kalerkantho


সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

নাকে খত দিয়ে নির্বাচনে আসবে বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



নাকে খত দিয়ে নির্বাচনে আসবে বিএনপি

বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কোনো ধরনের সংলাপের সম্ভাবনা খারিজ করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কোন পার্টি ইলেকশনে অংশ নেবে, আর কোন পার্টি নেবে না, সেটা তাদের সিদ্ধান্ত। এত সাধাসাধির কি বিষয় হলো আমি তো বুঝলাম না। তবে গতবার তারা (বিএনপি) যে ভুল করেছিল এবার হয়তো তা করবে না। এবার নাকে খত দিয়ে নির্বাচনে আসবে, সেটাই মনে হচ্ছে। ’ আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনাও নাকচ করে দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যেকোনো সময় নির্বাচন হতে পারে। তবে আমরা এমন কোনো দৈন্যদশায় পড়িনি যে এখনই নির্বাচন দিতে হবে। ’

প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কম্বোডিয়া সফর সম্পর্কে তথ্য জানাতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রশ্নোত্তর পর্বে ওই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রশ্নোত্তর পর্বের আগে কম্বোডিয়া সফর সম্পর্কে জানাতে একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।

এ সময় কম্বোডিয়া সফরের বাইরেও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা বিষয়ে প্রশ্ন উঠে আসে। আগাম নির্বাচন, জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, বিএনপিকে নির্বাচনে নিয়ে আসতে সরকারের তরফে উদ্যোগের সম্ভাবনা, রোহিঙ্গা সমস্যা, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রক্রিয়া, জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে ট্রাম্পের স্বীকৃতিসহ নানা বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী।

জেরুজালেম প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ঘোষণা দিয়েছেন, আমার কাছে মনে হয় এটা ইসলামিক ওয়ার্ল্ডে কারো কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এখানে জাতিসংঘের রেজল্যুশন রয়েছে। রেজল্যুশন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। আমরা মনে করি, ফিলিস্তিনের একটা অধিকার রয়েছে। তাদের একটা নিজস্ব রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অবশ্যই দিতে হবে। ’

বিএনপিকে নিয়ে অংশগ্রহণমূলক জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকার কোনো উদ্যোগ নেবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘এখানে মাল্টিপার্টি সিস্টেম। কোন পার্টি ইলেকশনে অংশ নেবে আর কোন পার্টি নেবে না, সেটা তাদের সিদ্ধান্ত। তারা যদি নির্বাচনে আসতে চায় তো আসবে। যদি না করতে চায় তবে সেটা তাদের সিদ্ধান্ত। এখানে তো আমাদের কিছু বলার দরকার নাই। ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচনে আসা প্রত্যেকটা দলেরই কর্তব্য। যে দল গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, যারা নিজেদের দলেও গণতন্ত্রের চর্চা করে না, তারা নির্বাচন করবে কি করবে না, এটা তাদের দলের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। এখানে আমাদের করণীয় কিছু নেই। ’

সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বরণ ডালা পাঠাতে হবে? একবার তাঁর (খালেদা জিয়া) সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে আমন্ত্রণ জানিয়ে ঝারি খেয়েছি, অপমানিত হয়েছি; আর ঝারি খাওয়ার-অপমানিত হওয়ার ইচ্ছে নেই। যাদের মধ্যে ভদ্রতা জ্ঞান নেই, তাদের সঙ্গে আলোচনার ইচ্ছে নেই। বিএনপিকে নির্বাচনে আনা নিয়ে যদি আপনাদের এতই আগ্রহ থাকে তাহলে তেলের টিন, ঘিয়ের টিন নিয়ে সেখানে যান। আমি অপাত্রে ঘি ঢালি না। তবে গতবার তারা (বিএনপি) যে ভুল করেছিল এবার হয়তো তা করবে না। এবার নাকে খত দিয়ে নির্বাচনে আসবে, সেটাই মনে হচ্ছে। ’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এতিমের টাকা মেরে খাওয়া, মানি লন্ডারিং, সৌদিতে আরো সম্পদ পাওয়া এসবের বিচার হবে। তবে বিচারের হাত থেকে বাঁচার জন্য যদি জ্বালাও-পোড়াও, ভাঙচুর শুরু করে, এবার কিন্তু জনগণ ছাড়বে না। জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। জনগণকে পুড়িয়ে মারা কেউই বরদাস্ত করবে না। ’

আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যেকোনো সময়ে কিন্তু নির্বাচন হতে পারে। তবে আমরা এমন কোনো দৈন্যদশায় পড়িনি যে এখনই আগাম নির্বাচন দিতে হবে। আমরা উন্নয়নের কাজগুলো দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আমরা চাই এগুলো দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে। কারণ আমরা না থাকলে উন্নয়নের কাজগুলোর যে কী দশা হয় তা আমরা অতীতে দেখেছি। ’

