kalerkantho


একাডেমি কাপ আয়োজনে বিসিবিকে ধন্যবাদ জানালেন মাশরাফি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ মে, ২০১৮ ২০:৩১



একাডেমি কাপ আয়োজনে বিসিবিকে ধন্যবাদ জানালেন মাশরাফি

ফাইল ছবি

অবশেষে শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একাডেমি কাপ টুর্নামেন্ট। বিসিবি একাডেমি কাপের এটাই প্রথম আসর। মূলত একাডেমিগুলো থেকে প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের তুলে নিয়ে আসার জন্যই মাঠপর্যায়ে কাজ করতে যাচ্ছে বিসিবি। ঢাকা মহানগরে রয়েছে একশর বেশি ক্রিকেট একাডেমি। সেখান থেকে বাছাই করে ৩২টি একাডেমি নিয়ে আগামীকাল রবিবার শুরু হচ্ছে এই আসর। বিকেএসপি, সিটি ক্লাব মাঠ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিতব্য ৪০ ওভারের এই টুর্নামেন্টটি চলবে ৫ জুন পর্যন্ত।

টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে অঙ্কুর ক্রিকেট একাডেমি ও ক্লেমন ইন্দিরা রোড ক্রিকেট একাডেমি। সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে দুই দলের ম্যাচটি শুরু হবে সিটি ক্লাব মাঠে। মূলত ঢাকার ক্রিকেট শেখানো একাডেমিগুলোকে নিয়ে ১৫ দিনের এই টুর্নামেন্ট। ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীরা অংশ নেবে এই টুর্নামেন্টে। মিরপুরের একাডেমি ভবনের সামনে আজ বিসিবি একাডেমি কাপের ট্রফি উন্মোচন করেন জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

টুর্নামেন্টকে স্বাগত জানিয়ে মাশরাফি বলেন, 'অবশ্যই খুব ভালো একটা উদ্যোগ। ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ। ঢাকা লিগের বাইরের প্লেয়ারদের জন্য এটা বড় একটা সুযোগ। আশা করি তারা এখানে ভালো করলে বিভিন্ন ক্লাব থেকে শুরু করে বিসিবির অধীনে বিভিন্ন জায়গায় সুযোগ পেতে পারে। যত বেশি টুর্নামেন্ট হবে, যত বেশি খেলা হবে তত খেলোয়াড় উঠে আসবে। এটা অবশ্যই ইতিবাচক একটি দিক।'

বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ও বিসিবির পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন নিজ উদ্যোগে আয়োজন করছেন টুর্নামেন্টটি। টুর্নামেন্টটি আয়োজন করতে পারায় বেশ খুশিও তিনি। সুজন বলেন, 'এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে নতুনরা সুযোগ পাবে। এটা পাইলট প্রজেক্ট। এই বছর মাত্র ৩২টি দল নিয়ে খেলছি। টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে বলে খুশি। সামনের বছর আমাদের পরিকল্পনা আছে আরো বড় করে আয়োজনের। আশা করি এখান থেকে অনেক প্রতিভা উঠে আসবে। বাবা-মা যাদের একাডেমিতে পাঠাচ্ছে ক্রিকেট শেখার জন্য তাদের জন্যও একটা বড় অনুপ্রেরণা। পরের বছর ঢাকার বাইরে থেকে দুইটা বা চারটা করে দাওয়াত দেব।'

প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের নিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানিয়ে খালেদ মাহমুদ বলেন, 'আমাদের উদ্দেশ্য এখান থেকে ভালো মানের কিছু খেলোয়াড় তুলে এনে তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। প্রায় ৫-৬ সপ্তাহের মতো ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা। যে চারটা দল সেমিফাইনালে উঠবে, বিসিবি চেষ্টা করবে তাদের গেম ডেভেলপমেন্টের তত্ত¡াবধানে নিয়ে আসার। মূল কথা তরুণ ক্রিকেটারদের উৎসাহিত করতেই আমাদের এমন উদ্যোগ।'


মন্তব্য