kalerkantho


মাংস ব্যবসায়ী সমিতির দাবি

মাংস আমদানি হলে দেশের এই শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



বিদেশ থেকে গবাদি পশুর মাংস আমদানি করা হলে দেশের চামড়াশিল্প, খামারি এবং মাংস ব্যবসায়ীরা ধ্বংস হয়ে যাবে বলে দাবি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতি। গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে সমিতির পক্ষ থেকে এ দাবি করা হয়। ‘গরুর হাটের চাঁদাবাজি, ভারতীয় মাংস আমদানি বন্ধ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তার অপসারণ’ এ তিনটি দাবিতে মাংস ব্যবসায়ীরা সংবাদ সম্মেলন করেন। সমিতির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রবিউল আলম সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

রবিউল আলম বলেন, ‘গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতসহ কয়েকটি দেশ থেকে হিমায়িত মাংস আমদানি করা হয়েছে। কিন্তু ভোক্তাদের কেউ কম দামে মাংস কিনতে পেরেছে কি না আমরা সেটা দেখিনি। ভারতে যে মাংস ১৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে সেটাও এখানে এনে আমাদের মতো দামে বিক্রি হচ্ছে। সুতরাং এটার আসলে কোনো সুফল পাওয়া যাবে না। মাংস আমদানি করা হলে দেশের চামড়াশিল্প, খামাড়ি এবং মাংস ব্যবসায়ীরা ধ্বংস হয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার আমাদের দাবিগুলো নিয়ে আলোচনায় বসুক। গরুর হাটের চাঁদাবাজি বন্ধ করতে উদ্যোগ নেবে, ভারতীয় মাংস আমদানি বন্ধ করবে এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তাকে অপসারণ করতে হবে। এই কর্মকর্তা টাকার জোরে এমন ক্ষমতাশীল হয়ে উঠেছে যে সরকারের সিদ্ধান্তকে পর্যন্ত তোয়াক্কা করছে না। ১০০ টাকার খাজনা সে আদায় করছে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা। ছুরি ঠেকিয়ে এই টাকাটা আদায় করছে। কিন্তু আমরা এর কোনো বিচার পাচ্ছি না।’

এই চাঁদাবাজি বন্ধ হলে সারা দেশে ৪৫০ টাকার মধ্যে মাংস বিক্রি করা সম্ভব হবে বলে ব্যবসায়ীরা দাবি করেন। এর পাশাপাশি মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা থেকে বৈধ পথে গরু আমদানির সুযোগ দিলে মাংসের দাম ২৫০ টাকার বেশি হবে না বলেও দাবি করেন তাঁরা। রবিউল আলম বলেন, ‘এটা স্বীকার করতে দ্বিধা নেই যে আমরা অবৈধভাবেই গরু আমদানি করছি। এতে সীমান্তে প্রতিটি গরুর জন্য ৩০-৩৫ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হয়। সুতরাং বৈধ পথে গরু আমদানি হোক এটা আমরা চাই।’


মন্তব্য