ক্ষমা করে দিয়েছেন, না ক্ষমা চাচ্ছেন : সম্প্রতি আদালতে একটি মামলার শুনানি চলাকালে খালেদা জিয়া তাঁর বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ক্ষমা করে দিয়েছেন? উনি কিসের ক্ষমা করে দিয়েছেন? ২১ আগস্ট আমাকে যে হত্যার চেষ্টা করেছিল, গ্রেনেড মেরেছিল, বেঁচে গিয়েছি, সেই কথা বলছেন? ক্ষমা করে দিয়েছেন না ক্ষমা চাচ্ছেন সেটা স্পষ্ট না। আমি কোনো অপরাধ করেছি নাকি যে আমাকে ক্ষমা চাইতে হবে? বরং তার উচিত দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া। তাদের সময়ে দুজন নির্বাচিত সংসদ সদস্য শাহ এম এস কিবরিয়া ও আহসানউল্লাহ মাস্টারকে হত্যা করা হলো, কিন্তু সংসদে আমাদের আলোচনা পর্যন্ত করতে দিল না। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর এতগুলো মানুষ হত্যা করা হলো, কিন্তু সংসদে আমাদের একটা কথা বলতে দেয়নি। ’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাঁর (খালেদা) বিরুদ্ধে যে মামলা তার একটাও কিন্তু আমাদের সরকার দেয়নি। বরং তাঁদের আমলে আমার বিরুদ্ধে প্রায় এক ডজনের মতো মামলা দেওয়া হয়েছিল। ’

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সব মামলা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দেওয়া জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার কারা? সবাই ওনার (খালেদা) লোক। ৯ জন ডিঙ্গিয়ে মঈন উকে সেনাপ্রধান করেছিল, বিশ্বব্যাংকে চাকরি করছিল ফখরুদ্দীন সাহেব, তাঁকে সেখান থেকে এনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হয়। আর ইয়াজউদ্দিন তো উনারই ইয়েসউদ্দিন। সব ওই আমলের মামলা। ’

সম্পত্তি পাচারের বিচার হবে : সৌদি আরবে সম্পত্তি পাচারের দায়ে দেশের প্রচলিত আইনে খালেদা জিয়ার বিচার হবে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘জনগণের টাকা যারা এভাবে বাইরে নিয়ে গিয়ে বিলাসব্যাসনে ব্যয় করছে, আমার দেশের মানুষকে বঞ্চিত করছে, দেশের মানুষ তাদের বিচার করবে। ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশের আইন অনুযায়ী নিশ্চয়ই তাঁর (খালেদা) বিচার হবে। কারণ এটা হওয়া উচিতও। দেশের মানুষকে কষ্ট দিয়ে বাইরে সম্পত্তি বানানোর কী অধিকার আছে, সেটা আমারও প্রশ্ন। এই ব্যাপারে আমি মনে করি, আপনাদেরও আরো সোচ্চার হওয়া উচিত, জনমত সৃষ্টি করা উচিত। অবশ্যই এর বিচার হবে, এতে কোনো সন্দেহ নাই। ’

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে লন্ডন থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ চলমান রয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আজ হোক কাল হোক একদিন না একদিন তাকে আসতেই হবে এবং কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। ’

মধ্যপ্রাচ্যে খালেদা জিয়ার সম্পত্তির খবর বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলোতে তেমন জায়গা না পাওয়ায় সংবাদকর্মীদের কড়া সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘সৌদিতে বিশাল শপিং মল, সম্পদ পাওয়া গেছে—এটা তো আমরা কিছু করিনি। বিদেশ থেকেই সংবাদটাই এসেছে। বরং বাংলাদেশে সাংবাদিকদের নিউজটা করার ব্যাপারে আগ্রহ দেখলাম না, রহস্যটা কী? আপনারা কি বিনা পয়সায় শপিং করার কোনো কার্ড পেয়েছেন? এ ধরনের নিউজ আমার ব্যাপারে হলে আপনারা তো হুমড়ি খেয়ে পড়তেন। আমাদের অপরাধ কী? আমরা মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি বলে! আর খালেদা জিয়া সব কিছুতে মাফ পায় কেন? যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়েছে, জাতির জনকের খুনিদের মদদ দিয়েছে, সে জন্য কি তাদের সাতখুন মাফ? আমি কোনো পত্রিকাতে এটা নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য করতে দেখলাম না। ’

