kalerkantho


নিষেধাজ্ঞা আরো কঠোর হতে পারে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৭ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



নিষেধাজ্ঞা আরো কঠোর হতে পারে

উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কানাডায় বৈঠকে বসেছেন ২০ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। দুই দিনব্যাপী ওই বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার ওপর আরো কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত হতে পারে। তবে চীন ও রাশিয়ার অনুপস্থিতিতে এ বৈঠক কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে বিশ্লেষকদের।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু বোমার বোতাম আরো বড়—ট্রাম্পের এমন মন্তব্যকে ‘পাগলা কুকুরের হাঁক’ বলে অভিহিত করেছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির রাষ্ট্রয়াত্ত পত্রিকা ‘রেদোং সিনমুন’-এ বলা হয়, ট্রাম্পের মন্তব্য ‘উন্মাদের খিঁচুনি’ ছাড়া আর কিছুই না।

কানাডায় গত সোমবার শুরু হওয়া বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো ‘ভ্যানকোভার গ্রুপ’ হিসেবে পরিচিত। এসব দেশ কোরিয়া যুদ্ধে (১৯৫০-৫৩) যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে লড়েছিল। এদের মধ্যে কানাডার পাশাপাশি আছে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ভারত, জাপান, ফিলিপাইন ও দক্ষিণ কোরিয়াও। বৈঠকটি এমন সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন শীতকালীন অলিম্পিক গেমসকে কেন্দ্র করে দুই কোরিয়ার মধ্যকার উত্তেজনা অনেকটা প্রশমিত। এ ছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বাগ্যুদ্ধও আপাতত বন্ধ। ভ্যানকোভার শহরে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠক থেকে এখনো কোনো সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি। তবে উত্তর কোরিয়ার ওপর যে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আছে, তা আরো কঠোর হতে পারে। যদিও সংকট নিরসনে কূটনৈতিক পদক্ষেপের ব্যাপারেও আশাবাদী ২০ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

এ বৈঠকে স্বাভাবিকভাবেই অনুপস্থিত উত্তর কোরিয়ার দুই ঘনিষ্ঠ মিত্র চীন ও রাশিয়া। এ কারণে বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তের উপযোগিতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন; কিন্তু কানাডাসহ ‘ভ্যানকোভার গ্রুপ’-এর অনেক কর্মকর্তা বলছেন, বৈঠকের পরে হয়তো চীন ও রাশিয়া নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানাবে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো গত সপ্তাহে বলেন, চীন ও রাশিয়া ‘অবশ্যই কোরীয় উপকূলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ যদিও গত সোমবার কোরিয়া ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বর্তমান বিশ্বের বহুমুখী প্রবণতার বাস্তবতা অনুধাবন করতে পারছে না। যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্ররা দুঃখজনকভাবে শুধু হুমকি দিয়ে যাচ্ছে, তারা বিশ্বরাজনীতিতে অন্য কারো কথা শুনতে চায় না।’ সূত্র : বিবিসি।


মন্তব্য