kalerkantho

ফেসবুক অফলাইন

অনলাইনে মজার মজার গল্প, বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুক, সাম্প্রতিক বিষয়-আশয় নিয়ে নিয়মিত স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন পাঠক-লেখকরা। সেগুলোই সংগ্রহ করলেন ইমন মণ্ডল

১৪ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ফেসবুক অফলাইন

উক্তি

ক্যাম্পাসের এক বড় আপুর মহান উক্তি—

I love u too মানে এই না যে আমিও তোমাকে ভালোবাসি। I love u too মানে এই যে আমি তোমাকেও ভালোবাসি।

ইনকারিজিবল জিকস

 

যার মূল্য বেশি

দিন শেষে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নয়, নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট চেক করুন! লাইকের চেয়ে টাকার মূল্য অনেক বেশি।

সোলায়মান সুখন

ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো!

বি. দ্র. : এখানে আকাশের ঠিকানা বলতে skype address-এর কথা বলা হয়েছে।

স্বর্ণলতা

 

ভিআইপি

ট্রেনে চড়লে নিজেকে বড় মাপের ভিআইপি মনে হয়। দুই পাশে আরো কত ভিআইপি অপেক্ষায় থাকেন, আমাদের রেলগেট ক্রসিং ঝামেলা ফ্রি করে দেওয়ার জন্য।

মোহাম্মাদ সালাহ উদ্দিন

 

পিতা-পুত্র

পরীক্ষার রেজাল্ট দেখিয়া পিতা পুত্রকে কহিল, ‘আইজ থেইকা আমারে বাপ ডাকবি না। ’

পুত্র ততোধিক অবাক হইয়া কহিল, ‘কিন্তু এটা তো ডিএনএ রেজাল্ট না!’

জিনাত জোয়ার্দার রিপা

 

ফলস

ট্যুরিস্ট : গাইড সাহেব, আপনি না বললেন, দুই কিমি. দূর থেকে নায়াগ্রা ফলসের শব্দ পাওয়া যায়! আমরা শুনতে পাচ্ছি না তো!

গাইড : শুনতে পাবেন, আবার না-ও পেতে পারেন। ওটা ফলস কিনা!

কায়েশ খান

বিয়ে

পরীক্ষায় ফেল করলে শুধু মেয়েদেরই বিয়ে দেওয়া হয় না, বাজে পারফর্ম করলে ক্রিকেটারদেরও বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়।

আফরিদা ইবনাত

 

লবণ শসা

শসা খেলে চিকন হয়। লবণ খেলে মোটা হয়।

তাহলে সবাই কেন লবণ দিয়ে শসা খায়?

সিয়াম নাসির

 

পরামর্শ

নিজেকে সেখানে নিয়ে যাও, যেন তোমাকে কাঁদানো মানুষরা গর্ব করে বলতে পারে, ‘এরে কত কাঁদাইছি। ’ মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

 

বজ্রপাত

পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হয় কোথায়?

স্টার জলসার সিরিয়ালে!

জান্নাতুল ফেরদৌস

মিল

রফিক আর শফিকের মধ্যে দারুণ মিল! দুজনই রফিকের বউকে ভালোবাসে।

অনামিকা মণ্ডল

 

আলোচনা

—তখন ফোন ধরো নাই কেন?

—পুরি খাইতেছিলাম।

—পুরি খাওয়া অবস্থায় কি ফোন ধরা যায় না?

—যায়। কিন্তু ফোনে পুরির তেল লেগে যায়, ফোন পিছলা লাগে।

—আবার পুরি খাওয়া শুরু করেছ কেন? মাঝখানে না অফ ছিল?

—শিঙাড়াও খাচ্ছি।

—খাও। আমার কী! বুক জ্বলা বাড়লে তোমার বাড়বে।

—এটা ঠিক। কালকে থেকে খাব না।

—পানি গরম করেছ?

—পানি কালকে গরম করেছিলাম।

—আমি কি খাওয়ার পানির কথা জানতে চাইছি? গোসলের পানি।

—গোসলে গরম পানি লাগবে কেন?

—তোমার ঠাণ্ডা লাগে না?

—না।

—তুমি একটা গুইসাপ।

—গুইসাপ কি ঠাণ্ডা পানি ছাড়া গোসল করে না?

—গুইসাপ গরম পানি দিয়ে গোসল করবে কেন? তার কি বলার মতো গার্লফ্রেন্ড আছে?

—নাই?

—আছে। তার গার্লফ্রেন্ডও তার মতো গুইসাপ, তার মতো নোংরা।

মাজহার মিথুন

 

ভূমিকম্প

আগে ভূমিকম্প হইলে মানুষের বুক কাঁপত। আর এখন কাঁপে জাকারের বুক তথা ফেসবুক।

জগলুল হায়দার

 

জানতে চাই

দেনমোহরের খুচরা এক টাকার বদলে যদি মি. ম্যাঙ্গো ক্যান্ডি দিই, তাহলে কী চলবে?

লিখন

 

মেয়ে

মেয়ে ছিল উচ্ছল, চঞ্চলা হরিণী—

কচ্ছপ আমি তাই তার পিছু ধরিনি।

পলাশ মাহবুব

 

ব্যাংকার

এক তরুণ ব্যাংকার ট্রেনের এসি কামরায় ভ্রমণ করছিলেন, ভদ্রলোকের পাশের সিট খালি। আশপাশে কেউ নেই। ট্রেন মোটামুটি খালিই বলা চলে। একটু পরে এক সুন্দরী মেয়ে উঠে ভদ্রলোকের পাশের সিটেই বসলেন। ব্যাংকার বেশ খুশি হলেন এই ভেবে যে যাক, জার্নিটা বোধ হয় বোরিং হবে না!

