kalerkantho


কাউকে না বলে নেপাল গিয়েছিলেন ফয়সাল আহমেদ

শরীয়তপুর প্রতিনিধি   

১৪ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



কাউকে না বলে নেপাল গিয়েছিলেন ফয়সাল আহমেদ

নেপালে ঘুরতে যাওয়ার কথা কাউকে বলেননি ফয়সাল। অফিস, বাসা, আত্মীয়-স্বজন—কাউকে না জানিয়েই নেপাল গিয়েছিলেন ফয়সাল। ঢাকার বাসা থেকে বের হওয়ার সময় বড় বোন শিউলীকে বলেছিলেন, ঢাকার বাইরে যাচ্ছি। এটাই পরিবারের কারো সঙ্গে ফয়সালের শেষ কথা ছিল।

শরীয়তপুরের ডামুড্যা পৌরসভার সামসুদ্দিন সরদার ও মোসাম্মৎ সামসুন্নাহার বেগমের বড় ছেলে ফয়সাল আহমেদ (২৯)। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্য তিনি দ্বিতীয়। ২০০৪ সালে ডামুড্যা মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করার পর ঢাকা তিতুমীর কলেজ থেকে এইচএসসি এবং স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে অনার্স সম্পন্ন করেন ফয়সাল। ব্যক্তিজীবনে অবিবাহিত ফয়সাল বৈশাখী টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কমর্রত ছিলেন। ঢাকার ধানমণ্ডি ১৫ নম্বরে বড় বোন শিউলী আক্তারের বাসায় থাকতেন তিনি। গ্রামের বাড়ি খুব কম আসতেন ফয়সাল। সর্বশেষ আট-নয় মাস আগে পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে শরীয়তপুর এসেছিলেন তিনি।

ফয়সালের বাবা সামসুদ্দিন সরদার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘ছেলে যে নেপাল গিয়েছে আমরা কেউ জানতাম না। বড় মেয়ে জানায়, ফয়সাল ঢাকার বাইরে যাওয়ার কথা বলে সকালে বাসা থেকে বের হয়েছে। এরপর আর যোগাযোগ হয়নি। রাতে আমরা নিশ্চিত হই নেপালে বিধ্বস্ত বিমানে ফয়সাল ছিল।’

 


মন্তব্য