kalerkantho

ফেসবুক অফলাইন

অনলাইনে মজার মজার গল্প, বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুক, সাম্প্রতিক বিষয়-আশয় নিয়ে নিয়মিত স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন পাঠক-লেখকরা। সেগুলোই সংগ্রহ করলেন ইমন মণ্ডল

১৩ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



ফেসবুক অফলাইন

পজিটিভ পয়েন্ট

ক্যাম্পাসে প্রেম করার পজিটিভ পয়েন্ট—

বন্ধু : দোস্ত, তুই ভার্সিটিতে প্রেম করে কোন মজা পাস? আমার তো মনে হয় খালি পেইন।

আমি : দূর বেটা, বিশাল মজা।

বন্ধু : বলিস কি?

আমি : হুম, এই মনে কর, আমাকে ক্যান্টিনের পচা-অস্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হয় না। ও মেস থেকে রেঁধে সাপ্লাই দেয়।

-তানভীর আহাম্মেদ

 

তিন বেলা ওষুধ

ভার্সিটি যাওয়ার সময় ডাক্তার আংকেলের সঙ্গে দেখা...

বাবা, কাশি কমে নাই?

না আংকেল, কমল না তো।

তিন বেলা খাইতে বলছিলাম ওষুধ। খাইছিলা?

না আংকেল, খাইতে পারি নাই।

কোন বেলা মিস গেসে?

আংকেল সকাল ১১টার সময় ঘুম থেকে উঠে ১টায় দুই চামচ খাইছিলাম। আর রাতে সাড়ে ৯টায় বাসায় এসে ১টার সময় খাইছিলাম। কোন বেলা যে মিস গেসে বুঝতে পারতেছি না।

ওওও!

-উদয় রহমান

 

নেট ছাড়া মোবাইল টিভি

কিভাবে নেট ছাড়াই মোবাইল ফোনে টিভি দেখবেন? এখন আমি নেট ছাড়াই মোবাইল ফোনে টিভি দেখি! ইচ্ছা করলে আপনিও দেখতে পারবেন! শুধু আপনার মোবাইল ফোনের ক্যামেরাটা অন করে টিভির সামনে ধরুন।

রাগ করবেন না, আমিও তাকে খুঁজছি, যে এই পোস্টটি দিয়েছিল!

-ফজলুল হক সাকি

 

প্রশ্ন

আঁতেল : আপনি প্রধানত কোন ছন্দে লেখেন?

আমি : পছন্দে।

-মারজুক রাসেল

 

ভবিষ্যত্টা যেমন হবে

বেকার যুবক : স্যার, আমার একটা চাকরি খুবই দরকার।

চাকরিদাতা : আচ্ছা, তোমার বায়োডাটা দিয়ো।

বেকার যুবক : এই নিন আমার ফেসবুক লিংক। সব ইনফরমেশন অ্যাড করা আছে।

-তানভীর আহাম্মেদ

 

পার্থক্য নেই

ইঞ্জিনবিহীন গাড়ি আর ক্ষমতাহীন পদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। দুটিরই চলার প্রবল ইচ্ছা থাকলেও চলতে পারে না।

-পন্নি নিয়োগি

 

উপায়

অল্প সময়ে বিল গেটসের চেয়ে ধনী হওয়ার সহজ উপায় আছে। দরকার শুধু জসিমের মতো লটারিভাগ্য!

