kalerkantho


উত্তর কোরিয়ার খাদ্য-স্বাস্থ্যসেবা খাত

অগ্রগতি থাকলেও সামনের পথ কঠিন : জাতিসংঘ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৩ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



উত্তর কোরিয়া তার জনগণের খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে গত কয়েক বছরে অনেক উন্নতি করেছে। কিন্তু দরিদ্র রাষ্ট্রটি লক্ষ্য থেকে এখনো অনেক দূরে এবং সামনের রাস্তা অনেক কঠিন। উত্তর কোরিয়া সফর শেষে এই মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মানবিক ত্রাণবিষয়ক প্রধান মার্ক লোকক। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার মধ্যে আলোচনা ঠিক পথেই চলছে। এর মধ্যে ওয়াশিংটনের সমালোচনা করা উত্তরের একটি কৌশলমাত্র।

চলতি সপ্তাহে উত্তর কোরিয়া সফর করেন জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয়বিষয়ক কার্যালয়ের (ওসিএইচএ) প্রধান মার্ক লোকক। তিনি জাতিসংঘের মানবিকবিষয়ক ও জরুরি ত্রাণ সমন্বয়ক আন্ডারসেক্রেটার জেনারেলের দায়িত্বও পালন করছেন। ২০১১ সালের পর জাতিসংঘের এ পদে দায়িত্ব পালনকারী কোনো কর্মকর্তার এটাই প্রথম সফর।

লোকক উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনারা যদি ২০ বছর আগে বা তারও আগে তাকান, দেখা যাবে মারাত্মক মাত্রার মানবিক সংকটের কারণে অসংখ্য প্রাণ হারিয়ে গেছে। আর সাম্প্রতি সময়গুলোতে অনেক অগ্রগতি হয়েছে।

প্রসঙ্গত, উত্তর কোরিয়া বিভিন্ন সময়ে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে। ৯০ দশকের মাঝামাঝিতে লাখো মানুষ দুর্ভিক্ষে মারা যায়। ২০১১ সালে দেশটির ৩০ শতাংশ শিশু পুষ্টিহীনতার শিকার হয়। কিন্তু বর্তমানে এ সংখ্যা কমে ২০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

লোকক জানান, এখনো এই সংখ্যাটা অনেক ওপরে। তিনি বলেন, ‘সুতরাং উন্নতি সত্ত্বেও এখনো এখানে তাৎপর্যপূর্ণ মানবিক চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান।’ তিনি উত্তর কোরিয়ার আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রপ্রধান কিম ইয়োং ন্যাম ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জ্যাং জুন স্যাংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তাঁরা দুজনই জাতিসংঘের সঙ্গে মানবিক বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে সিঙ্গাপুর সফররত দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন গতকাল বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে উত্তর কোরিয়ার সমালোচনা একটি কৌশলের অংশ। দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ‘সঠিক পথে’ আছে। গত শনিবার মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর পিয়ংইয়ং জানায়, যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার কাছে গুণ্ডাদের মতো দাবি করছে। এরপর দুই দেশের আলোচনা নিয়ে সংকট তৈরির আশঙ্কা দূর করতে ওই মন্তব্য করেন মার্কিন মিত্র দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন। সূত্র : এএফপি, রয়টার্স।



মন্তব্য