নামেন। দাদার সাথে সহযোদ্ধা হন বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ডাঃ অমিত কুমার বসুসহ তাঁর বন্ধু-বান্ধব এবং এলাকার শিক্ষানুরাগী মান্যবরগণ। সেলিম স্যার দেন সুযোগ্য নেতৃত্ব। 

৫.
আগেই উল্লেখ করেছি, পাবনার নগরবাড়ি ঘাট সংলগ্ন হরিনাথপুর এসইএসডিপি মডেল হাই স্কুলটি ২০১১ সালের ২২ আগস্ট প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিলো। স্মরণ করতে হয় প্রাক্তন শিক্ষাসচিব এন.আই খান স্যারকে। তাঁর মতোন অনেকেই এই প্রতিষ্ঠানে এসেছেন, সাফল্য কামনায় সুপরামর্শ প্রদান করেছেন। মনে পড়ছে, ২০১৫ সালে তৃতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে স্কুল প্রাঙ্গনে আয়োজিত অভিভাবক, শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের তৎকালীন সচিব জনাব নজরুল ইসলাম খান (এনআই খান) স্যার। সেই সমাবেশে তিনি আরো বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বর্তমান সরকার শিক্ষার মান উন্নয়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। হরিনাথপুর এসইএসডিপি মডেল হাই স্কুলের মত যেন সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সৃজনশীল শিক্ষার প্রকৃত মডেল হয়ে উঠতে পারে - সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন। জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিক্ষাচেতনার সঠিক অনুধাবন ও সিই অনুযায়ী কাজের সুযোগকে বাস্তবায়নে আমাদের আরো সততার, দক্ষতা, যোগ্যতার সাথে ইতিবাচক মনোভাবে সক্রিয় হওয়ার উজ্জ্বল উদাহরণ, অনসরণযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে হরিনাথপুর এসইএসডিপি মডেল হাই স্কুলটি হয়ে উঠতে পেরেছে বলেই আমার মতোন প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সংশ্লিষ্টজনেরা গভীরভাবেই বিশ্বাস করেন। 

৬.
আমরা নিশ্চিতভাবেই জানি, শিক্ষার মতোন এমন মহামূল্যবান সম্পদ আর কিছু নাই। শিক্ষাই শক্তি, শিক্ষাই আলো। আর তাই শিক্ষার প্রতি যথাযথ গুরুত্ব প্রদান করাও জরুরি। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘শিক্ষার বাহন’ প্রবন্ধে যথার্থই বলেছেন, ‘শিক্ষার জন্য আমরা আবদার করিয়াছি, গরজ করি নাই।’ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সঙ্কলন, বিশ্বভারতী, ১৪০১, পৃ. ২৩)। মূলত: আমাদের কথা, কাজ ও চাহিদা -এসবের মধ্যে প্রয়োজন অধিকতর সামঞ্জস্য, সমন্বয়; গড়মিল বা হেরফের নয়। আর হেরফের থাকলে কাঙ্খিত সাফল্য আবদার হিসেবেই থাকবে। আবার আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর যুগবাণীর ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক এক প্রবন্ধে শিক্ষার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সম্পর্কে বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের শিক্ষাপদ্ধতি এমন হউক যাহা আমাদের জীবনী শক্তিতে ক্রমেই সজাগ, জীবন্ত করিয়া তুলিবে। যে-শিক্ষা ছেলেদের দেহ-মন দুইকেই পুষ্ট করে তাহাই হইবে আমাদের শিক্ষা। প্রাণশক্তি আর কর্মশক্তিকে একত্রীভূত করাই যেন আমাদের শিক্ষার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হয়।’ (নজরুল রচনাবলী, ১ম খন্ড, সম্পা. আবদুল কাদির, বাংলা একাডেমী, ১৯৯৬, পৃ. ৮৪৪)। নি:সন্দেহে, যে শিক্ষার জীবনীশক্তি নেই তা মানবিকও নয়। দেশের স্থায়ীত্বশীল উন্নয়নের অন্যতম অপরিহার্য অনুসঙ্গ শিক্ষা। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ তথা জাতীয় উন্নয়নে শিক্ষা একটি শক্তিশালী হতিয়ার। আর সেক্ষেত্রে বলা হয়ে থাকে- প্রাথমিক শিক্ষাই হলো মৌলিক শিক্ষা। এটিই ভিত্তি। সেই ভিত্তিকে মজবুত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনুশীলনের একটি ক্ষেত্র। প্রতিটি শিশুর মাঝে বিদ্যমান সকল সম্ভাবনা বিকশিত করার অনুকূল শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, যেন মানব সম্পদ উন্নয়নে সহায়ক হয়। তেমনই এক মহান আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার যমুনা নদীর তীরে ঐতিহ্যবাহী নগরবাড়ী ঘাট সংলগ্ন মনোরম পরিবেশে হরিনাথপুর এসইএসডিপি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি।

৭.
সবশেষে আবারো হরিনাথপুর এসইএসডিপি মডেল হাই স্কুলের ধারাবাহিক অনুকরণীয় সাফল্য অর্জনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে, সুনামের সাথে মানসম্পন্ন সুশিক্ষা সুনিশ্চিত করতে সদা সচেষ্ট সবাইকে জানাই অভিনন্দন, রইল নিরন্তর শুভ কামনা।


মন্তব্য