kalerkantho


ভ্রমণ : দুবাইয়ে কফিপ্রেমীদের জন্য 'কফি জাদুঘর'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৭:৫৫



ভ্রমণ : দুবাইয়ে কফিপ্রেমীদের জন্য 'কফি জাদুঘর'

এ এক অসাধারণ 'কফি জাদুঘর'

পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তেই সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয়টি হলো চা। আবার কফিও কিন্তু কম যায় না।

তবে একটু দামি আর বিশেষ বলে চায়ের চেয়ে কমই চলে এটা। কিন্তু যারা দুবাইয়ে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তাদের জেনে রাখা ভালো, ওখানকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে কিন্তু কফি মিশে রয়েছে। বিশ্বাস না হলে যেতে হবে কফি মিউজিয়ামে। দুবাইয়ের সঙ্গে কফির দীর্ঘদিনের সম্পর্ক নিয়ে গোটা এক মিউজিয়াম গড়ে তোলা হয়েছে।

পর্যটকদের তাই দুবাইয়ে গেলে এক কাপ কফি খেতে সেই কফি মিউজিয়ামে যাওয়ার পরামর্শ দেন অনেকেই। জাদুঘরের মালিক খালিদ আল মুল্লা। তিনি কফি ব্যবসায়ী এবং সংগ্রাহক। ওখানে যেমন কফি বিষয়ক ইতিহাসের দেখা মিলবে, তেমনকি কফিও খেতে পারবেন।  

মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ বাড়িতে মেহমানকে কফি দিয়েই আপ্যায়ন করা হয়।

তাই এ পানীয় নিয়ে তাদের বিশেষ সংস্কৃতি রয়েছে। দুবাইয়ের ভিলা ৪৪ এর মুখেই এটি নজরে আসবে। সেখানে বিভিন্ন দেশের বিশেষ কফি মগ রয়েছে। কফি গুঁড়ো করার জন্য হাতে বানানো এবং হাতেই কাজ সম্পন্ন করতে হয় এমন যন্ত্রপাতির দেখা মিলবে। এ ধরনের জিনিস আপনি কিনেও আনতে পারবেন। জাদুঘরে প্রবেশ করা মাত্র সুন্দরী নারী অভ্যর্থনা জানাবেন আপনাকে। আফ্রিকার ঐতিহ্য মেনে এক কাপ কফি তৈরি করা দেখানো হয় সেখানে। কফিপ্রেমীদের জন্য এর চেয়ে রোমাঞ্চকর স্থান আর হতে পারে না।  

সেখানে প্রায়ই তিনি বলেন, বিয়ে খোদা ঠিক করে দেন না। এটা ঠিক করে দেয় কফি। এ কথা বলে তিনি অট্টহাসিতে ফেটে পড়েন। এ জাতীয় স্থানে গেলে এমনটা মনে হতেই পারে।  

জাদুঘরের দ্বিতীয় তলায় কফি খাওয়ার আয়োজন রয়েছে। আর নিচে মিলবে পশ্চিমা অ্যান্টিক আর কফির প্রাচীন আয়োজন। সেখানে আছে বিভিন্ন পদের কফি। সেই অটোম্যান সাম্রাজ্যের সময়কার কফির সরঞ্জাম দেখতে পারবেন। ভবনের বেজমেন্টে আছে এক বিখ্যাত জিনিস 'সুইডিশ রোস্ট'। এটা ব্যবহৃত হতো সেই ১৮৪০ সালের দিকে।  

খালিদ জানান, কফির আদি ইতিহাস মিলতে পারে ইথিওপিয়ান হাইল্যান্ডস-এ। শত শত বছর আগে সেখানে কফির সংস্কৃতির দেখা মেলে। জানালেন কফি আবিষ্কারের এক মজার ইতিহাস। একটা ছাগল নাকি কোনো একটা গাছের অচেনা বেরি জাতীয় ফল খেয়ে আর সারারাত ঘুমায়নি। আর তখনই সেই কফি নজরে আসে মানুষের। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস 


মন্তব্য