kalerkantho


ধারাবাহিক উপন্যাস

বিষন্ন শহরের গল্প

সেলিনা হোসেন

১৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



বিষন্ন শহরের গল্প

অঙ্কন : বিপ্লব

সাত

বালিশে মুখ গুঁজে কতক্ষণ উপুড় হয়ে শুয়ে ছিল তা মনে করতে পারে না সুজন। ঘড়ি দেখারও ইচ্ছা হয় না। শুধু নিজেকে উল্টে চিত হয়। চোখ বুজেই রাখে। ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকার ইচ্ছা হয় না। দুপাশে দুহাত লম্বা করে ফেলে রেখেছে। মনে মনে বলে, এই হাতের আমার আর প্রয়োজন নেই। ডান হাত দিয়ে মুনিরাকে কুপিয়েছে। বাঁ হাত মুনিরাকে চেপে রেখেছিল। এই ভাবনার সঙ্গে সঙ্গে হাত দুটি বিছানার ওপর দাপায়। হাত জোড়া সেদিন অমন সক্রিয় হয়ে না উঠলে ঘটনা অন্য রকম হতে পারত। কিন্তু ও তো নিজেই ছেয়েছিল হাত ওর ইচ্ছামাফিক কাজ করুক। শেষ হোক জীবনের এক অধ্যায়। এখন হাতের নড়াচড়া বন্ধ থাকুক। ফুরিয়ে তো যাচ্ছে জীবনের সব আলো।

ও বিছানায় উঠে বসে। ওর প্রচণ্ড খিদে পেয়েছে। মাথা ঘুরছে। মা খাবার পাঠাবে, কিন্তু এখন পর্যন্ত খাবার আসার কোনো খবর নেই। ডান হাত লাগবে খাবার খেতে। কেন ও হাতের প্রতি নিষ্ঠুর হচ্ছে? বাঁ হাতও কাজ করছে। সে হাতে ঘড়ি বাঁধা আছে। সময় দেখতে হয়। দুটি হাতই সময়ের শেষ আলোয় ওকে সহযোগিতা করছে। শুধু দরকার নিজের অস্থিরতা কমানো। কিন্তু নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারছে না। ছুটে যায় সময়ের হিসাব-নিকাশ। ভেসে আসে অদৃশ্য কণ্ঠস্বর।

—তোমার ফাঁসির সর্বশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

—হবেই তো। এটা আমি শুনে কী করব?

—ফাঁসির মঞ্চের ফ্লাডলাইট জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে।

—জ্বলুক। ফকফকে হয়ে থাকুক চারদিক।

—শেষবারের মতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে মঞ্চ।

—ভালোই তো। শুনে মজা পাচ্ছি।

—সাফসুতরো করা হচ্ছে।

—বেশ, বেশ। আমাকে ময়লার মধ্যে পড়ে থাকতে হবে না। আমি কি সেন্টের গন্ধ পাব? নাকি এয়ার ফ্রেশনারের গন্ধ?

—মরণের সঙ্গে গন্ধের কী সম্পর্ক?

—তোমাকে এত কথা আমি বোঝাতে পারব না, শহর। কয়টায় মঞ্চের শেষ কাজ করা শুরু হয়েছে?

—আটটা পঁয়তাল্লিশ মিনিটে।

—কখন শেষ হবে?

—আমি জানি না।

—জিজ্ঞেস কর ওদের? বল, ছেলেটাকে সারা দিন ধরে এমন অপেক্ষায় রেখেছ কেন? বিচারের রায়ে ফাঁসি হয়েছে। ঘাড় ধরে ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যাও। কাজ শেষ করে ফেল। এত রাত হয়ে গেছে, আর কতক্ষণ লাগাবে ওরা?

—এসব প্রশ্ন আমি করতে পারব না। ওরা ওদের নিয়ম-কানুন মেনে করবে। আমাকে জবাব দেওয়ার দরকার ওদের নেই।

—হ্যাঁ, তা নেই। ওরা তোমাকে জবাব দেবেও না।

—তোর খাবার এসেছে।

—তাই নাকি? মঞ্চের ফ্লাডলাইটে চারদিক কি খুব আলোকিত হয়ে আছে?

—থাকবেই তো। এ জন্যই তো ফ্লাডলাইট জ্বালানো হয়েছে।

—জেলের সব কয়েদি কি খুশি?

—হ্যাঁ, খুশি তো। খুনির মৃত্যু হলে সবাই খুশি হয়।

—তুমি আমাকে খুনি বলো কেন, শহর?

