kalerkantho


এইচএসসি বিশেষ প্রস্তুতি ♦ পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র

গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন

মো. শহীদুর রহমান মিঞা সহকারী অধ্যাপক, সরকারি এম এম আলী কলেজ, কাগমারী, টাঙ্গাইল।

১৭ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০



গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন

    স্বীকার্য : কোনো যুক্তি বা তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করতে যেসব পূর্বশর্তকে সত্য বলে স্বীকার করে নেওয়া হয়, তাকে স্বীকার্য বলে।

♦    অবস্থান ভেক্টর : প্রসঙ্গ কাঠামোর মূল বিন্দু সাপেক্ষে কোনো বিন্দুর অবস্থান যে ভেক্টরের সাহায্যে নির্দেশ করা হয়, তাকে অবস্থান ভেক্টর বলে।

♦    জড় প্রসঙ্গ কাঠামো : পরস্পরের সাপেক্ষে ধ্রুব বেগে গতিশীল যেসব কাঠামোতে নিউটনের গতিসূত্র অর্জন করা যায়, তাদের জড় প্রসঙ্গ কাঠামো বলে।

♦    টর্ক : ঘূর্ণায়মান কোনো কণার ব্যাসার্ধ ভেক্টর ও কণার ওপর প্রযুক্ত বলের ভেক্টর গুণফলকে টর্ক বলে।

♦    বলের ঘাত : কোনো বল ও বলের ক্রিয়াকালের গুণফলকে ওই বলের ঘাত বলে।

♦    সংরক্ষণশীল বল : কোনো কণা একটি পূর্ণ চক্র সম্পন্ন করে তার আদি অবস্থানে ফিরে এলে কণাটির ওপর বল দ্বারা সম্পাদিত কাজের পরিমাণ শূন্য হলে সেই বলকে সংরক্ষণশীল বল বলে।

♦    কর্মদক্ষতা : কোনো যন্ত্র থেকে প্রাপ্ত মোট কার্যকর শক্তি ও যন্ত্রে প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাতকে ওই যন্ত্রের কর্মদক্ষতা বলে।

♦    অভিকর্ষ কেন্দ্র : একটি বস্তুকে যেভাবেই রাখা হোক না কেন, বস্তুর ভেতরে অবস্থিত যে বিন্দুর মধ্য দিয়ে মোট ওজন ক্রিয়া করে সেই বিন্দুকে বস্তুর অভিকর্ষ কেন্দ্র বলে।

♦    পয়সনের অনুপাত : স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে বস্তুর পার্শ্ব বিকৃতি ও দৈর্ঘ্য বিকৃতির অনুপাতকে বস্তুর উপাদানের পয়সনের অনুপাত বলে।

♦    সান্দ্রতা গুণাঙ্ক : নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় প্রবাহীর দুটি পাশাপাশি স্তরের মধ্যে একক বেগ অবক্রম বজায় রাখতে প্রবাহী স্তরের প্রতি একক ক্ষেত্রফলে যে স্পর্শকীয় বলের প্রয়োজন হয়, তাকে ওই তাপমাত্রায় ওই প্রবাহীর সান্দ্রতা গুণাঙ্ক বা সান্দ্রতা সহগ বলে।

♦    স্পর্শ কোণ : কঠিন ও তরলের স্পর্শ বিন্দু থেকে বক্র তরল তলে অঙ্কিত স্পর্শক কঠিন পদার্থের সঙ্গে তরলের অভ্যন্তরে যে কোণ উৎপন্ন করে, তাকে ওই কঠিন ও তরলের মধ্যকার স্পর্শ কোণ বলে।

♦    সেকেন্ড দোলক : যে দোলকের দোলনকাল দুই সেকেন্ড, তাকে সেকেন্ড দোলক বলে।

♦    অনুনাদ : কোনো বস্তুর নিজস্ব কম্পাঙ্ক আর তার ওপর আরোপিত পর্যাবৃত্ত স্পন্দনের কম্পাঙ্ক সমান হলে বস্তুটি সর্বোচ্চ বিস্তার সহকারে কম্পিত হতে থাকে। এ ধরনের কম্পনকে অনুনাদ বলে।

♦    স্বাধীনতার মাত্রা : কোনো গতিশীল ব্যবস্থার অবস্থান সম্পূর্ণরূপে বোঝাতে মোট যে কয়টি স্বাধীনতার চলকের প্রয়োজন হয়, তাকে ওই ব্যবস্থার স্বাধীনতার মাত্রা বলে।

♦    শক্তির সমবিভাজননীতি : তাপীয় সাম্যাবস্থায় আছে এমন গতীয় ব্যবস্থার মোট শক্তি বিভিন্ন স্বাধীনতার মাত্রার মধ্যে সমভাবে বণ্টিত হয় এবং প্রত্যেক স্বাধীনতার মাত্রাপিছু শক্তির পরিমাণ হয় 0.5kT।

 

কোনো বস্তুর নিজস্ব কম্পাঙ্ক আর তার ওপর আরোপিত পর্যাবৃত্ত স্পন্দনের কম্পাঙ্ক সমান হলে বস্তুটি সর্বোচ্চ বিস্তার সহকারে কম্পিত হতে থাকে। এ ধরনের কম্পনকে অনুনাদ বলে।


মন্তব্য