kalerkantho


আল মারজুম : শিকার, উট আর বাজপাখির হাতছানি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩১ অক্টোবর, ২০১৭ ১৬:২৬



আল মারজুম : শিকার, উট আর বাজপাখির হাতছানি

আবুধাবির 'দ্য হেরিটেজ ফেস্টিভ্যালস কমিটি (সিপিএইচএফসি)' তাদের আল মারজুম রিজার্ভ দর্শনার্থীদের জন্যে খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। বাজপাখি আর রোমাঞ্চকর ক্রীড়ায় আসক্তরা এখানে ছুটে আসবেন বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে।

সংরক্ষিত প্রাকৃতিক অঞ্চলটি খোলা থাকবে নভেম্বর থেকে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।  

সিপিএইচএফসি'র প্ল্যানিং অ্যান্ড প্রজেক্টস ডিরেক্টর ওবাইদ খালফান আল মাজরোয়ি জানান, আল মারজুম উন্মুক্ত থাকবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকসহ বিশ্ব পর্যটকদের জন্যে।  

আসলে এখানকার অনন্য সংস্কৃতি আর অভিজ্ঞতা সবাইকে টানে। সেখানে সেই প্রাচীন আমলের পরিবহনব্যবস্থা এখনও চালু রাখা হয়েছে। এটা অবশ্য পর্যটকদের জন্যেই রাখা হয়েছে।  

আল মারজুম রিজার্ভ আসলে ওই অঞ্চলের ঐতিহ্য এবং প্রকৃতির জীবন টিকিয়ে রাখার প্রচেষ্টা। এ কারণে এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ এখনও সেই আগের মতোই রয়ে গেছে। আর সেখানেই পর্যটকদের আগ্রহ।  

সেখানে শিকারের মৌসুম আসে।

বার্ষিক শিকার মৌসুমে পর্যটকরা সবাই শিকার করতে পারেন। মূলত নভেম্বন থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিকার চলে। সেই সঙ্গে বাজপাখিদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলার সুযোগও রয়েছে। অবশ্য নিয়ম-কানুন মেনে এ কাজটি উপভোগ করতে হবে।  

উটের পিঠে চড়ার সুযোগ একটা বড় বিষয়। আসলে প্রাচীন আমলে চলাফেরার জন্যে উটই ছিল অন্যতম ভরসা। ঘোড়াও ছিল। এখনও উটে চলাচলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এতে করে এই অঞ্চলে গাড়ির আনাগোনা খুব বেশি নেই। ফলে জীববৈচিত্র্য আর প্রকৃতিতে কৃত্রিমতা দেখা যায় না। যারা অভিযান পছন্দ করেন, তারা চাইলেই সেখানে ছুটে যেতে পারেন।  

আল মারজুমের পর্যটকদের জন্যে যথাযোগ্য নিরাপত্তা আর আরামের ব্যবস্থা রয়েছে। এদিকটা নিয়ে কোনো চিন্তা করতে হবে না। নিশ্চিন্তে এবং নির্বিঘ্নে ঘুরে আসতে পারেন পরিবার নিয়ে, কিংবা একাকী। থাকার জন্যে সেখানকার ঐতিহ্যবাহী তাঁবু আছে। সেখানেও স্থানীয়দের মতো থাকতে পারবেন। ভ্রমণটা সত্যিকার অর্থেই অ্যারাবিয়ান নাইটসের মতো হবে।  
সূত্র : এমিরেটস 


মন্তব্য