kalerkantho


বিবাহবার্ষিকী হলো না শাওন-শশীর

সাব্বিরুল ইসলাম সাবু, মানিকগঞ্জ   

১৪ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



বিবাহবার্ষিকী হলো না শাওন-শশীর

‘একমাত্র মেয়েকে হারানোর কষ্ট কিভাবে যে আমার বোন আর দুলাভাই সহ্য করবেন তা নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় আছি। শশী নেই—আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না। ওর মা-বাবা কিভাবে এই সত্য বিশ্বাস করবে। ওদের সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা আমাদের নেই।’ নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত তাহিরা তানভিন শশীর মামা শহিদুল ইসলাম পুলক এভাবেই বর্ণনা করলেন।

মানিকগঞ্জ পৌরসভার পশ্চিম দাশড়ায় শশীদের বাড়ি। বাবা ডা. রেজা মহম্মদ জামান আর মা কামরুন নাহার বেলি। গতকাল মঙ্গলবার শশীদের বাড়িতে গিয়ে কাউকেই পাওয়া যায়নি। প্রতিবেশীরা জানাল, সোমবার দুর্ঘটনার খবর টেলিভিশনে দেখার পরপরই দুজনেই ঢাকায় চলে গেছেন। একই এলাকায় শশীর মামাবাড়ি। মামা শহিদুল ইসলাম পুলকও তাঁদের সঙ্গে বর্তমানে ঢাকায়।

তবে টেলিফোনে শশীর মামা জানান, শশী আইনে অনার্স করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিমিনোলজি নিয়ে মাস্টার্স করছিলেন। ২০১১ সালে বিয়ে হয় চাচাতো ভাই ডা. রেজাওয়ানুল হক শাওনের সঙ্গে। শাওন বর্তমানে রংপুর মেডিক্যাল কলেজে উচ্চতর ডিগ্রি নিচ্ছেন। আগামী ১৭ মার্চ এই দম্পতির বিবাহবার্ষিকী। সে উপলক্ষেই শশী আর শওন গিয়েছিলেন নেপালে। শহিদুল ইসলাম পুলক জানান, শশীর মরদেহ আনতে খালাতো ভাই ইকবাল ও চাচাতো ভাই কনক নেপালে গিয়েছেন।

দুর্ঘটনায় শশীর স্বামী ডা. রেজাওয়ানুল হক শাওন আহত হয়ে বর্তমানে নেপালের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর মামা মানিকগঞ্জের আইনজীবী আসাদুজ্জামান জানান, গত সোমবার রাত ৯টার দিকে রেজাওয়ানুলের সঙ্গে তাঁর মা সাবিহা সুলতানার মোবাইল ফোনে কথা হয়েছিল।

 


মন্তব্য