kalerkantho


গণমানুষের প্রতিনিধি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী

১০ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



গণমানুষের প্রতিনিধি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী

অঙ্কন : মাসুম

১৯৪৭ সালের পর শুরু হয় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নতুন রাষ্ট্রে নতুন রাজনীতিকজীবন। এখানেও তিনি রাজনীতিতে প্রবলভাবে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ভারতের নাগরিকত্ব বাতিল না করার কারণে ১৯৪৮ সালে তিনি গণপরিষদের সদস্য পদ হারিয়েছিলেন। পাকিস্তান রাষ্ট্রের শুরুতে তিনি উপলব্ধি করেন, ব্রিটিশ উপনিবেশ বিদায় হলেও নব্য পাকিস্তানি ঔপনিবেশিকতা সৃষ্টি হয়েছে। এর থেকে রক্ষা পেতে হলে নতুনভাবে রাজনীতি করতে হবে

 

ভারত ভূখণ্ড থেকে ব্রিটিশদের বিদায় করার ক্ষেত্রে বড় সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেছেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। জাতির সংকটকালে মেধা আর প্রজ্ঞা দিয়ে সংকট মোকাবেলা করেছেন। ব্রিটিশ বিদায়, নতুন রাষ্ট্রের সৃষ্টি, নতুন শোষক পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে পুনরায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করাসহ অনেক জাতীয় বিপর্যয় থেকে উত্তরণের কাজে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে পূর্ববঙ্গের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে যে কয়েকজন মানুষ সবচেয়ে বেশি চেষ্টা করেছেন, তাঁদের অন্যতম হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী

 

ভারত ভূখণ্ড থেকে ব্রিটিশদের বিদায় করার ক্ষেত্রে বড় সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেছেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। জাতির সংকটকালে মেধা আর প্রজ্ঞা দিয়ে সংকট মোকাবেলা করেছেন। ব্রিটিশ বিদায়, নতুন রাষ্ট্রের সৃষ্টি, নতুন শোষক পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে পুনরায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করাসহ অনেক জাতীয় পর্যায় থেকে উত্তরণের কাজে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে পূর্ববঙ্গের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে যে কয়েকজন মানুষ সবচেয়ে বেশি চেষ্টা করেছেন, তাঁদের অন্যতম হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে রাজনীতির ছত্রচ্ছায়ায় একদিন বাংলাদেশকে মুক্ত করেছেন, সেই রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় পরস্পরের সারথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ভক্ত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে বিষয়টি তিনি নিজেই বলেছেন, ‘আমি ছিলাম শহীদ সাহেবের ভক্ত। হাশিম সাহেব শহীদ সাহেবের ভক্ত ছিলেন বলে আমিও তাঁকে শ্রদ্ধা করতাম, তাঁর হুকুম মানতাম।’

গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী, গণতন্ত্রের মানসপুত্র খ্যাত হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী বাংলার রাজনীতিতে অনেক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলার রাজনীতির বাইরেও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। বাঙালি মুসলমান হিসেবে বাংলা ও ইংরেজি পাঠ গ্রহণেও তিনি অগ্রবর্তী।

১৮৯৩ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী জন্মগ্রহণ করেন। উচ্চশিক্ষিত ও সম্ভ্রান্ত পরিবারে তাঁর জন্ম হয়। তিনি বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যক্ষ করেছেন বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫), মুসলিম লীগ গঠন (১৯০৬), বঙ্গভঙ্গ রদ (১৯১১), প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৮), লক্ষেৗ চুক্তি (১৯১৬), জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যা (১৯১৯), অসহযোগ আন্দোলন, খেলাফত আন্দোলনের (১৯১৯-২৪) মতো বড় বড় ঘটনা। শৈশব-কৈশোরেই তিনি ব্রিটিশ দ্বারা ভারত শোষণ সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করেন। তাঁর দেশীয় ও পাশ্চাত্য শিক্ষা তাঁকে স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। তিনি আইনশাস্ত্রে উচ্চশিক্ষা লাভ করলেও তাঁর সেই মেধা ব্যক্তিগত বিত্তের বলয় গড়ে তোলার পরিবর্তে পরাধীন জাতির জীবনে মুক্তির স্বাদ আনয়নে কাজে লাগাতে সচেষ্ট হন। অল্প কিছুদিন তিনি আইন ব্যবসায় নিয়োজিত ছিলেন।

