kalerkantho


সাংবাদিকদের প্রশ্ন শুনে মেজাজ হারালেন কোহলি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:২৬



সাংবাদিকদের প্রশ্ন শুনে মেজাজ হারালেন কোহলি

এক টেস্ট বাকি থাকতেই সিরিজ হাতছাড়া হয়েছে ভারতের। স্বাভাবিকভাবেই এদিন হারের পর যে সাংবাদিকদের বিষাক্ত প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে, তা ভালই জানতেন বিরাট কোহলি। আর হলোও তাই। দল বাছাই নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই মেজাজ হারালেন ভারতের অধিনায়ক।

২০১৪ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির থেকে নিজের কাঁধে নেতৃত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার টেস্ট সিরিজ হারলেন বিরাট। আর সেঞ্চুরিয়নে হারের জন্য বারবার প্রথম একাদশ নির্বাচনের গাফিলতিকেই বড় করে তুলে ধরা হচ্ছে। তবে সে কথা মানতে নারাজ বিরাট। তার বক্তব্য, একটা টেস্ট জিততে হলে ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং তিনটি বিভাগেই ভাল পারফর্ম করতে হয়। সেটাই করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই কারণেই তারা জয়ী। কিন্তু ভারতীয় দলের তিনটি বিভাগ একসঙ্গে ভাল পারফর্ম করেনি।

এই প্রসঙ্গেই সংবাদ সম্মেলনে এক প্রোটিয়া সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, বারবার প্রথম একাদশ পরিবর্তন করাই কি দলের খারাপ পারফরম্যান্সের কারণ? টেস্ট ম্যাচে ঘনঘন দল বদলে ফেলা ধারাবাহিকতায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাহলে কীভাবে ক্যাপ্টেন কোহলি একজনকে এক ম্যাচ খেলিয়ে পরের ম্যাচেই বসিয়ে দেন আর প্রত্যাশা করেন দল বদলে জয় আসবে? এই প্রশ্ন শুনেই তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন বিরাট। ভারত নেতা বেশ বিরক্ত হয়েই পালটা দেন ওই সাংবাদিককে। জিজ্ঞেস করেন, গত ৩০টা ম্যাচে ভারত কটা জিতেছে জানেন? ২১টা জয়, দুটো হার আর কয়টা ড্র?

সাংবাদিক আবার প্রশ্ন করেন, ভারতের মাটিতে কয়টা সেটা বলুন? এমন তর্কে আরো রেগে যান বিরাট। বলেন, সেটা বড় বিষয় নয়। আমরা যেখানেই খেলি নিজেদের সেরাটা দেওয়ারই চেষ্টা করি। আমি এখানে আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে এসেছি। আপনার সঙ্গে লড়াই করতে নয়।

এখানেই সেই বিতর্ক ধামাচাপা পড়লেও বিরাট যে রেগেই ছিলেন, তা পরের প্রশ্নে ফের বোঝা গেল। অন্য এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি ফের প্রোটিয়া সাংবাদিকের উদ্দেশে বলেন, ভারতের মাটিতে কয়টি ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রায় জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল? গুণে বলতে পারবেন? সেই সময় বাকি সাংবাদিকরাই বিরাটকে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি দল বাছাই নিয়ে আরেক সাংবাদিকের প্রশ্নে ক্ষুব্ধ বিরাট বলেন, আপনিই তাহলে প্রথম একাদশ বেছে দিন, আমরা খেলি।


মন্তব্য