-ইমরান হোসেন

 

তারা চোর পেটায়

আমাদের কলেজের শিক্ষক ও দারোয়ানের সঙ্গে মিল আছে। দুজনই চোর পেটায়। একজন পড়া চোর, আরেকজন টাকা চোর।

-আরাফাত

 

রোমান্টিক সাউন্ড

পৃথিবীর সব থেকে রোমান্টিক সাউন্ড! ATM বুথের টাকা বের হওয়ার সময় কুরকুর মিউজিকটি।

-ফয়সাল দ্বীপ

 

ম্যারাথন

ভোর ৪:৩০ মিনিট

অ্যালার্ম দিয়ে রেখেছিলাম। উঠে দেখি বউ পাশে নেই। খুঁজতে যেয়ে দেখি সে পাশের রুমে বসে চুল স্ট্রেইট করছে। আমি বললাম, ‘ভাই, আমরা হাঁটতে যাচ্ছি, র‌্যাম্পে মডেলিং করতে না।’

সে এমন একটা ‘পার্লারে যে যাচ্ছি না শুকরিয়া করো’ টাইপ চাহুনি দিল, আমি আর কথা বাড়াতে পারলাম না।

ভোর ৪:৫০ মিনিট

ড্রাইভার এসেছে আমাদের নিতে, সে দেখি এক বিশাল বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে এসেছে। আমি বললাম, ‘এটা কেন?’

সে বলল, ‘ফার্স্ট-সেকেন্ড হয়ে গেলে উড়াতে হবে না?’

আমি বললাম, ‘বুঝছি, তোমার ঘুম হয় নাই ঠিকমতো। তাড়াতাড়ি হেঁটে এসে তোমাকে ছেড়ে দেব, চিন্তা করো না। যাও গাড়ি গরম করো।’

সে ঘুমের ঘোরে গাড়ির চাবি না নিয়েই নিচে চলে গেল গাড়ি গরম করতে।

ভোর ৫:১০ মিনিট

ভেন্যুতে পৌঁছে দেখি ইতিমধ্যে শপাঁচেক দৌড়বিদ হাজির। সবাই ওয়ার্ম আপ করছে। আমি আর আমার বউ তাদের দেখাদেখি গাড়ি থেকে নেমেই ওয়ার্ম আপ শুরু করে দিলাম। ওয়ার্ম আপ করতে গিয়েই কোমরে প্রথম টানটা খেলাম।

ভোর ৫:৪০ মিনিট

লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। আর ২০ মিনিটের মধ্যে দৌড় শুরু হবে। বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ৬০ জন দৌড়বিদ এসেছে এই ম্যারাথনে অ্যাটেন্ড করতে। একেকজনের থেকে একেকজনের ফিগার ভয়ংকর। ওদের দেখানোর জন্য পেট চেপে রাখতে রাখতে বুকের পেশিতে দ্বিতীয় টানটা খেলাম।

ভোর ৬:০১ মিনিট

শুরু হলো দৌড়। আমি দাঁত বের করে পাশে তাকিয়ে বউকে বললাম, শুরু করো দৌড়। বলা শেষ করে দেখি সে এরই মধ্যে আমার থেকে ৫০ মিটার আগে।

দৌড় চলছে। শখানেক মানুষ দৌড়াচ্ছে। প্রথম দুই কিলোমিটার তো লজ্জায় থামতেই পারিনি। দৌড়াচ্ছি তো দৌড়াচ্ছিই। একটা সময় মনে হলো দৌড়াচ্ছি বাট আগাচ্ছি না। এক জায়গায় দাঁড়িয়েই এতক্ষণ হাত-পা নাড়লাম?

জুতার ফিতা বাঁধতে হবে ভাব নিয়ে একটু বসলাম। মুহূর্তের মধ্যে ১০০ জন এগিয়ে গেল সামনে।

মুসিবত

তিন কিলোমিটার পর মগবাজারের কাছে এসে মনে হলো ঘুম বাদ দিয়ে এখানে এসে জীবনে মারাত্মক একটা ভুল করেছি। ওদিকে বউ আমার থেকে আরো এক কিলোমিটার সামনে। ভুলের কথা যে কারো সঙ্গে শেয়ার করব সেই মানুষটাও পাশে নেই। আশপাশে বিভিন্ন রকমের মানুষ। একজন এসে আমাকে ইংলিশে বলল, ‘আর ইউ দেট ফেমাস রানার ফ্রম নাইজেরিয়া?’

