kalerkantho


জন্মেই জাত নির্দিষ্ট, বিয়েতে যায় না বদলায়ও না!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৪:০৫



জন্মেই জাত নির্দিষ্ট, বিয়েতে যায় না বদলায়ও না!

বৃহস্পতিবার ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়, বিয়ের পর জাত পরিবর্তন হতে পারে না। জন্মের সময়েই ঠিক হয় জাত। পরবর্তী সময়ে তার কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়। কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে কর্মরতা এক শিক্ষিকার চাকরি সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে দেশের শীর্ষ আদালত এই রায় দেয়।

২১ বছর আগে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে তফশিলী জাতির সার্টিফিকেট দেখিয়ে চাকরি পান এক শিক্ষিকা। উচ্চ শ্রেণীতে জন্ম হলেও বিয়ে তফশিলী পরিবারে হওয়ায় তিনি সেই সুযোগ ব্যবহার করেন স্কুলের চাকরির জন্যে। দু দশক পর তিনি এখন স্কুলের উপাধ্যক্ষা। এদিন বিচারপতি অরুণ মিশ্র এবং এম এম শান্তানাগৌদারের বেঞ্চ এই রায় দেন।

আরো পড়ুন: ২০ বছরের আগেই বিয়ে হয় বেশিরভাগ সৌদি নারীর

রায়দানের সময়ে বলা হয়, এই বিষয়ে কোনোরকম সন্দেহের অবকাশই থাকে না যে, জন্মের সময়েই যে কোনো ব্যক্তির জাত নির্ধারিত হয়ে যায়। তফশিলী জাতির সঙ্গে বিয়ে হলেই কোনো উচ্চ শ্রেণীর মহিলা তফশিলী সম্প্রদায়ভুক্ত হতে পারেন না। তিনি আগরওয়াল পরিবারে জন্ম নিয়েছিলেন, যা জেনারেল কাস্টের মধ্যে পড়ে। তার স্বামী তফশিলী সম্প্রদায় বলে তাকেও সেই কাস্ট সার্টিফিকেট দেওয়া যাবে না কখনোই।

১৯৯১ সালে বুলন্দসহরের জেলা শাসক এই শিক্ষিকাকে তফশিলী জাতির সংশাপত্র দেন। সেই প্রসংশাপত্র এবং তার পড়াশোনার ভিত্তিতে ১৯৯৩ সালে পাঞ্জাবের পাঠানকোটের কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে তাকে পোস্ট গ্রাজুয়েট টিচারের চাকরি দেওয়া হয়। চাকরি করতে করতেই তিনি এম. এড পরীক্ষায় পাস করেন। কিন্তু চাকরির দু দশক পর তার বিরুদ্ধে নালিশ দায়ের করা হয়।

আরো পড়ুন: অচল হয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কার্যক্রম

তদন্তের পর তার কাস্ট সার্টিফিকেট বাতিল করা হয় এবং ২০১৫ সালে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি এলাহাবাদ হাইকোর্টে মামলা করেন। সেখানেও হেরে গেলে তিনি শীর্ষ আদালতের কাছে আর্জি জানান। তার চাকরি জীবনের সুনামের কথা মাথায় রেখে সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়- বরখাস্ত নয়, তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হোক। 
সূত্র : এই সময়


মন্তব্য