kalerkantho


এসএমই খাতে মানসম্মত পণ্য উৎপাদনের তাগিদ

বাণিজ্য ডেস্ক   

৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



এসএমই খাতে মানসম্মত পণ্য উৎপাদনের তাগিদ

জাতীয় অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের অবদান বর্তমানে ৮৫ শতাংশে উল্লেখ করে শিল্পসচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ্ বলেছেন, এ খাতে উৎপাদিত পণ্যের গুণগতমান আরো উন্নত করে ২০২১ সালের আগেই মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। এ লক্ষ্যে তিনি অ্যাক্রেডিটেশন কার্যক্রম জোরদার করে দেশব্যাপী এসএমই খাতে মানসম্মত পণ্য উৎপাদনের তাগিদ দেন।

শিল্পসচিব গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) আয়োজিত ‘সংশোধিত আইএসও/আইইসি ১৭০১১:২০১৭ এবং আইএসও/আইইসি ১৭০২৫:২০১৭ মানবিষয়ক’ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে এ তাগিদ দেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

বিএবির মহাপরিচালক মো. মনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সহিদুল ইসলাম ও একরামুল হক, বিএবির বোর্ড সদস্য প্রকৌশলী মো. লিয়াকত আলী বক্তব্য দেন।

শিল্পসচিব বলেন, বিশ্বায়নের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বর্তমান সরকার দেশীয় শিল্পপণ্যের গুণগত মানোন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে বিএবির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মান অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জাতীয় গুণগত মাননীতি প্রয়ণয়ন করা হয়েছে। এর ফলে দেশে রপ্তানিমুখী বিভিন্ন শিল্প খাত বিকশিত হচ্ছে এবং অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি ২০২১ সালের মধ্যে মধ্য আয়ের, ২০৩০ সাল নাগাদ এসডিজির লক্ষ্য অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন বা মানোন্নয়ন কার্যক্রম জোরদারের পরামর্শ দেন।

বাংলাদেশে পণ্য ও সেবার গুণগত মানসনদ প্রদানকারী টেস্টিং, ক্যালিব্রেশন ও মেডিক্যাল ল্যাবরেটরি, সনদ প্রদানকারী এবং পরিদর্শন সংস্থার দক্ষতা বাড়াতে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে জাতীয়/বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অর্ধশতাধিক পরীক্ষক, অ্যাসেসর ও ল্যাবরেটরি বিশেষজ্ঞ অংশ নেন।


মন্তব্য