কেমনটা লাগে? সানস্ক্রিন মেখে এসেছি, তা-ও মানুষ এত ভুল বুঝছে? তার উত্তর যেন না দেওয়া লাগে সেই কারণে আরো জোরে দুই কিলোমিটার দৌড়ালাম। পিছে ফিরে দেখি সে অনেক দূরে।

কিছুটা শান্তি পেলাম

ছয় কিলোমিটার পর এসে দেখি সোলেমান সুখন ব্রিজের ওপর দাঁড়িয়ে ভিডিও ব্লগ করছে। আমাকে দেখে চিৎকার দিয়ে বলল, ‘আরিফ আসো, অনুভূতি শেয়ার করো’। তার থেকে ভাগতে আরো এক কিলোমিটার খেইচে দৌড়ালাম। দৌড়ের একপর্যায়ে বউয়ের সঙ্গে দেখা। সে আমাকে দেখেই বলে, ‘তুমি না পকেটে করে কিশমিশ নিয়ে এসেছ কয়েকটা? কুইক আমাকে দুইটা দাও। এনার্জি পাচ্ছি না।’

আমি দৌড়াতে দৌড়াতে পকেট হাত্রে দেখি কিশমিশের প্যাকেট গাড়িতে রেখে এসেছি। সঙ্গে সঙ্গে আমি ‘কিশমিশ চাওয়ার আর টাইম পাও না। সময় আর দুই মিনিট আছে। দৌড়াও দৌড়াও।’ বলে ঝারা দৌড় দিয়ে বউয়ের থেকে আধা কিলোমিটার সামনে এগিয়ে গেলাম। পেছনে ফিরে দেখি সে কিশমিশ নিতে হোক আর জেতার কারণে হোক, ধুমা দৌড় দিয়ে আমার দিকে আসছে। যাই হোক, শেষ হলো দৌড়। এই কিশমিশ ইস্যু না থাকলে আমার মেডেল পাওয়া হতো না—ফর শিওর।

অনেক দুষ্টামি হলো, কিছু সিরিয়াস কথা বলি। অবশ্যই এই ম্যারাথন জিনিসটা একটা সিরিয়াস বিষয় ছিল। তা না হলে বিদেশ থেকে ৬০ জন দৌড়বিদ আসত না। দেশের বিভিন্ন বিভাগ থেকে শখানেক মানুষ আসত না। একটা অ্যামেজিং গেট টুগেদার হয়ে গেল কিছু ফিটনেস-পাগল মানুষদের। আমার পাশ দিয়ে ৬৭ বছর বয়সী এক লোক দৌড়ে গেল। হ্যাঁ, তিনি সাকসেসফুলভাবে ২১ কিলোমিটার শেষ করেছেন। শেষ করেছেন ১৭ বছর বয়সী দুই বেণি করে আসা সেই মেয়েটাও। শেষ করেছেন পাঁচ মাস বয়সী বাচ্চাকে স্ট্রলারে করে নিয়ে এসে ভেন্যুতে রেখে ম্যারাথনে অ্যাটেন্ড করা সেই দৌড়বিদ মা-ও। চমৎকার একটা দিন গেল। মেডেল দেওয়া হলো ১১টার দিকে। আমরা বাসায় ফিরে এসে আমার বড় মেয়েকে নিয়ে এসেছিলাম মেডেল পাওয়া দেখাতে। ও হ্যাঁ, আমার বউও (কিশমিশ ছাড়াই) শেষ করেছে পুরোটা ট্র্যাক। আমরা দুজনই মেডেল পেয়েছি। অর্গানাইজারদের অ্যারেঞ্জমেন্ট দেখে আমি অভিভূত। প্রতি এক কিলোমিটার পর পর পানীয় রাখা। আহ্।

