kalerkantho


নির্বাচন যদি হয় ফেসবুকের মাধ্যমে

জাতীয় নির্বাচন যদি ফেসবুকের মাধ্যমে হয়, তাহলে তার নিয়ম-কানুন কেমন হবে, জানাচ্ছেন সুদিপ্ত কুমার নাগ

১৭ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০



নির্বাচন যদি হয় ফেসবুকের মাধ্যমে

নির্বাচন কমিশনের স্লোগান : আমার লাইক আমি দেব, যাকে খুশি তাকে লাইক দেব।

প্রার্থী মনোনয়ন : যে প্রার্থীর ফেসবুক পেজে লাইকসংখ্যা বেশি হবে, সে প্রার্থী তার দলের হয়ে নির্বাচনে দাঁড়ানোর যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

প্রচারণা : প্রার্থী তার ফেসবুক পেজের মাধ্যমে তার প্রতিশ্রুতিগুলো শেয়ার করবেন।

জনপ্রতিনিধি নির্বাচন : নির্বাচনের দিন নির্বাচন কমিশনের ফেসবুক পেজে প্রত্যেক প্রার্থীর ছবি ও প্রতিশ্রুতি নিয়ে আলাদা আলাদা স্ট্যাটাস দেওয়া হবে। যার ছবি ও স্ট্যাটাসে বেশি লাইক জমা পড়বে, তাকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করা হবে।

জয়ী প্রার্থীর মন্তব্য : জয়ী প্রার্থী তার ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিয়ে জানিয়ে দেবে যে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পরাজিত প্রার্থীর মন্তব্য : হেরে যাওয়া প্রার্থী তার ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিয়ে জানাবে যে ‘ভোটারদের সঠিকভাবে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। সূক্ষ্ম কারচুপি করে আমাদের ভোটারদের ইন্টারনেট কানেকশন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল এবং তাদের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে কে বা কারা অন্য কাউকে ভোট দিয়ে দিয়েছে। আমরা এ নির্বাচন মানি না। এই নির্বাচন বর্জন করা হলো।

 

নির্বাচন কমিশনের নিয়মাবলি

১. কোনো ভোটার কোনো প্রার্থীকে একের অধিক লাইক দিতে পারবে না।

২. ফেক আইডি দিয়ে ভোট দিলে ২০০ লাইক জরিমানা, অনাদায়ে এক মাস ফেসবুক সংযোগ বাতিল করা হবে।

৩. এক দলের প্রার্থী বা নেতাকর্মীরা অন্য দলের প্রার্থী বা নেতাকর্মীদের পোক করলে, তাদের ফেসবুক আইডি আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে।

৪. নির্বাচনী প্রচারণার কাজে সরকারি ফেসবুক পেজ ব্যবহার করা যাবে না।

৫. সাধারণ জনগণের ফেসবুকওয়ালে নির্বাচনী প্রচারণা পোস্ট করা যাবে না


মন্তব্য