kalerkantho


এফবিসিসিআইয়ের বৈঠক

প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ নীতিমালায় সংশোধন দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



দেশের ৬৭ শতাংশ মানুষের চিকিত্সাসেবা নিশ্চিত করছে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালগুলো। অথচ নানা রকম সমস্যার কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এ খাতের পথচলা। বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ নীতিমালায় বেশ কিছু গরমিল রয়েছে, তাই এ নীতিমালায় সংশোধন করা জরুরি। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের স্বাস্থ্যবিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রথম বৈঠকে এ দাবি করা হয়।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত ফেডারেশন ভবনে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. এ বি এম হারুনের সভাপতিত্বে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভিন্ন বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান এবং এফবিসিসিআই স্বাস্থ্যবিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির ডিরেক্টর ইনচার্জ প্রীতি চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন ডেল্টা মেডিক্যাল কলেজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. সৈয়দ মুকাররম আলী, এনাম মেডিক্যাল কলেজের পরিচালক রওশন আক্তার চৌধুরী, প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা. এ এন এম নওশাদ খান, ইস্ট ওয়েস্ট মেডিক্যাল কলেজের পরিচালক ইকরাম হোসেন বিজু, রংপুর কমিউনিটি মেডিক্যাল কলেজের চেয়ারম্যান নিলু আহসান, প্রত্যয় মেডিক্যাল ক্লিনিকের চেয়ারম্যান নাজমুল হক প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ নীতিমালায় এমন কিছু ধারা উল্লেখ করা হয়েছে, যা যথাযথ মেনে মেডিক্যাল কলেজ পরিচালনা করা খুবই কঠিন। অনেক সরকারি মেডিক্যাল কলেজও এসব ধারা মেনে চলে না। নীতিমালায় বলা হয়েছে, ৫০ জন ছাত্রসংবলিত মেডিক্যাল কলেজের জন্য এক লাখ স্কয়ার ফুট জায়গার কথা বলা হয়েছে; কিন্তু ছাত্রসংখ্যা দ্বিগুণ হলে বা ১০০ জন জায়গাও দ্বিগুণ, অর্থাত্ দুই লাখ স্কয়ার ফুট করতে বলা হয়েছে। এটা মেনে চলা কঠিন। নীতিমালায় এ ধরনের অনেক গরমিল রয়েছে। তাই এগুলো সংশোধন করতে হবে।

সভায় আলোচকরা খসড়া ‘চিকিত্সা সেবা আইন’ এবং ‘বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন ও পরিচালনা’ আইন দুটিকে যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মত করে আইন হিসেবে পাস করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। আলোচকরা বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অন্যান্য খাতের মতো ‘বিশেষ আর্থিক খাত’ গঠনের ওপর জোর দেন। এ ছাড়া তাঁরা দেশের চিকিত্সাব্যবস্থার মান উন্নয়নে ‘অ্যাক্রিডিটেড ল্যাবরেটরি’ সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।

 


মন্তব্য