—খুনিকে তো খুনিই বলব।

—বলো, আমি আর তোমার সঙ্গে কথা বলব না। তুমি চুপ করে থাকো।

—আমি তো চুপ করেই থাকি। এখানে যা কিছু ঘটছে, তার জন্য আমার মন কুঁকড়ে যায়। আমার কোনো আনন্দ থাকে না।

—তোমার সঙ্গে আমি আর কথা বলব না, শহর। তুমি চুপ করে থাকো। তোমাকে আমার সহ্য হচ্ছে না।

কথা বলে না শহর। বিষণ্নতায় ডুবে যায়। প্রবল বিষণ্নতা শহরকে ঘুণপোকার মতো কাটে।

দরজায় ঠুকঠুক শব্দ হয় প্রথমে। তার পরে দরজা খুলে যায়। ঘরে ঢোকে রুহুল আমিন। তার পেছনে বাদলও ঢোকে খাবার নিয়ে।

—আপনার বাড়ি থেকে খাবার এসেছে।

—মা তো জানে, আমি ৯টার মধ্যে ভাত খাই। এখন ৯টা কুড়ি বাজে। এত দেরি করে খাবার পাঠাবে কেন?

—আপনার মা ৯টার মধ্যেই খাবার পাঠিয়েছেন। আমরাই আপনাকে দিতে দেরি করেছি।

—কেন? দেরি করেছেন কেন?

—আমাদের হাতে কাজ ছিল।

—আমাকে খাবার দেওয়ার গুরুত্ব বেশি কাজের মধ্যে পড়ে না। না?

—বাদল, খাবার রেখে চলে যাও।

রুহুল আমিনের নির্দেশে বাদল খাবার রেখে চলে যায়। দরজা বন্ধ করে দেয়। সুজন ক্রুদ্ধ কণ্ঠে বলে, আপনি আমার প্রশ্নের উত্তর দিলেন না।

—প্রয়োজন মনে করি না।

—মারব ঘুষি। শেষ করব তোকেও। আমি আর একবার খুনি হব। খুন আমার কাছে একটি অনায়াস কাজ।

সুজন চিত্কার করে ঝাঁপিয়ে পড়ে রুহুলের ওপর। রুহুল লম্বা-চওড়া। শক্ত হাতে নিজেকে সামলায়। সুজন তাকে আঘাত করতে পারে না। উল্টো সে সুজনকে ঘাড় ধরে বিছানার ওপর বসিয়ে দেয়। সুজনের ঘোঁতঘোঁত শব্দ ঘরে ছড়াতে থাকে। আগুনে-দৃষ্টিতে রুহুলের দিকে তাকায়। রুহুল দুপা পেছনে সরে গিয়ে বলে, আর যদি নড়বি তো বুঝবি খুন কত সহজ কাজ। চুপ করে বসে থাক।

—আমি ভাত খাব। আমার খিদে পেয়েছে।

—তোর আবার খিদেও পায় শয়তান।

—তুমি এভাবে কথা বলবে না বলে দিলাম। ভালো হবে না বলছি।

—আমার সঙ্গে পারবি না। আকারে তুই আমার অর্ধেক। একটু আগে দেখলি না। নে, ভাত খেয়ে নে। বাপ-মায়ের বুকেও তো ছুরি গেঁথে রেখেছিস। তাদের রক্ত তো তাদের মরণের আগে পর্যন্ত ঝরবে।

—তুমি আর কথা বলবে না। তুমি যাও বলছি। নইলে ঘুষি খাবে।

—সেই মুরোদ আর তোর নেই। যা, ভাত খা। ভাত খেয়ে অপেক্ষা কর। তারপর তোকে গোসল করতে হবে। যাচ্ছি।

রুহুল আমিন বেরিয়ে গেলে বন্ধ হয়ে যায় দরজা। সুজন কিছুক্ষণ থম ধরে বসে থাকে। উঠতে পারে না। মনে হচ্ছে গায়ে কোনো শক্তি নেই। এমন কি খিদেও নেই। খেতে ইচ্ছা করছে না। নিজের ভেতরে দিনভর ফাঁসির মহড়া চলছে বলে মনে হয়। এই মহড়ায় বাইরের কাউকে দরকার হয় না। নিজের চিন্তাভাবনাই তো দিনভর মহড়া চালিয়ে যাচ্ছে। নিজের চিন্তায় নিজেই অভিভূত হয় সুজন। বেশ তো ভাবতে পারছে নিজের ভেতরে ফাঁসির মহড়ার কথা। সারা দিন তো মহড়ার নানা দিক নিয়ে কাটল। এই মহড়ায় বারবার জীবনের নানা দিক উঠে এসেছে। নিজের কত স্মৃতি, কত ঘটনা ওকে আলোড়িত করল। এসব ভেবে নিজের সঙ্গে খুনসুটি হলো। এসব তো ফাঁসির আসামির জীবনমঞ্চের মহড়া। মা খাবার পাঠিয়েছে। খাবে কি খাবে না সেই মহড়ায় এখন আছে ও। রুহুল আমিন বলছে মা-বাবার রক্ত ঝরার কথা। ওহ, রক্ত! খাবারের সঙ্গে কি রক্ত মিশে আছে? কঠিন লাল রঙের রক্ত?