সত্যি বলেই ফেলি, আমি তো মাঝের কিলোমিটারগুলো খালি দৌড়িয়েছি পানির স্ট্যান্ড থেকে কমলা সেই এনার্জি ড্রিংকটা খেতে। সব মিলিয়ে এক অসাধারণ অনুভূতি। পাশে তাকিয়ে দেখি সোলেমান সুখন ক্যামেরা নিয়ে আসছে অনুভূতি নিতে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা আবার দৌড় দিলাম। অনেকে হয়তো ভাবছে, মেডেল পাওয়ার পর আর দৌড় কিসের? এ তোরা বুঝবি না। গাড়িতে উঠতে গিয়ে দেখি সেই ছেলেটা দলবল নিয়ে নাইজেরিয়ার দৌড়বিদের সঙ্গে ছবি তুলতে আমার দিকে এগিয়ে আসছে। আমি বিড়বিড় করে ড্রাইভারকে বললাম, ‘রাখ তোর কিশমিশের প্যাকেট। পতাকাটা বাইর কর কুইক।’

-আরিফ আর হোসাইন

 

মশা

♦ স্প্রে, কয়েলের পর মশারিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে না মশারা।

মশারি এখন তাদের কাছে বিয়েবাড়ির প্যান্ডেলের মতো, কোথাও টানালে বুঝে যায় ভেতরে খাবারের ব্যবস্থা আছে।

-ইশতিয়াক আহমেদ

 

♦ সারা শীত গেল ব্যাট ছুঁয়ে দেখারও কপাল হয় নাই।

এখন এই বসন্তকালে ব্যাডমিন্টন খেলছি মশাদের সঙ্গে।

-বন্দনা কবির

 

♦ মশাদের জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি আবিষ্কার এখন সময়ের দাবি!

-রোহিত হাসান কিসলু

 

♦ গণ রুমে লক্ষ মশা, কয়েল কিন্তু একটাই রে।

-আন্ নাসের নাবিল

 

♦ একটা রেডিও স্টেশন খোলার চিন্তা করতাছি। রাত-দিন সেখানে একটাই প্রগ্রাম চলবে ‘...এবং মশাদের গান’।

-মুশাহিদ মিশু

 

♦ বিধি তুমি বলে দাও আমি কার?

কয়েক শ মশা ‘একটি দেহের দাবিদার’।

-মুকুল আহমেদ

 

♦ মশারে ফাঁকি দিয়া মশারির ভেতর ঢোকা শুধু মুশকিল হি ন্যাহি, নামুমকিন।

-কানন শূন্য

 

আমার ওয়াই-ফাই

কিছুক্ষণ আগে সাদিয়া ফোন দিয়ে বলল, ‘ওয়াই-ফাই অফ করছেন ক্যান? দ্রুত অন করেন।’

আমি অবাক হয়ে গেলাম। ভাবলাম, ‘সাদিয়া কিভাবে আমার ওয়াই-ফাইয়ের পাসওয়ার্ড পেল? আর পাসওয়ার্ড পেলেও তো নেটওয়ার্ক পাওয়ার কথা না। সে থাকে তিনতলায় আর আমি সাততলায়!’

আমি সাদিয়াকে প্রশ্ন করলাম, ‘তুমি কিভাবে নেটওয়ার্ক পাও আমার ওয়াই-ফাইয়ের?’

সে উত্তর দিল, ‘আমি চারতলার সুমাইয়ার কাছ থেকে হোয়াটস্পট দিয়ে চালাই। সে আপনার ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে।’

আমি সাদিয়ার ফোন রেখে চারতলার সুমাইয়াকে ফোন দিলাম। সে বলল, ‘দাদা, আমি তো হোয়াটস্পট দিয়ে পাঁচতলার সোনিয়ার কাছ থেকে নেটওয়ার্ক নেই। সে আপনার ওয়াই-ফাই চালায়।’

আমি সুমাইয়ার ফোন রেখে পাঁচতলার সোনিয়াকে ফোন দিলাম। সোনিয়া বলল, ‘দাদা, আমাকে হোয়াটস্পটে লাইন দিয়েছে ছয়তলার ফারিহা। সে আপনার ওয়াই-ফাই চালায়।’

