kalerkantho

দেশ পরিচিতি

১৫ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



দেশ পরিচিতি

নাইজার

পশ্চিম আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ নাইজার। স্থলবেষ্টিত দেশটির ৮০ শতাংশ ভূমিই পড়েছে সাহারা মরুভূমিতে।

মুসলিমপ্রধান এই দেশটির মূল জনবসতি দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলে। এর উত্তর-পূর্ব সীমান্তে লিবিয়া, পূর্বে চাদ, দক্ষিণে নাইজেরিয়া ও বেনিন, পশ্চিমে মালি এবং উত্তর-পশ্চিমে আলজেরিয়া। দেশটির নামকরণ করা হয়েছে নাইজার নদীর নামানুসারে।

জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচকে এর অবস্থান শেষের দিকে (১৮৮তম)। দেশটির মরুভূমির বাইরের অংশটি প্রায়ই খরায় আক্রান্ত হয়। স্থলবেষ্টিত সীমান্ত, মরুভূমি, অকার্যকর কৃষিব্যবস্থা, কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকায় অতিরিক্ত জনসংখ্যা, শিক্ষার অভাব, দারিদ্র্য, অবকাঠামো সংকট, মানহীন স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবেশগত কারণে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে দেশটি।

স্বাধীনতার পর থেকে নাইজারে পাঁচবার সংবিধান বদল হয়েছে। দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছে তিনবার। সর্বশেষ ২০১০ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

এক সমীক্ষায় দেখা যায়, দেশটি ৭১.৩ শতাংশ মানুষ লিখতে-পড়তে পারে না। বিশ্বের নিম্ন সাক্ষরতার দেশগুলোর মধ্যে তারা অন্যতম। কৃষিনির্ভর এই দেশটি খনিজসমৃদ্ধ। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ইউরেনিয়ামের মজুদসম্পন্ন দেশগুলোর মধ্যে নাইজার অন্যতম। তবে বিশ্বে ইউরেনিয়ামের চাহিদা কমে যাওয়ায় বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে তাদের অর্থনীতি।

 

একনজরে

পুরো নাম : নাইজার প্রজাতন্ত্র।

রাজধানী ও সবচেয়ে বড় শহর : নিয়ামি।

দাপ্তরিক ভাষা : ফরাসি।

জাতীয় ভাষা : আরবি বুদুমা, ফুফুলদে, গৌরমানচেমা, হাউসা কানুুরি।

সরকার পদ্ধতি : ইউনিটারি সেমি প্রেসিডেন্সিয়াল রিপাবলিক।

প্রেসিডেন্ট : মোহামাদু ইসৌফৌ।

প্রধানমন্ত্রী : ব্রিগি রাফিনি।

আইনসভা : জাতীয় পরিষদ।

ফ্রান্স থেকে স্বাধীনতা : ৩ আগস্ট ১৯৬০।

আয়তন : ১২ লাখ ৬৭ হাজার বর্গকিলোমিটার।

জনসংখ্যা : দুই কোটি ছয় লাখ ৭৩ হাজার।

ঘনত্ব: প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১২.১ জন।

জিডিপি : মোট ২১.৭৪২ বিলিয়ন ডলার,

মাথাপিছু এক হাজার ১৫৯ ডলার।

মূদ্রা : পশ্চিম আফ্রিকান সিএফএ ফ্রাঁ।

জাতিসংঘে যোগদান : ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৬০।


মন্তব্য