ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

৪ দিনে ৪০০ মানুষকে হত্যা করলো আইএস

কালের কণ্ঠ অনলাইন
কালের কণ্ঠ অনলাইন
শেয়ার
৪ দিনে ৪০০ মানুষকে হত্যা করলো আইএস

সিরিয়ার প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী শহর পালমিরা দখলের চার দিনে ৪০০ লোকের কথিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)। রবিবার সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। প্রাথমিকভাবে হত্যার শিকার মানুষের এ সংখ্যাটি নিশ্চিত করা যায়নি। তবে, আইএস জঙ্গিরা সরকারি বাহিনীর হাত থেকে পালমিরা শহরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে হত্যার ঘটনা ঘটিয়ে আসায়, সংখ্যাটি সঙ্গতিপূর্ণ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

৫০ হাজার মানুষ পালমিরা শহরে বসবাস করতেন। রোমান সম্রাজ্যের প্রাচীণ নিদর্শন সবচেয়ে অক্ষতভাবে এ শহরে সংরক্ষিত ছিল। বুধবার শহরটি দখলের পর থেকে এসব স্থাপনা ধ্বংস করে আসছে আইএস জঙ্গিরা।

এর আগের দিন, ইরাকের রামাদি শহরের নিয়ন্ত্রণ নেয় আইএস জঙ্গিরা।
২০১৪ সালে আইএসের বিরুদ্ধে আমেরিকার নেতৃত্বে যুদ্ধ ঘোষণার পর একদিনের ব্যবধানে দুইটি শহরের নিয়ন্ত্রণ জঙ্গিদের বড় ধরনের সফলতা বলে মনে করছে পর্যবেক্ষকরা। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম জানায়, জঙ্গিরা ৪০০ মানুষকে হত্যা করেছে এবং মৃতদেহগুলো বিকৃত করেছে। তাদের অভিযোগ, গোপনে এসব লোক সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং নির্দেশ অমান্য করেছে।

হত্যার শিকার এসব ব্যক্তির মধ্যে সরকারি অনেক চাকরিজীবী রয়েছে।
একটি হাসপাতালের নার্সিং বিভাগের প্রধান ও তার পরিবারের সব সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। আইএস সমর্থকরা ইন্টারনেটে ভিডিও আপলোড করেছে, যেখানে দেখানো হয়েছে, সরকারি বাহিনীর সৈন্যদের ধরতে আইএস জঙ্গিরা বিভিন্ন সরকারি ভবনে তল্লাশি চালাচ্ছে। একই সঙ্গে বাশার আল আসাদ ও তার বাবার ছবি নামিয়ে ফেলছে। সোস্যাল মিডিয়াতে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, শতাধিক মৃতদেহ রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

সিরিয়ায় মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা জানায়, পালমিরা শহরটি দখলের পর কিছু মানুষকে গলাকেটে হত্যা করেছে আইএস জঙ্গিরা।
তবে, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা জানাতে পারেনি সংস্থাটি। সংস্থাটি আরো জানায়, শহরটি দখলের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তিন শতাধিক সৈন্যকে হত্যা করে আইএস জঙ্গিরা। রামি আব্দুর রহমান নামে পর্যবেক্ষক সংস্থার এক কর্মকর্তা জানান, অনেক সৈন্য এখনও নিখোঁজ রয়েছে। তবে, তারা কোথায় অবস্থান করছে বা তাদের বর্তমান অবস্থা কি কিছুই বলা যাচ্ছে না।
 

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

জনশূন্য পেঙ্গুইনের দ্বীপেও শুল্ক বসালেন ট্রাম্প!

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
জনশূন্য পেঙ্গুইনের দ্বীপেও শুল্ক বসালেন ট্রাম্প!
সংগৃহীত ছবি

অ্যান্টার্কটিকার কাছে বরফে ঢাকা, জনশূন্য আগ্নেয়গিরিময় দ্বীপপুঞ্জ। সেখানে শুধু পেঙ্গুইনদের বাস। তা সত্ত্বেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কারোপ থেকে রক্ষা পায়নি এসব দ্বীপ। এসব দ্বীপের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছেন তিনি।

