kalerkantho


শিশুশ্রম নিরসনে কাজ করবে ‘ওয়ার্কিং গ্রুপ’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ জুন, ২০১৮ ০০:০০



শিশুশ্রম নিরসনে কাজ করবে ‘ওয়ার্কিং গ্রুপ’

সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ জন্য ৩৮টি ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুদের প্রত্যাহারের লক্ষ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা এবং দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণের জন্য ২৮৫ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (ডাইফ), শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মহাপরিদর্শক মো. সামছুজ্জামান ভূইয়া।

গতকাল মঙ্গলবার পালিত হয়েছে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ উপলক্ষে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে একটি আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘প্রজন্মের জন্য নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্য’ প্রতিপাদ্যে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ড. আনোয়ার উল্লাহর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, ঢাকা আহছানিয়া মিশন, আইন ও সালিশ কেন্দ্র, বিলস, অপরাজেয় বাংলাদেশ প্রতিনিধিরা।

সামছুজ্জামান ভূইয়া বলেন, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ইতিমধ্যে  তৈরি পোশাকশিল্প ও চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে শতভাগ শিশুশ্রম মুক্ত করা হয়েছে। ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে শ্রম মন্ত্রণালয় ২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রম নিরসনে সম্প্রতি নতুন করে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী জাতীয় পর্যায় থেকে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে শিশুশ্রম নিরসনে কমিটি কাজ করছে।

শিশুশ্রম নিরসণের লক্ষ্যে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ড. আনোয়ার উল্লাহর নেতৃত্বে শ্রমিক, মালিক, সরকার, সুধীসমাজ এবং বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি ‘ওয়ার্কিং গ্রুপ’ করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সালমা আলী বলেন, শিশুশ্রম বন্ধের কমিটমেন্ট শিশু শ্রমিকদের পরিবার থেকে আসতে হবে। এ জন্য শিশু শ্রমিকদের পরিবারকে শিশুশ্রম বন্ধে উদ্বুদ্ধকরণ করতে হবে।

 


মন্তব্য