kalerkantho


হিলারির ‘হোয়াট হ্যাপেন্ড’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



হিলারির ‘হোয়াট হ্যাপেন্ড’

হিলারি ক্লিনটন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন দুই বার। অভিন্ন ফল নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন দুবারই।

বিশেষ করে গত নভেম্বরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে তাঁর পরাজয়টি ছিল নেহায়েতই দুর্ভাগ্যজনক। এই হেরে যাওয়ার এবং এর কারণ বিশ্লেষণ করতে হাতে কলম তুলে নেন তিনি। এই বিশ্লেষণ ‘হোয়াট হ্যাপেন্ড’ নাম নিয়ে বাজারে এসেছে গতকাল। যেখানে হিলারি ‘রিওয়াইন্ড বাটনে’ চাপ দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন পরতে পরতে।

বোলচালে ঝানু কূটনীতিকের তকমা সাবেক এই ফার্স্টলেডি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসিল করেন বহু আগেই। তাঁর মাপা কথা ও মাপা হাসির আলোচনা এতটাই যে নিউ ইয়র্ক টাইমস তাঁর নতুন বইয়ের মূল্যায়ন করতে গিয়ে লিখেছে, হিলারি তাঁর আগের বইগুলোতে তথ্য দিয়েছেন চায়ের চামুচে মেপে। এবার অবশ্য বইয়ের ভূমিকাতেই হিলারি জানিয়েছেন, নানা কারণে একটা সময় তিনি প্রকাশ্যে কথা বলার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত নেন। এ বইয়ে সে সিদ্ধান্ত থেকে বের হয়ে এসেছেন।

বইটি প্রকাশের পরপরই অ্যামাজন ওয়েবসাইটে বেস্ট সেলার্স হিসেবে স্বীকৃতি জুটিয়ে নিয়েছে হোয়াট হ্যাপেন্ড।

এ বইয়ে হিলারি হারের জন্য তাঁর নিজের ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো বিশ্লেষণ করেছেন। ৬৯ বছর বয়সী এ রাজনীতিক বলেন, ‘ভুলগুলো ভেতরে ভেতরে আমাকে পুড়িয়েছে। এমন একটা দিনও পার হয়নি যখন বিষয়টি নিয়ে আমি ভাবিনি। বেশ লম্বা সময় নিয়ে আমি কষ্ট পেয়েছি। ’

তবে নিজের ভুলের পাশাপাশি বাকি অনেক কিছু নিয়েই ভেবেছেন তিনি—রাশিয়ার প্রভাব, তাঁর ই-মেইল নিয়ে এফবিআইয়ের তদন্ত, দলে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বার্নি স্যান্ডার্সের ভূমিকা—পরাজয়ে এগুলোও প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে। ‘তবে এই কারণগুলোর কোনোটিই সবাইকে হতাশার মধ্যে ঠেলে দেওয়ার ব্যাপারে আমার দায়বদ্ধতাকে সংকুচিত করে না’ লিখেছেন হিলারি।

হিলারি আরো বলেছেন, ‘এর কারণে যে আমি এখন একেবারে অদৃশ্য হয়ে যাব তা নয়। একজন শক্তিশালী ডেমোক্রেটিক প্রার্থীকে সমর্থনের জন্য আমার পক্ষে যা সম্ভব সবই করব। ’ তবে শুধু প্রার্থী নয়, বইয়ের প্রচার নিয়েও ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে হিলারির। ৪৯৪ পৃষ্ঠার এই বই নিয়ে ১৫টি শহরে প্রচার চালাতে যাবেন তিনি। বইয়ে সই করা, মধ্যরাতে টক শো, রেডিওর অনুষ্ঠানেও হাজিরা দেবেন। সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য