kalerkantho


দুই বাজারেই কমেছে লেনদেন ও সূচক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) শেয়ার বিক্রির চাপ অব্যাহত রয়েছে। এতে কমছে শেয়ার লেনদেন ও সূচক।

চলতি সপ্তাহের পঞ্চম ও শেষ কার্যদিবস গতকাল বৃহস্পতিবার দুই বাজারেই সূচক ও লেনদেন কমেছে। একই সঙ্গে বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দামও হ্রাস পেয়েছে।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের হিসাব ঘোষণা শেষ হয়েছে। চতুর্থ প্রান্তিক বা বছর শেষে আর্থিক হিসাব বছরও শেষ হতে চলেছে। ফলে বিনিয়োগকারী কম্পানির আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় বাজার পর্যবেক্ষণ করছে। এতে অনেকটা ঢিমেতালেই চলছে বাজার।

গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫১৭ কোটি ১২ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছে ১৮ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৫৮৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

আর সূচক কমেছিল ২০ পয়েন্ট। সেই হিসেবে লেনদেন কমেছে ৬০ কোটি টাকার বেশি।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, লেনদেন শুরুর পর থেকেই বাজারে শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়তে থাকে। এতে দিনের সূচক কমে যায়। আর লেনদেনও কমতে থাকে। দিন শেষে সূচক দাঁড়িয়েছে ৬২৪৮ পয়েন্টে। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ৭ পয়েন্ট কমে ২২৬৪ পয়েন্ট এবং ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক ১.৩৯ পয়েন্ট কমে ১৩৮৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ৩৩৩ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৮টির, কমেছে ১৪৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৬টির।

লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষে রয়েছে বিডি থাই। কম্পানিটির লেনদেন হয়েছে ১৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকার। আর দ্বিতীয় স্থানে থাকা বারাকা পাওয়ারের লেনদেন হয়েছে ১৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকার। তৃতীয় স্থানে থাকা প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের লেনদেন হয়েছে ১৪ কোটি ৪১ লাখ টাকার।

সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ৭ লাখ টাকার। আর সূচক কমেছে ৪০ পয়েন্ট। দিন শেষে সূচক দাঁড়িয়েছে ১১৬৮৫ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ২৭ কোটি ৪৬ লাখ টাকার। লেনদেন হওয়া ২৪২ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৬টির, কমেছে ১০৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৮টির।


মন্তব্য