kalerkantho


ইকুয়েডরের নাগরিকত্ব পেলেন অ্যাসাঞ্জ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



ইকুয়েডরের নাগরিকত্ব পেলেন অ্যাসাঞ্জ

বিশ্বজুড়ে সাড়া-জাগানো বিকল্পধারার সংবাদমাধ্যম উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে নাগরিকত্ব দিয়েছে ইকুয়েডর। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া ফেরনান্দা এসপিনোসা বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক লাখ গোপন সামরিক ও কূটনৈতিক নথি ফাঁসের সঙ্গে জড়িত ৪৬ বছর বয়সী অ্যাসাঞ্জ পাঁচ বছর ধরে লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় নিয়ে আছেন। ইকুয়েডর তাঁকে কূটনৈতিক মর্যাদায় সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করে আসছিল। কিন্তু যুক্তরাজ্য ওই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শেষমেশ অ্যাসাঞ্জকে নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা জানাল ইকুয়েডর। এর ফলে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির এখন তাদের দূতাবাস থেকে অ্যাসাঞ্জকে সরিয়ে নেওয়া সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মারিয়া ফেরনান্দা ইকুয়েডরের রাজধানী কিটোতে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ১২ ডিসেম্বর (গতকাল) ইকুয়েডরের নাগরিক হয়েছেন। তারা অ্যাসাঞ্জকে কূটনীতিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য যুক্তরাজ্যের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল, যাতে তিনি দূতাবাস থেকে গ্রেপ্তার বা কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই নিরাপদে বের হতে পারেন। কিন্তু যুক্তরাজ্য সেই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে। মারিয়া বলেন, ‘ইকুয়েডর সরকার সুরক্ষিত ব্যক্তিকে নাগরিকত্ব দেওয়ার অধিকার রাখে এবং তারা সেটাই করেছে...এত দিন যে দেশের দূতাবাসে ছিলেন, সে দেশেরই নাগরিকত্ব তিনি পেয়েছেন।’

মারিয়া আরো জানান, অ্যাসাঞ্জকে কূটনৈতিক মর্যাদা দেওয়ার অনুরোধটি যুক্তরাজ্যকে করা হয়েছিল গত ২০ ডিসেম্বর এবং যুক্তরাজ্য তা প্রত্যাখ্যান করেছিল তার পরদিন।

২০১২ সালে সুইডেনে একটি ধর্ষণের অভিযোগে যুক্তরাজ্য প্রত্যর্পণ এড়াতে লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন অ্যাসাঞ্জ। ইকুয়েডরের তখনকার বামপন্থী প্রেসিডেন্ট রাফায়েল কোরেয়া তাঁর রাজনৈতিক আশ্রয় মঞ্জুর করেছিলেন। নাগরিকত্ব দেওয়ার ফলে দূতাবাস ছাড়তে অ্যাসাঞ্জের সুবিধা হবে কি না এবং তিনি আটকাদেশ এড়াতে পারবেন কি না, সে প্রশ্নের জবাব দেননি মারিয়া। সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য