kalerkantho


ইন্দোনেশিয়ায় জঙ্গি নেতার মৃত্যুদণ্ড ঘিরে নাশকতার আশঙ্কা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ জুন, ২০১৮ ১৮:০৩



ইন্দোনেশিয়ায় জঙ্গি নেতার মৃত্যুদণ্ড ঘিরে নাশকতার আশঙ্কা

বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া সরকার সে দেশেরই এক মুসলিম নেতাকে নাশকতার মামলায় মৃত্যুদণ্ড দিল। দোষী আমান আবদুর রহমান ২০১৬ সালের জাকার্তা স্টারবাকস ক্যাফে হামলার মাস্টারমাইন্ড। ইসলামিক স্টেট জঙ্গি নেতার নির্দেশেই হয়েছিল নাশকতা। তাতে চার নিরীহের মৃত্যু হয়। আত্মঘাতী জঙ্গিদের চারজনও পরে মারা যায়।

জাকার্তার স্টারবাকস নাশকতার পরই চলতি বছর মে মাসে ভয়ঙ্কর জঙ্গি হামলা হয় ইন্দোনেশিয়ার সুরাভায়া দ্বীপে। বিস্ফোরণে জড়িত দুটি পরিবারের ১৩ জন জঙ্গি সদস্য সহ মোট ২৬ জন মারা যায়। হামলাকারীদের মধ্যে ছিল সাত বছরের শিশু। তদন্ত উঠে এসেছে এই জঙ্গিরা আমান আবদুর রহমানের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েই নাশকতার পথ বেছে নেয়।


ইন্দোনেশিয়া সরকার জানিয়েছে, আমান আবদুর রহমান জেএডি (Jemaah Anshorut Daulah) নামে এক সংগঠন গড়ে তুলেছিল। আইএস সংশ্লিষ্ট এই সংগঠনটি ধর্মনিরপেক্ষ সরকারের বিরোধিতা করে।

আইএস নেতা আমানের বিচার পর্বের চূড়ান্ত রায় কী হতে পারে সেটা জানতে বহু মানুষ ভিড় করেছিলেন আদালত চত্বরে। মৃত্যুদণ্ড ঘোষিত হতেই তাঁরা উল্লাসে ফেটে পড়েন। এদিকে জঙ্গি নেতাকে চরম শাস্তি দেওয়ার রায় ঘোষণা হতেই রাজধানী জাকার্তা সহ বিভিন্ন এলাকায় বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা। সুরাভায়া দ্বীপ, বালি, সুমাত্রা সহ যেসব স্থানে বিদেশি পর্যটকদের আনাগোনা বেশি সেখানেও জারি হয়েছে সতর্কতা।

২০০২ সালে ভয়াবহ নাশকতায় বালি দ্বীপে ২০০ জনের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে ৮৮ জনই ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। ২৩ জন ছিলেন ব্রিটিশ, ৩৮ জন ইন্দোনেশিয়ান সহ বিভিন্ন দেশের পর্যটকরা। রক্তাক্ত সেই ঘটনায় তীব্র আলোড়ন ছড়িয়েছিল দুনিয়ায়।



মন্তব্য