আমি পাঁচতলার সোনিয়ার ফোন রেখে ছয়তলার ফারিহাকে ফোন দিলাম। ফারিহা বলল, ‘দাদা, আপনার পাশের বাসার ভাবি আমাকে হোয়াটস্পটে লাইন দিয়েছে। উনি তো আপনার ওয়াই-ফাই চালায়।’

ব্যাপারটা তবু ক্লিয়ার হচ্ছে না। পাশের বাসার ভাবি তো আমার ওয়াই-ফাইয়ের পাসওয়ার্ড জানে না। উনি কিভাবে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে?

পাশের বাসার ভাবির দরজায় নক দিলাম। উনি খুলে দিলেন দরজা। আমি ভেতরে ঢুকে প্রশ্ন করলাম, ‘আপনি কি আমার ওয়াই-ফাই ব্যবহার করেন?’

উনি বললেন, ‘হ্যাঁ, করি তো। ক্যান কোনো সমস্যা?’

আমি বললাম, ‘না, সমস্যা না। কিন্তু পাসওয়ার্ড কই পেলেন?’

পাশের বাসার ভাবি বললেন, ‘গত মাসে আপনার ভাতিজা যখন আপনার বাসায় বেড়াতে এসেছিল, তখন সে আমাকে পাসওয়ার্ড দিয়ে বলেছে—কাকার নেট চালান, ভালো স্পিড। শুধু শুধু মোবাইল কম্পানিকে টাকা দেন ক্যান? তখন থেকেই আমি আপনার ওয়াই-ফাই ব্যবহার করি।’

আমি কী বলব বুঝে উঠতে না পেরে চুপ করে আছি। পাশের বাসার ভাবি প্রশ্ন করলেন, ‘আপনার ভাতিজা আবার কবে আসবে? ছেলেটা কত ভালো!’

-দেব জ্যোতি ভক্ত

 

মুরগি

খাঁচা ভরা মুরগি নিয়ে বাজারে যাচ্ছিল কাশেম। সহজ-সরল ছেলে। বুদ্ধি কম। খানিক দূর যাওয়ার পর আচমকা গর্তের মধ্যে পা ফসকে পড়ে গেল। ওদিকে খাঁচা ভেঙে বেরিয়ে গেল সব মুরগি। এখন উপায়! বহু কষ্টে মুরগিগুলো ধরতে ধরতে রাত হয়ে গেল। অগত্যা বাজারে না গিয়ে সে বাড়ি ফিরে এলো। ছেলেকে মুরগিসহ বাড়ি ফিরতে দেখে বাবা বলল, ‘কী রে কাশেম, মুরগি বিক্রি না করে ফিরে আসলি যে?’

সহজ-সরল কাশেম ভয়ে ভয়ে বলল, ‘বাবা, আসলে বাজারে যাওয়ার সময় পা ফসকে গর্তে পড়ে গেছিলাম। সব মুরগি খাঁচার মধ্য থেকে বেরিয়ে গেল। এদিকে আমিও পায়ে ভীষণ চোট পেয়েছিলাম। তাই বাজারে না গিয়ে বাড়ি ফিরে এলাম।’

বাবা বলল, ‘দেখি তো মুরগিগুলো ঠিকঠাক এনেছিস কি না।’

কাশেম খাঁচা থেকে মুরগিগুলো বের করল। গুনে দেখে মুরগির সংখ্যা চারটে বেশি। তখন কাশেমের বাবা বলল, ‘বাহ্, তুই তো ভালা কাম করছস আব্বা! চারটা মুরগি বেশি নিয়া আইছস। এভাবে যদি মুরগি বাড়ে, ক্ষতি কী! তুই ব্যথার কথা ভুইলা যা। বাড়তি মুরগির ডিম বিক্রি কইরা তোরে ওষুধ খাওয়ামুনে।’

-রাকিবুল প্রিয়


মন্তব্য