—ওহ, মাগো! বারবার বলতে বলতে সুজন দুহাতে মুখ ঢাকে। চোখের জলে হাত ভেজায়। অনেকক্ষণ কেঁদে ও চোখের পানি মুছে খাবারের বাটির ঢাকনা খোলে। পোলাও, মুরগির মাংস, খাসির মাংসের তরকারি পাঠানো হয়েছে। সঙ্গে দই আর আম আছে। ও পোলাও-মাংসের বাটি বন্ধ করে রাখে। আম খায়। চামচ ব্যবহার না করে একটি একটি করে টুকরো মুখে পোরে। এই প্রথম অনুভব করে প্রিয় খাবার সামনে রেখে কোনো আনন্দ পাচ্ছে না ও। এত বছরের জীবনে কখনো খাবার নিয়ে এমন মনোভাব হয়নি ওর। মা সব সময় ওকে পছন্দের খাবার দিয়েছে। ও গাপুস-গুপুস খেয়েছে। অনেক ছোটবেলায় মনভরা খাওয়া হলে খাওয়ার শেষে ধেইধেই নাচত। আজ মনে হচ্ছে, খাবার গ্রহণ একটি বাজে কাজ। এই মুহূর্তে খাবারের মতো বাজে কাজটি ও করবে না। ওর আম খাওয়া শেষ হয়। যে দুই আঙুল দিয়ে আম খেয়েছে, সে আঙুলের দিকে তাকিয়ে বাঁ হাতের আঙুল মোচড়ায় ও। জীবনের সমীকরণে কখনো মানুষ নিজের মুখোমুখি হয়। হিসাব-নিকাশের খাতাটা লাল-নীল-সবুজ-হলুদ রঙে ভরে ওঠে। চেতনার বিন্যাস মৃত্তিকার পটে জলের রেখা। এই রেখা মুছে ফেলার সাধ যেন মানুষের ভেতরে না থাকে। জলের রেখার ধারাটি রেখে মানুষ যেন তার জীবন শুদ্ধভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। সুজন শূন্য দৃষ্টিতে চারদিকে তাকায়। ওর মনে হয়, ওর সামনে এক অন্ধকার মনোভূমি বিছিয়ে আছে। ও কিছুই ভাবতে পারছে না। অথচ ওর চারপাশে ভাবনার প্রবল কলরব। অথচ ও কিছুই শুনতে পাচ্ছে না। নিজেকে একটি ক্ষুদ্র কীট ভেবে ও নিজেকে পায়ের নিচে পিষ্ট করে।

দরজায় টুকটুক শব্দ হয়। দরজা খুলে যায়। এক ঝলক বাতাস ঢোকে খোলা দরজা দিয়ে। বেশ স্নিগ্ধ লাগছে নিজেকে। মুহূর্তের অনুভব মাত্র। পর মুহূর্তে রেগে ওঠে। আবার ঢুকে পড়ে নিজের অস্থির আচরণে। বাদলকে ধমক দিয়ে বলে, খবরদার ঢুকবে না। তোমার চেহারা দেখতে চাই না।

—আমার চেহারা আপনাকে দেখতে হবে না। আপনি চোখ বন্ধ করে রাখেন।

—কী বললি? বেশি সাহস তোর।

—বাড়াবাড়ি করবেন না। আমি খাবারের থালা-বাটি নিতে এসেছি। আপনি সরে দাঁড়ান।

—তোর হুকুমে আমি সরে দাঁড়াব নাকি?

—আমাকে ওগুলো নিতে হবে।

—নিয়ে যা। টিফিন বক্সে পোলাও-মাংস আছে, তুই খেয়ে নিস।

—খুনির আসামির ঝুটা খাবার আমি খাই না।

—কী বললি?

—শুনতে পাননি, কী বলেছি?

—ঘুষি মেরে তোর দাঁত ফেলে দেব, শয়তান।

—তুই নিজেই তো শয়তান। ইবলিস একটা। কথাটা বলেই ঝট করে বেরিয়ে যায় বাদল। ঠাস করে দরজা বন্ধ করে। সেই শব্দে মাথা গরগরিয়ে ওঠে সুজনের। কিন্তু টের পায়, বাইরে থেকে দরজা তালাবদ্ধ করা হচ্ছে। ও পোলাও, মাংসসহ বাটিগুলো ঘরের চারদিকে ছুড়ে মারে। ঘরের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে পোলাও-মাংস। তরকারি থেকে গন্ধ আসছে। মায়ের শরীরের গন্ধ যেন। গন্ধে ভরে আছে মসলার ঝাঁজ, যেন মা রাগ করে বলছে, এটি করলে বাবা? কত যত্ন করে রান্না করেছি, সব তুই ফেলে দিলি?