১৯১৬ সালে লক্ষেৗ চুক্তির মাধ্যমে ভারতীয় হিন্দু-মুসলমান একসঙ্গে হয়ে আন্দোলন করার পথ সৃষ্টি করে। এরপর অসহযোগ আন্দোলন ও খেলাফত আন্দোলন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ভারতীয়দের আরো ঐক্যবদ্ধ ও সুদৃঢ় করে তোলে। ১৯২২ সালে ব্রিটিশ সরকার গান্ধীকে কারাগারে বন্দি করে। এ সময় কংগ্রেস রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ নিয়ে ঐকমত্য পোষণ করতে ব্যর্থ হয়। তখন কংগ্রেসের সভাপতি চিত্তরঞ্জন দাশ পদত্যাগ করে নতুন দল গঠন করেন। এই দলের নাম দেন ‘স্বরাজ্য’ দল। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সে সময় চিত্তরঞ্জন দাশের স্বরাজ্য দলে যুক্ত হন। ১৯২৩ সালে চিত্তরঞ্জন দাশের উদ্যোগে ‘বেঙ্গল প্যাক্ট’ বা ‘হিন্দু-মুসলিম চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি স্বাক্ষরে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। চুক্তিটি পিছিয়ে থাকা মুসলমানদের এগিয়ে নেওয়ার একটি চেষ্টা।

১৯২৪ সালে চিত্তরঞ্জন দাশ কলকাতার মেয়র নির্বাচিত হন। তখন তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে ডেপুটি মেয়র পদে অধিষ্ঠিত করেন। ১৯২৫ সালে চিত্তরঞ্জন দাশের মৃত্যুর পর ১৯২৬ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ‘ইনডিপেনডেন্ট মুসলিম পার্টি’ নামের একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯২৭ সালে তিনি ডেপুটি মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ইনডিপেনডেন্ট মুসলিম পার্টি ১৯৩৬ সালে মুসলিম লীগের সঙ্গে একীভূত হয়। ১৯৪১ সালের ডিসেম্বরে বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সভাপতির পদ থেকে এ কে ফজলুল হককে অপসারণ করা হয়। সেই পদে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী স্থলাভিষিক্ত হন। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর কর্মতৎপরতায় দলের সদস্যসংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকে। ১৯৪৩ সালে খাজা নাজিমুদ্দীন ১৩ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করেন। এই মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী হন খাজা নাজিমুদ্দীন। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এই মন্ত্রিসভার মন্ত্রী হন। এর আগে তিনি ফজলুল হকের মন্ত্রিসভায় (১৯৩৭-৪১) মন্ত্রী ছিলেন। খাজা নাজিমুদ্দীনের  মন্ত্রিসভায় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতেন, কিন্তু দলের ভেতরে কিছুটা মতভেদ থাকায় তা সম্ভব হয়নি। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী যখন দলের সভাপতি, তখন ভারতীয় রাজনীতি এক যুগসন্ধিক্ষণে। কংগ্রেস এক দর্শনে বিশ্বাস করে, মুসলিম লীগ অন্য দর্শনে। কংগ্রেস অনেকটাই অখণ্ড ভারত প্রতিষ্ঠায় তৎপর, মুসলিম লীগ সেখানে মুসলমানদের জন্য স্বতন্ত্র রাষ্ট্র চায়। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪০ সালে যে দ্বিজাতি তত্ত্ব উপস্থাপন করেছেন, সেখানেও এই দর্শনেরই প্রতিফলন। ১৯৪৬ সালে যে বঙ্গীয় প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন হয়, সেখানে মুসলিম লীগ অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করে। এই নির্বাচনে বিজয়ের মধ্য দিয়ে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী হন।