খবর দ্য গার্ডিয়ান ও এএফপির।

অস্ট্রেলিয়ার দূরবর্তী ভূখণ্ড হার্ড দ্বীপ ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ পৃথিবীর অন্যতম প্রত্যন্ত অঞ্চল। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার পার্থ থেকে নৌকায় সেখানে পৌঁছাতে দুই সপ্তাহ লাগে। ধারণা করা হয়, একদম জনশূন্য এই দ্বীপে প্রায় এক দশক আগে শেষবার মানুষের পা পড়েছিল।

তবু যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস প্রকাশিত নতুন শুল্কের তালিকায় ‘দেশ’ হিসেবে জায়গা পেয়েছে হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ। এর পরিপ্রেক্ষিতে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ বলেছেন, ‘পৃথিবীর কোনো জায়গা নিরাপদ নয়।’

হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ডের বাইরের আরো কিছু অঞ্চল যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কের তালিকায় আলাদা করে স্থান পেয়েছে, যেগুলোর ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হবে।

আরো পড়ুন
মাস্কের সরকারি পদ ছাড়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিল হোয়াইট হাউস

মাস্কের সরকারি পদ ছাড়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিল হোয়াইট হাউস

 

অস্ট্রেলিয়ার এসব দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন অঞ্চল সরাসরি স্বায়ত্তশাসিত নয়, তবে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বিশেষ প্রশাসনিক সম্পর্ক রয়েছে।

শুল্ক তালিকায় থাকা অন্য দ্বীপের মধ্যে কোকোস (কিলিং) দ্বীপপুঞ্জ, ক্রিসমাস দ্বীপ ও নরফোক দ্বীপও রয়েছে।

মন্তব্য

মাস্কের সরকারি পদ ছাড়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিল হোয়াইট হাউস

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
মাস্কের সরকারি পদ ছাড়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিল হোয়াইট হাউস

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের জানিয়েছিলেন যে ধনকুবের ইলন মাস্ক সরকারি দায়িত্ব থেকে শিগগির সরে দাঁড়াবেন। গত বুধবার পলিটিকো এবং সম্প্রচারমাধ্যম এবিসি নিউজ এসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। 

তবে হোয়াইট হাউস এই খবর নাকচ করে দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট এই 'বিশেষ' খবরকে আবর্জনা বলেন মন্তব্য করেছেন।

টেসলার প্রতিষ্ঠাতা মাস্ককে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি দক্ষতা বিভাগের (ডিওজিই) প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

মূলত ফেডারেল সরকারের ব্যয় কমাতে বিভাগটি চালু করা হয়েছে। মাস্কের কার্যক্রম নিয়ে ট্রাম্পের শীর্ষ সহযোগীদের মতবিরোধ আছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তবে পলিটিকোর প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ আখ্যা দিয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট বলেছেন, ইলন মাস্ক এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উভয়ই প্রকাশ্যে বলেছেন যে, ডিওজিইতে তার অবিশ্বাস্য কাজ শেষ হলে মাস্ক একজন বিশেষ সরকারি কর্মচারী হিসেবে সরকারি পরিষেবা থেকে প্রস্থান করবেন।

এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, মাস্ক কোনো এক সময় তার কম্পানিতে ফিরে যাবেন।

আরো পড়ুন
নৈশভোজে এক টেবিলে ইউনূস-মোদি

নৈশভোজে এক টেবিলে ইউনূস-মোদি

 

তিনি বলেন, আমি মনে করি তিনি (মাস্ক) বিস্ময়কর। তবে একটি বড় কম্পানি পরিচালনার কাজ করতে হয় তাঁকে। কোনো এক সময় তিনি সেখানে ফিরে যাবেন।

’ সূত্র : ডয়চে ভেলে

মন্তব্য

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
প্রতীকী ছবি

ভারতের মহারাষ্ট্রের পুণেতে পরিবারের পছন্দ করা পাত্রকে পছন্দ না হওয়ায় হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ময়ূরী ডাংড়ে নামের এক তরুণীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে অভিযুক্ত ওই তরুণী পলাতক রয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বুধবার (২ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইয়াভাত থানা পুলিশের বরাতে হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, সম্প্রতি ভারতের পুণের অহল্যানগরের বাসিন্দা ময়ূরী ডাংড়ে নামের ওই তরুণীর সঙ্গে জলগাঁওয়ের বাসিন্দা সাগর জয় সিংহের পারিবারিকভাবে বিয়ে ঠিক করা হয়। কিন্তু ওই তরুণী ওই বিয়েতে রাজি ছিলেন না। তাই তিনি সন্দীপ গাওড়ে নামের এক পেশাদার খুনিকে ভাড়া করেন হবু বরকে হত্যা করার জন্য। ওই পেশাদার খুনিকে অগ্রিম দুই লাখ ১৪ হাজার টাকাও দেন ওই তরুণী।