—তোমার রান্না তো আমি সব সময় যত্ন করে খেয়েছি, মা। আমি তো তোমার সঙ্গে রাগ করে খাবার ফেলিনি। আমি মরণের সঙ্গে রাগ করেছি। সময়ের সঙ্গে রাগ করেছি। জেলখানার সঙ্গে রাগ করেছি। ফাঁসির মহড়ার সঙ্গে রাগ করেছি। সারা দিন যা হয়েছে তার সঙ্গে রাগ করেছি।

—তোকে আরো অনেক কিছু করতে হবে।

—আমি জানি, মা।

—তোর বাবা তোর জন্য একটি স্লিপিং গাউন রেখে এসেছে।

—ওটি তো আমি বিছানার কোনায় রেখেছি। শেষ গোসলের পরে পরব।

—পরিস কিন্তু। ওটা না পরে তোর বাবাকে কাঁদাবি না।

—না, বাবাকে আর কাঁদাব না। আমি এখন তোমার লক্ষ্মী ছেলে।

—মনে থাকবে তো?

—থাকবে, থাকবে। চিত্কার করে ওঠে সুজন। অস্থির হয়ে ওঠে। রাগ বাড়তে থাকে। চিত্কার করে বলতে থাকে, আমি ঘুমুতে চাই। আমার ঘুম পাচ্ছে। তোমরা আমাকে ঘুমুতে দাও।

দরজা খুলে যায়। রুহুল আমিন ঢোকে।

—কী হয়েছে? চেঁচাচ্ছেন কেন?

—আমার ঘুম পাচ্ছে। আমি মুনিরাকে আর একবার খুন করতে চাই।

—মানে? কী বলছেন এসব? সে তো খুনই হয়ে গেছে।

—মরণের পরের দুনিয়ায় ওর সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হবে। প্রথম দেখার দিন আমি ওকে আবার খুন করব।

—পাগলামি করছেন কেন?

—পাগলামি নয়। ওকে যতবার দেখব, ততবার খুন করব।

পায়ের কাছে পড়ে থাকা বাটিগুলোতে লাথি মারতে থাকে সুজন। রুহুল আমিন কথা না বাড়িয়ে বেরিয়ে যায়। দরজা বন্ধ হওয়ার আগেই সুজন পেছন থেকে হাত চেপে ধরে বলে, যাচ্ছেন যে? আমি তো আপনাকে খুন করতে চাইনি।

—আমার মাথা ঘোরাচ্ছে। শরীর খারাপ লাগছে। কনডেম সেল আমার কাছে অসহ্য লাগছে।

—অফিসে তো রেস্ট করার জায়গা থাকে না। নাকি আপনার জন্য আছে?

রুহুল আমিন কথা বলে না। মাথা ঝাঁকায় শুধু।

—আমার ফাঁসির আগে পর্যন্ত আপনার মাথা ধরা ছাড়বে না।

—তা তো ছাড়বে না। একজনের সামনে দাঁড়িয়ে এত খুনের কথা শুনলে মাথা ধরা তো ছাড়বে না। আমার শরীর অবশ হয়ে যাচ্ছে।

—একটা ঘুষি মারলে অবশ ভাব কেটে যাবে। রুহুল আমিন এক ঝটকায় হাত ছাড়িয়ে বেরিয়ে যায়। বন্ধ হয় দরজা। সুজন দরজার গায়ে পিঠ ঠেকিয়ে দাঁড়ায়। তরকারির ঝাঁজের সঙ্গে মায়ের কণ্ঠস্বর ভেসে আসে, ধমকের স্বর ভেসে আসে।

—বেঁচে থাকার শেষ মুহূর্তে তুই এমন করছিস কেন, বাবা? শান্ত হয়ে থাক।

—মাগো, এই জনমে আর আমি ভালো হতে পারব না। পরের জীবনে যদি আবার তোমার কোলে ফিরে আসি—

—না, তুই আর আমার কোলে ফিরবি না।

—তোমার কোলে ফিরব না?

—না, তোর মতো ছেলে আমি আর চাই না।

—কী বলছ তুমি?

—ঠিকই বলছি। আর কথা বলব না তোর সঙ্গে।

—মা, মা। সুজন চিত্কার করে ডাকে। কোনো কথা শুনতে পায়। অকস্মাত্ ওর সামনে চারদিক স্তব্ধ হয়ে যায়। তখন ও আবার চিত্কার করে বলতে থাকে, আমি ঘুমাতে চাই।
চলবে...


মন্তব্য