kalerkantho


লা মেজকুইটা : গোটা শহরের হৃৎস্পন্দন জিইয়ে রাখে যে মসজিদ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ আগস্ট, ২০১৭ ১৬:০১



লা মেজকুইটা : গোটা শহরের হৃৎস্পন্দন জিইয়ে রাখে যে মসজিদ

স্পেনের দক্ষিণ অংশের আন্দালুসিয়া অঞ্চলের এক শহর করডোবা। এই শহরটি আবার করডোবা প্রদেশের রাজধানীও বটে।

মধ্যযুগে ইসলামের অন্যতম কেন্দ্র ছিল এই শহর। রোমান সাম্রাজ্যেরও এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসাবে বিবেচিত হতো। এ শহরটা কিন্তু ১৯৮৪ সাল থেকেই ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের তালিকায় ঠাঁই করে নিয়েছে। অর্থাৎ, গোটা শহরটিই কিন্তু দর্শনীয় স্থান। তবে পর্যটকরা বলেন, কেবলমাত্র একটি জিনিসের দেখা পেতে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে করডোবায় ছুটে আসটা অন্যায় হবে না। তা হলো 'লা মেজকুইটা'। সেই ৭৮৪ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত বিশাল এক মসজিদ এটি। চোখে না দেখলে একে বর্ণনায় বোঝানো খুব কঠিন বিষয়।  

এ মসজিদের ধারেকাছে গেলেই পরিবেশটাই বদলে যেতে থাকবে।

বিশেষ পরিবেশে প্রকাণ্ড দেহ আর অপূর্ব স্থাপত্যশৈলী নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে এই মসজিদ। যারা গেছেন তাদের মতে, করডোবায় যাবেন কিন্তু লা মেজকুইটায় ভ্রমণ করবেন না, সেটা রীতিমতো অপরাধ। শহের হৃদযন্ত্রই যেন এই মসজিদ। এটা এ শহরের পরিচয় বহনে সর্ববৃহৎ চিহ্ন। এটাকে 'দ্য গ্রেট মস্ক অব করডোবা' নামেও ডাকা হয়। আল-আন্দালুসের মুসলিমদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য তিন শতক ধরে জিইয়ে রেখেছে এই মসজিদ। শুধু স্পেনের নয়, গোটা বিশ্বের সেরা স্থাপত্যকলার অন্যতম নিদর্শন হিসাবে বিবেচনা করা হয় মসজিদটিকে। ভারী অলংকরণ ঘটেছে এর নকশায়। রংয়ের মাধুর্য আর আঁকিবুকি আপনাকে হতভম্ব করে দেবে। রং, পাথর আর কাঠের অসাধারণ কারুকাজ।  

তবে ইতিহাসের বিবর্তনে মসজিদটি ক্যাথলিক রাজাদের অধীনে চলে যায়। ১২৩৬ সালে এটাকে জাঁকজমকপূর্ণ ক্যাথেড্রালে রূপান্তরিত করা হয়। নকশায় এর কিছু নমুনাও চোখে পড়বে। রেনেসাঁ যুগের ছোঁয়াও মিলেছে ১৭ শ শতকের দিকে।  

ভেতরে আলো খুব কম। তাই ছবি তুলে সুবিধা করতে পারবেন না। এ ছাড়া ক্যামেরা বসানোর ট্রিপড নিষিদ্ধ। তবুও এই অনিন্দ্য সুন্দর স্থাপনার ছবি না তুলে পারা যায়।  
সূত্র : ইন্টারনেট 


মন্তব্য