 

পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী সাগর জলগাঁওয়ের একটি হোটেলে রান্নার কাজ করতেন। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি নিজের কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার সময় পুণে-শোলাপুর হাইওয়ের উপর দৌন্ড তালুকের পাশে হামলার শিকার হয় তিনি। এ সময় হামলাকারীরা লাঠি এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে। সাগর গুরুতর আহত হলে তাকে সেখান ফেলে চম্পট দেন দুষ্কৃতীরা।

পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর তদন্তে নামে পুলিশ। 

এ ব্যাপারে ইয়াভাত থানার সহকারী পরিদর্শক মহেশ মানে বলেন, ‘আমরা পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছি। ময়ূরী পলাতক রয়েছে।’

মন্তব্য

ভিসা আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে নজরদারি করবে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ভিসা আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে নজরদারি করবে যুক্তরাষ্ট্র
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ও অন্যান্য ভিসা আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্মকাণ্ড গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য বিদেশে অবস্থানরত মার্কিন কূটনীতিকদের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

মার্কিন ও ইসরায়েলি প্রশাসনের সমালোচকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ঠেকাতেই এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে ওয়াশিংটন। গত বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমস। গেল ২৫ মার্চ কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো দীর্ঘ এক বার্তায় রুবিও এই নির্দেশনা দিয়েছেন বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, এই সিদ্ধান্ত আসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ সই করার ৯ সপ্তাহ পর। সেই আদেশের মাধ্যমে কিছু বিদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করার অভিযান শুরু হয়। এরমধ্যে ‘মার্কিন নাগরিক, সংস্কৃতি, সরকার, প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠার মূলনীতির প্রতি বৈরী মনোভাব’ থাকতে পারে- এমন ব্যক্তি রয়েছেন।

ট্রাম্প আরো একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন, যার মাধ্যমে তিনি ‘বিরোধী মনোভাবসম্পন্ন’ বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করতে বলেন, বিশেষ করে যারা গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধবিরোধী বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।

রুবিওর নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কিছু শিক্ষার্থীর ভিসার আবেদন পাঠানো হয়েছে প্রতারণা প্রতিরোধ ইউনিটের কাছে। বিশেষ এই ইউনিট ওই শিক্ষার্থীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় তৎপরতা যাচাই করবে। যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ও ইহুদিবিরোধী মনোভাবের ইঙ্গিত মিললে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

প্রতারণা প্রতিরোধ ইউনিট সাধারণত দূতাবাস বা কনস্যুলেটের কনস্যুলার শাখার অংশ, যা ভিসা আবেদনকারীদের স্ক্রিনিং করতে সহায়তা করে।

বার্তায় কূটনীতিকদের ভিসা বাতিলের মানদণ্ড সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। সিবিএস নিউজে ১৬ মার্চ দেওয়া রুবিওর এক সাক্ষাৎকারের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘আমরা আমাদের দেশে এমন কাউকে চাই না, যারা অপরাধ করবে বা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা ও জনসাধারণের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠবে। এটা খুবই সাধারণ বিষয়, বিশেষ করে যারা অতিথি হিসেবে আমাদের দেশে আসে, কারণ ভিসা হলো অতিথি হয়ে থাকার অনুমতি।’

বার্তায় আরো বলা হয়, যেসব আবেদনকারীর আচরণ বা কর্মকাণ্ড দেখাবে যে তারা ‘মার্কিন নাগরিক বা মার্কিন সংস্কৃতির (সরকার, প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠার মূলনীতি) প্রতি বৈরী মনোভাব পোষণ করে, তাদের ভিসা বাতিল করা হতে পারে।

বার্তায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শিক্ষার্থী ও এক্সচেঞ্জ ভিসাগুলোর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নজরদারি করা হবে।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