kalerkantho


ফের কাছাকাছি মোদি-ট্রাম্প, উদ্বিগ্ন চীন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ নভেম্বর, ২০১৭ ১৫:৩৬



ফের কাছাকাছি মোদি-ট্রাম্প, উদ্বিগ্ন চীন

ভারতের একমাত্র নারী প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর পরে প্রথম পুরুষ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ফিলিপাইন সফরে গেলেন নরেন্দ্র মোদি। ম্যানিলায় আসিয়ান সামিটের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সেখানে গিয়েছেন তিনি।

৩৬ বছর পর কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ফিলিপাইনে গেলেন। দক্ষিণ এশিয়ার ১০টি দেশের সম্মেলনের ফাঁকে নরেন্দ্র মোদি ফের একবার মুখোমুখি হলেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের। যার ফলে ফের একবার দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে।

চীনের প্রিমিয়ার লি কেকিয়াংয়ের সঙ্গে ও দেখা করেছেন নরেন্দ্র মোদি। তবে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়েই আগ্রহ ছিল বেশি। ঘটনা হলো জাপান, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা ও ভারত মিলে ৪ দেশীয় একটি গোষ্ঠী তৈরি করছে। সেই সূত্রেই ট্রাম্পের সঙ্গে কথা হয়েছে মোদির। জাপানি প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল, মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নরেন্দ্র মোদি মিলে আলোচনায় বসছেন।

গত জুনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

হোয়াইট হাউসে মোদিকে বিশেষ অভ্যর্থনা জানান সস্ত্রীক ট্রাম্প। তখন থেকেই মোদি-ট্রাম্প বন্ধুত্ব জমে গিয়েছে। এ দিনও ম্যানিলায় একে অপরের সঙ্গে দেখা হতেই কাছাকাছি এলেন তাঁরা।

আসিয়ান বৈঠকে যোগ দেওয়া নিয়ে মোদি লিখেছেন, আসিয়ান সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করতে ভারত বদ্ধপরিকর। পাশাপাশি ইন্দো-প্যাসিফিক দেশগুলোর সঙ্গেও ভারত ভালো সম্পর্ক গড়তে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মিলে যে গোষ্ঠী তৈরি হচ্ছে তারা বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা খাতে একে অপরকে সাহায্য করবে। সেখানে ইন্দো-প্যাসিফিক এলাকায় ভারতকে বড় শক্তি হিসাবে তুলে ধরতে চাইছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

আসলে চীনকে ঠেকাতে ভারতকে চায় আমেরিকা। দক্ষিণ চীন সাগর তথা ইন্দো-প্যাসিফিক এলাকায় চীনের সামরিক আনাগোনা বেড়ে গিয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ চীন সাগর চীন একা দখল করতে চায়। সেখানে বারবার বাধা দিচ্ছে আমেরিকা। চীনকে ঠেকাতে সেখানে ভারতের সহায়তা প্রয়োজন আমেরিকার।

ওদিকে, এই গোষ্ঠী তৈরি হওয়া নিয়ে বিপদ আশঙ্কা করে প্রথম থেকেই ঠোঁট বেঁকিয়েছে চীন। চীন বলছে, চতুর্দেশীয় এই গোষ্ঠী আশা করি অন্য দেশের স্বার্থে নাক গলাবে না, নিজের মতো করে কাজ করবে। অর্থাৎ চীন আশঙ্কা করছে, ভারত এবং আমেরিকা এশীয় প্রেক্ষিতে এক হলেই চীনের দুর্ভোগ বাড়বে।
সূত্র : ওয়ান ইন্ডিয়া


মন্তব্য