এমপিরা রেড জোনে কেউ নাই : আগামী নির্বাচন সামনে রেখে দলের পক্ষ থেকে যেসব জরিপ চালানো হচ্ছে সেখানে বর্তমান সংসদ সদস্যদের মধ্যে হারের শঙ্কা আছে কতজনের—এমন প্রশ্নের উত্তরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘অন্তত রেড জোনে কেউ নাই। আমাদের এমপিরা কে কেমন কাজ করছে, কার পজিশন কেমন, কার গ্রহণযোগ্যতা কেমন, সেটা তো আমাকে দেখতে হবে। তবে সেটা এখানে বলার মতো নয়। আমি যদি কারো কোনো দুর্বলতা দেখি নিশ্চয়ই সঙ্গে সঙ্গে তাকে সতর্ক করি। এই যে আমরা সার্বিকভাবে উন্নয়নটা করে যাচ্ছি এটা কিন্তু সুষম উন্নয়ন। সকলেই এর সুফলটা ভোগ করছে। এখন মানুষ যদি দেশের উন্নয়নটা চায় নিশ্চয়ই আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে তারা বেছে নেবে। বরং আমরা আরো নতুন নতুন সিট পাব এটা আশা করি। এখনো তো আরো এক বছর। এক বছর পরে হয়তো নির্বাচন। এর তিন মাস আগে প্রক্রিয়া শুরু। কাজেই যেখানে যেখানে পরিবর্তন দরকার মনে করব, সেখানে পরিবর্তন হবে। এটা তো স্বাভাবিক ব্যাপার। ’

শত ফুল ফুটতে দাও : আগামী নির্বাচনে বিভিন্ন আসনে আওয়ামী লীগের অসংখ্য মনোনয়নপ্রত্যাশীর বিষয়ে জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘শত ফুল ফুটতে দাও। অনেক প্রার্থী হোক ভালো কথা, কারণ এটা তো সবার রাজনৈতিক অধিকার। কেন সবাই প্রার্থী হতে পারবে না? হোক না! যেসব ফুল ফুটবে সেগুলোর মধ্যে কোনটা সবচেয়ে ভালো, সুন্দর, সেটা বেছে নেব। ’

আগামী দিনে যেমন সরকার দেখতে চান প্রধানমন্ত্রী : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর যে সরকার ক্ষমতায় আসবে তাদের সময়েই বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদ্‌যাপন হবে। সে সময়ে কেমন বাংলাদেশ, কেমন সরকার দেখতে চান—জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘নিশ্চয় আমি চাইব এ দেশে যারা স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি, যারা ধারক-বাহক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় যারা দেশকে গড়ে তুলতে চায়, তারাই ক্ষমতায় আসুক, তারাই সংসদে থাকুক। এ দেশে যেন কোনো যুদ্ধাপরাধী, কোনো খুনি, তাদের যেন স্থান না হয়। হলে দেশ আবার ধ্বংসের দিকে চলে যাবে। ’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাইব যে উন্নয়নের গতিধারা সৃষ্টি হয়েছে সেটা অব্যাহত থাকুক। খুব স্বাভাবিকভাবে যারা এই উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত রাখতে পারবে, যারা দেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, দেশকে পেছনের দিকে টানবে না, সত্যিকারে জনগণের কল্যাণ চায়, তারাই নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করুক, ক্ষমতায় আসুক। সংসদে যেন নোংরা কথা, খিস্তিখেউড় না শুনতে হয়। একটা ভদ্র পরিবেশ, একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশ আমরা চাই। ’

জেরুজালেমকে রাজধানীর স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য নয় : জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে স্বীকৃতি দিয়েছেন, সে প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমেরিকার রাষ্ট্রপতি সুয়োমোটো যে ঘোষণা দিয়েছেন, আমার কাছে মনে হয় এটা ইসলামিক ওয়ার্ল্ডে কারো কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। জাতিসংঘের রেজুলেশনকে এভাবে অগ্রাহ্য করা কেউ বোধ হয় মেনে নেবে না। ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা মনে করি, ফিলিস্তিনের একটা অধিকার রয়েছে। তাদের একটা নিজস্ব রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অবশ্যই দিতে হবে। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের (আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ) পরে তাদের যে ভূখণ্ডটা এবং যে সীমানাটা তাদের ছিল, যেটা তাদের রাজধানী হওয়ার কথা, সেটাই থাকা উচিত। ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখানে এভাবে একতরফাভাবে করা মানে অশান্তি সৃষ্টি করা। যে শান্তিপ্রক্রিয়া আমেরিকাই শুরু করেছিল, যার জন্য নোবেল প্রাইজও দেওয়া হলো; এখন এই ঘোষণায় তা অশান্তির পথে ঠেলে দেওয়াটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ’ ফিলিস্তিনের জনগণ যাতে তাদের ন্যায্য অধিকার পায়, সে ব্যাপারে মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।


মন্তব্য