kalerkantho


ছয় মাসে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



ছয় মাসে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ

রপ্তানি আয়ে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রেখেই শুরু হলো ইংরেজি নববর্ষ। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা পুরো অর্থবছরেই এ ধারা অব্যাহত থাকবে। তবে এ জন্য সরকারের দেওয়া প্রণোদনা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি জ্বালানির দাম না বাড়ানোর পরামর্শ দেন তাঁরা।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) দেওয়া পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্থবছরের ছয় মাসে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭.১৫ শতাংশ। এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ০. ২৩ শতাংশ বেশি। এ সময় দেশের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৭৮৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর আয় হয়েছে ১ হাজার ৭৯১ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

এদিকে একক মাস হিসেবে ডিসেম্বরের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা না গেলেও গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে আয় বেশি হয়েছে ৮.৪২ শতাংশ। এ সময় আয় হয়েছে ৩৩৫ কোটি ৩১ লাখ ডলার। এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১.৮৪ শতাংশ কম। আর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩৪১ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

ইপিবির পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের গত ৬ মাসে দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ৭.৭৫ শতাংশ। এ সময় লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৪৩৭ কোটি ৬২ লাখ ডলার। আর রপ্তানি আয় হয় ১ হাজার ৪৭৭ কোটি ২৭ লাখ ডলার। এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২.৭৬ শতাংশ বেশি।

নিট পোশাক রপ্তানি থেকে এ সময় আয় হয়েছে ৭৫৯ কোটি ৫২ লাখ ডলার, এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫.৫২ শতাংশ বেশি। আর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭১৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। ওভেন পোশাক থেকে আয় হয়েছে ৭১৭ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। এ আয় লক্ষ্যমাত্রা থেকে ০.০২ শতাংশ কম। এ সময় লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭১৭ কোটি ৮৬ লাখ ডলার।

অর্থবছরের গত ছয় মাসে অন্যান্য প্রধান খাতগুলোর মধ্যে হিমায়িত এবং জীবন্ত মাছ রপ্তানি করে আয় হয়েছে ৩১ কোটি ২৪ লাখ ডলার। এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২২.৫২ শতাংশ বেশি। আর গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৭.১৭ শতাংশ বেশি। কৃষিপণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ৩১ কোটি ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ শতাংশ এবং গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি।

বিজিএমইএ সহসভাপতি মোহাম্মদ নাছির বলেন, একটি ধারাবাহিক ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দিয়েই শেষ হলো ২০১৭ সাল। আমাদের প্রত্যাশা অর্থবছরের বাকি ছয় মাসও এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে। এ জন্য তিনি বিশ্ববাজারে চাহিদা বৃদ্ধি এবং একই সঙ্গে দেশের পোশাক খাতের গ্রিন কারখানা এবং মূল্য সংযোজনী পণ্যে অবদান রয়েছে বলে মনে করেন। ইএবির সভাপতি সালাম মোর্শেদি বলেন, রপ্তানি আয় ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকলেও এতে বেশি উৎসাহিত হওয়ার কিছু নেই। তিনি সরকারের কাছে নীতি সহায়তা প্রণোদনা অব্যাহত রাখা এবং জ্বালানির দাম না বাড়ানোর আহ্বান জানান।


মন্তব্য