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী স্বল্প সময় মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু এই সামান্য সময়ে ইতিহাসের বড় বড় ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দুই শ বছর ব্রিটিশরা ভারতবর্ষে যে শোষণপ্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছিল, তা বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। তাদের ঔপনিবেশিকতার অবসান ঘটেছে এই শাসনামলে। কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ—উভয় সংগঠনই ব্রিটিশকে ভারত থেকে তাড়িয়েছে। ব্রিটিশ বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উৎপত্তিও এই সময়ই। ভারত ও পাকিস্তান—এই দুটি রাষ্ট্রের বিভাজনে বর্তমান বাংলাদেশ, তৎকালীন পূর্ববঙ্গ, কোন রাষ্ট্রের সঙ্গে থাকবে, নাকি অখণ্ড বাংলাদেশ হবে—এসব নিয়েও চলেছে বিভিন্ন পর্যালোচনা। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় সেসব কাজ এগিয়ে নিয়েছেন। একসময় ভোটও প্রয়োগ করতে হয়েছে বর্তমান বাংলাদেশের অবস্থা অখণ্ড বাংলা হবে, নাকি তা পাকিস্তানের সঙ্গে থাকবে, নাকি ভারতের সঙ্গে থাকবে। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী বঙ্গ বিভাজনের বিপক্ষেই রায় দিয়েছিলেন। তাতেও সংখ্যা বিচারে অখণ্ড বাংলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। বরং পাকিস্তানের সঙ্গে পূর্ব বাংলা তথা আজকের বাংলাদেশ থাকার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীসহ অনেকেই চেয়েছিলেন কলকাতা তৎকালীন পূর্ববঙ্গ, বর্তমান বাংলাদেশের সঙ্গেই থাকুক; অন্যথায় বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক। যদিও এর কোনোটাই সম্ভব হয়নি।

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালে দুটি কলঙ্কজনক ঘটনা ঘটে। একটি হচ্ছে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, অন্যটি তেভাগা আন্দোলন। তখন কলকাতায় ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়। এতে তাঁর ভাবমূর্তি কিছুটা ক্ষুণ্ন হয়। এই দাঙ্গায় প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ মারা যায়। বেশির ভাগই মুসলমান। এর প্রভাব এসে পড়ে বর্তমান বাংলাদেশের নোয়াখালীতে। সেখানেও ব্যাপক দাঙ্গা সংঘটিত হয়।

তেভাগা আন্দোলনে কৃষকদের দাবি ছিল, আধিয়ারের ভিত্তিতে জমি চাষ হলে জমির মালিক পাবে তিন ভাগের এক ভাগ। দাবিটি নিয়ে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইতিবাচক কাজই করছিলেন। কিন্তু সরকারিভাবে এই কাজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই ভারত-পাকিস্তান দুটি আলাদা রাষ্ট্র সৃষ্টি হয়।

১৯৪৭ সালের পর শুরু হয় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নতুন রাষ্ট্রে নতুন রাজনীতিকজীবন। এখানেও তিনি রাজনীতিতে প্রবলভাবে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ভারতের নাগরিকত্ব বাতিল না করার কারণে ১৯৪৮ সালে তিনি গণপরিষদের সদস্য পদ হারিয়েছিলেন। পাকিস্তান রাষ্ট্রের শুরুতে তিনি উপলব্ধি করেন, ব্রিটিশ উপনিবেশ বিদায় হলেও নব্য পাকিস্তানি ঔপনিবেশিকতা সৃষ্টি হয়েছে। এর থেকে রক্ষা পেতে হলে নতুনভাবে রাজনীতি করতে হবে।

পাকিস্তানি আগ্রাসন থেকে বর্তমান বাংলাদেশকে রক্ষা করার জন্য নতুন দল গঠন অপরিহার্য হয়ে পড়ে। সেই লক্ষ্যে ১৯৪৯ সালে ‘আওয়ামী মুসলিম লীগ’ গঠনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। পূর্ববঙ্গের স্বার্থ তখন শুধু মুসলমানদের জন্য নয়। দেশের সব ধর্মের, সব বর্ণের মানুষকে নিয়ে দল গঠনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। সে কারণে পরবর্তী সময়ে দলের নাম থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি মুছে দিয়ে দলটিকে আরো শক্তিশালী করা হয়। প্রতিষ্ঠাকালে পুরো পাকিস্তানের জন্য দলটির নাম ছিল ‘নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এর সভাপতি নির্বাচিত হন। ছাত্রলীগ গঠনেও তাঁর ভূমিকা রয়েছে। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনেও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। নির্বাচনের পর তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী হয়েছিলেন। ১৯৫৫ সালে গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৫৬ সালে তিনি পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৮ সালে ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন। এরপর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীসহ অনেকেরই রাজনীতি নিষিদ্ধ করেন। ১৯৬২ সালে তাঁকে পাকিস্তান সরকার বন্দি করে। ১৯৬২ সালেই জেল থেকে মুক্ত হওয়ার পর তিনি আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু করেন। ১৯৬৩ সালে তিনি লেবাননের রাজধানী বৈরুতে মৃত্যুবরণ করেন। বাংলার ইতিহাসের এই মহান নেতা ঢাকার মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হন।


মন্তব্য