ভদ্রমহিলা ব্যাংকারের দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছিলেন। এতে ব্যাংকার ভদ্রলোকের মনের ভেতর খুশির জোয়ার বইতে শুরু করল। মেয়েটি ব্যাংকার তরুণের আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে বসলেন। তরুণ আনন্দে আত্মহারা হয়ে কী করবেন আর কী না করবেন, বুঝে ওঠার আগেই মেয়েটি ওই তরুণের কানের কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বললেন, ‘সঙ্গে যা আছে—মানে ঘড়ি, টাকা, পার্স সব বের করুন। নয়তো চিৎকার করে পুলিশ ডেকে বলব যে আমাকে একলা পেয়ে আপনি আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করার চেষ্টা করছিলেন। ’

ব্যাংকার তরুণটি যেন কিছুই হয়নি এই রকমভাবে তাকালেন মেয়েটির দিকে। তারপর পকেট থেকে একটা কাগজ আর কলম বের করে ওটাতে লিখলেন, ‘আমি বোবা এবং কালা। তাই যা বলার দয়া করে এই কাগজে লিখে দিন। ’

মেয়েটি যা যা বলেছিলেন, সেগুলো কাগজে লিখে ভদ্রলোকের হাতে দিলেন। তরুণ কাগজটা নিয়ে বেশ যত্ন সহকারে পকেটে রাখলেন। তারপর ইস্পাতকঠিন গলায় বললেন—‘নিন, এইবার চিৎকার করে যত ইচ্ছা পুলিশ ডাকুন। ’

নোট : ব্যাংকারদের সঙ্গে ডিল করবেন সাবধানে।

তাঁরা ডকুমেন্ট রাখেন।

জিনাত জোয়ার্দার রিপা

 

শীতকাল

শীতকাল মানে প্রেমিক-প্রেমিকাদের আকাল। ফ্যান বন্ধ। ফিসফিস করে আর কতক্ষণ কথা বলা যায়। বাথরুমে গিয়ে আর কতক্ষণই বা বালতি ভরা যায়। ফ্যান ওপর থেকে মুচকি মুচকি হাসে আর বলে, ‘নিমকহারামের দল, সারা বছর আমারে অনেক ঘুরাইছিস। কোনো দিন একটা থ্যাংকস পর্যন্ত দিস নাই। এখন ঠ্যালা সামলা। ’

প্রেমিক-প্রেমিকারা উদাস হয়ে সিলিংয়ের দিকে চেয়ে থাকে আর মনে মনে ভাবে, ‘বাংলাদেশে শীতকালের কী প্রয়োজন। শীত পড়লে দিনের বেলায় পড়। রাইতে কেন শীত পড়া লাগবে, আজাইরা। ’

তবুও পরাজয়ে ডরে না বীর। কাঁথা-কম্বল যা আছে সম্বল, সব নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। লেপ-কম্বল মুড়ি দিয়ে সারা রাত বক বক করা প্রেমিক-প্রেমিকারা ফিসফিস করে কথা বলে। মিনিট পাঁচেক পরই ওরা ডলফিন হয়ে যায়। ডলফিনের মতো ভোঁস করে কম্বলের সাগর থেকে বের হয়ে এসে বুক ভরে শ্বাস নেয়। কম্বল থেকে বের হতে দেখেই সিলিং ফ্যান খেঁক খেঁক করে হেসে উঠে টিউবলাইটকে বলে, ‘দেখ দেখ, সিঁদেল চোরা সিঁদ কাটতে কাটতে কাহিল হয়্যা গ্যাছে। ফান্দে পড়ছে বগা ফান্দে পড়ছে। ’

টিউবলাইট উত্তরে কিছুই বলে না। কী করে বলবে, টিউবলাইট তো!

আসুন এক মিনিট নীরবতা পালন করি সেই সব যুগলের জন্য, যারা শীতকালের এই বৈরী পরিবেশে সংকটময় রাত পার করছে।

সুমন আহমেদ

 

প্রসঙ্গ : পেঁয়াজ

* এখন যাঁরা বিয়ে করবেন, শ্বশুরবাড়ি থেকে যৌতুক বা উপহার হিসেবে কয়েক মণ পেঁয়াজ নিতে পারেন।

নাজমুল হাসান ইমন

 

* ২০০ টাকার ১ জিবি ইন্টারনেট আট টাকায় না দিয়ে ৮০ টাকার পেঁয়াজ আট টাকায় দিলে জনগণের বেশি উপকার হবে।

মালেক মল্লিক

 

* রাজধানীতে দুই কেজি পেঁয়াজ ছিনতাই, মূর্ছা গেছে মালিক!

আরকানুল ইসলাম

 

* কিনবে যে পেঁয়াজ এত ধনী, কে আজ?

সামিউল আজিজ সিয়াম

 

* নাবিলা, জানো? আগে হোটেলে মাছ-ভাত অর্ডার করলে প্রচুর পেঁয়াজের টুকরো পাইতাম। আর এখন এক টুকরা পেঁয়াজ খাব বলে আস্ত এক প্লেট ভাত আর মাছ অর্ডার করতে হয়।

সাইমুম সাদ

 

* আগে মহিলারা পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে কাঁদত। এখন পুরুষরা পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে কাঁদে। যুগের কত পরিবর্তন!

আসিফ নজরুল


মন্তব্য