kalerkantho


এই শট আমি কোনোদিন খেলিনি: জহুরুল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ নভেম্বর, ২০১৭ ২০:২০



এই শট আমি কোনোদিন খেলিনি: জহুরুল

খুলনার ছুঁড়ে দেয়া ১৫৭ রানের টার্গেটে ৪১ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে ঢাকা। সেখান থেকে ৩৭ বলে ৭৩ রানের জুটি গড়ে ঢাকাকে অবিস্মরণীয় জয় এনে দেন পোলার্ড-জহিরুল।

তবে ম্যাচে পোলর্ডের ৫৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংসটিই ঢাকার জয়ে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হওয়া জহিরুল।  

৩৯ বলে ৪৫ রানে অপরাজিত এই ব্যাটসম্যান যে শটে তিনি জয়সূচক রান নেন, প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে এর আগে কোনো দিন সেই শট খেললেননি! হাসতে হাসতে তিনি বলেন, 'আমি তো দলকে বিপদে ফেলে দিয়েছিলাম!' 

কী হয়েছিল সেই সময়? জয়ের জন্য শেষ ওভারে ঢাকার দরকার ছিল ৬ রান। কার্লোস ব্রাফেটের পর পর দুটি ইয়র্কারে কোনো রান নিতে পারেননি জহুরুল। পরের দুই বলে হলো ২ রান। শেষ ২ বলে ঢাকার দরকার ছিল ৪ রান। মরিয়া জহুরুল নিজের তালিকায় না থাকা রিভার্স স্কুপ খেলে বসেন। থার্ডম্যান দিয়ে বল চলে যায় সীমানার বাইরে। সাথে সাথে বিজয়োল্লাসে মেতে ওঠে ঢাকা ডায়নামাইটস।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে জহিরুল বলেন,'প্রথম দুই বলে আমি স্কয়ার লেগ দিয়ে চার মারতে চেয়েছিলাম।

কিন্তু বোলার খুব দ্রুতগতির এবং তিনি ইয়র্কার ছুড়ছিলেন। বাউন্ডারি মারার চিন্তা আমার ভুল ছিল। যদি এক রানের চিন্তা করতাম, তাহলে ব্যাটে লাগত। আমি দলকে বিপদে ফেলে দিয়েছিলাম। '

'পরে চিন্তা করেছি, যেহেতু দুটি বলে ইয়র্কার করে সফল হয়েছে, আবারও ইয়র্কার করবে। আমি তাই গ্যাম্বলিংয়ের মত চিন্তা করলাম যে থার্ড ম্যান যেহেতু ওপরে, সেদিক দিয়ে উল্টো স্কুপ করব। আগে এই শট কোনোদিন খেলিনি।  অনুশীলনে চেষ্টা করেছি কয়েকবার। ম্যাচে এটিই প্রথম। '

তবে দলের জয়ের জন্য পোলার্ডের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, 'আজকে ১৫৫ রান তাড়ায় এত মারার দরকার ছিল না। একটু ধীরগতির শুরু হলেও আমাদের ব্যাটসম্যানদের যে সামর্থ্য তাতে রানটা পরে পুষিয়ে নেয়া যেত। আজকে প্রথমবার বড় চাপে পড়ে গিয়েছিলাম। ওই মুহূর্তে মূল কাজ করে দিয়েছেন পোলার্ড। '

'তখন আক্সিং রানরেট ছিল সাড়ে ১৪। আমাদের জন্য কাজটি খুবই কঠিন। আমরা হয়ত ক্যালকুলেশন করে ৮-৯ করে করতে পারব। পোলার্ডের ইনিংসটিই ম্যাচে আসলে আমাদের এত দূর নিয়ে এসেছে। পরে আমি আর সৈকত ঠিক করেছিলাম শেষ পর্যন্ত খেলব। '


মন্তব্য