kalerkantho


তামিমের ক্যাপ্টেন্সির দিনে কুমিল্লার দুর্দান্ত জয়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ নভেম্বর, ২০১৭ ২১:৩৭



তামিমের ক্যাপ্টেন্সির দিনে কুমিল্লার দুর্দান্ত জয়

ফাইল ছবি

চলতি বিপিএলের পঞ্চম আসরে কুমিল্লার আগের ম্যাচেই মাঠে নেমেছিলেন দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। তবে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব ছিল আফগান অল-রাউন্ডার মোহাম্মদ নবির হাতে।

আজ শনিবার দিনের দ্বিতীয় খেলায় রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে অধিনায়ক হিসেবেই মাঠে নামলেন তামিম। ব্যাট হাতে করলেন মোটে ১৯ বলে ২১ রান। কিন্তু ইমরুলের দুর্দান্ত ব্যাটিং আর রশিদ-মেহেদীদের বোলিং দাপটে ১৪ রানের দুর্দান্ত জয় তুলে নিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস।

কুমিল্লার দেওয়া ১৫৪ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা করেন রংপুর রাইডার্সের দুই সুপারস্টার ওপেনার ক্রিস গেইল এবং ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। ক্রিস গেইল সবেমাত্র হাত খুলেছেন। বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন ৩টি। সেই মুহূর্তে মঞ্চে আবির্ভাব আফগান ঘূর্ণি জাদুকর রশিদ খানের। তার বলে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন ১৩ বলে ১৭ রান করা গেইল। ৩১ রানে ভাঙে ওপেনিং জুটি।

পরের বলেই কুশল পেরেরাকে (০) সাইফ উদ্দিনের ক্যাচে পরিণত করেন রশিদ।

ওভারের পঞ্চম বলটি শাহরিয়ার নাফীস রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেললে হ্যাটট্রিক মিস হয় রশিদের। ৬ষ্ঠ ওভারে জোড়া আঘাত হানেন তরুণ স্পিনার মেহেদী হাসান। প্রথম বলেই ম্যাককালামকে (১৩) স্টাম্পড করে দেন লিটন দাস। এক বল পরেই বোল্ড হয়ে যান শাহরিয়ার নাফীস (০)। এসময় দলের হাল ধরেন মোহাম্মদ মিথুন আর রবি বোপারা। দুজনে মিলে ৬৭ রানের জুটি গড়েন।

২৬ বলে ৩১ রান করে মোহাম্মদ মিথুন আল-আমিনের বলে তামিম ইকবালের তালুবন্দি হলে ভাঙে এই জুটি। হাত খুলে ব্যাট করে রান এগিয়ে নেওয়ার চেষ্ট করেছিলেন রবি বোপারা। কিন্তু সঙ্গীর অভাবে কুলিয়ে উঠতে পারেননি। ১৯ তম ওভারে চতুর্থ বলে অধিনায়ক মাশরাফি রান-আউট হয়ে গেলে সব আশা শেষ হয়ে যায় রংপুরের। থিসারা পেরেরাও হাসান আলীর বলে ০ রানে কট অ্যান্ড বোল্ড হয়ে যান। শেষ পর্যন্ত ১৪ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস।

এর আগে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ উইকেটে ১৫৩ রান তোলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। জ্বলে ওঠার আগেই কুমিল্লা অধিনায়ক তামিমকে (২১) ম্যাককালামের ক্যাচে পরিণত করে প্রথম আঘাত হানেন রুবেল হোসেন। এরপর লিটনকে ১১ রানে বোল্ড করে দেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

ইমরুল-বাটলারের ব্যাটে কুমিল্লা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতেই দ্বিতীয়বার আঘাত হানেন মাশরাফি। তার বলে মাত্র ১ রানে এলবিডাব্লিউ হয়ে যান জশ বাটলার। কুমিল্লার দূর্গে বড় আঘাতটি হানেন থিসারা পেরেরা। টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করা ইমরুল কায়েসকে ৪৭ রানে বোল্ড করে দেন তিনি। ৩২ বলে ৪ বাউন্ডারি এবং ২ ওভার বাউন্ডারিতে এই রান করেছিলেন ইমরুল।

কুমিল্লার পঞ্চম উইকেটের পতন ঘটে শোয়েব মালিকের (৯) রান-আউটে। এতে অবদান ছিল থিসারা পেরেরার। এরপর ৩৪ বলে ৪১ রান করা মারলন স্যামুয়েলসকে ফিরিয়ে ম্যাচের রাশ টেনে ধরেন পেরেরা। শেষ পর্যন্ত সাইফ উদ্দিনের ১১ বলে ১৬ রানের ঝড়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৩ রান তুলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস।


মন্তব্য