kalerkantho


ভোলা যুবদল : নেতৃত্বে সেই পুরনো মুখ

ভোলা প্রতিনিধি   

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



ভোলায় বিএনপির অন্দোলন-সংগ্রামের প্রাণশক্তি হিসেবে পরিচিত জেলা যুবদল। কিন্তু নেতাদের দ্বন্দ্বের কারণে নানা ভাগে, উপভাগে বিভক্ত সংগঠনটি দুর্বল হয়ে পড়েছে। জেলা যুবদলের দুই বছরমেয়াদি কমিটি ২০০৫ সালে অনুমোদিত হয়। এরপর ১৩ বছরেও নতুন কমিটি হয়নি। এরই মধ্যে ২০১৫ সালে ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি প্রস্তুত করা হলেও কেন্দ্রীয় নেতাদের মতবিরোধে তা অনুমোদন পায়নি। পদ-পদবি নিয়ে দ্বন্দ্বে নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও মামলা হয়েছে।

জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরব বলেন, ‘অনেক বাধাবিঘ্ন ছিল, তাই (ভোলা জেলা যুবদলের) নতুন কমিটি করতে পারিনি। এখন ভোলা জেলাসহ অনেক কমিটি নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি।’ ভোলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে কোনো প্রেস ব্রিফিং দিইনি, তাই কমিটির বিষয়ে বলার কিছু নেই।’

শিগগিরই ভোলা জেলা যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হবে—প্রত্যয় ব্যক্ত করে জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম নবী আলমগীর বলেন, ‘এখনো কেন্দ্র থেকে কমিটি ছাড়েনি (অনুমোদন হয়নি)। তাই দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে অনেক ব্যাঘাত ঘটছে।’

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ ট্রুমেন বলেন, ‘আগে (যুবদলের) কমিটি ছিল। তারপর আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এটি সেন্ট্রাল কমিটির সবার মনঃপূত হয়নি। তাই আমরা চাইছি সবার সঙ্গে সমন্বয় করে আগামী দিনে একটি সুন্দর কমিটি উপহার দিতে।’

২০০৪ সালের ভোলা জেলা যুবদল কমিটির সভাপতি ইয়ানুর আলম লিটন বলেন, ‘আমার কমিটি অনুমোদনের পর আর কোনো কমিটি জেলা যুবদলের হয়নি। কেন্দ্রীয় নেতারা আমাকে স্ব-অবস্থানে (পদে) থেকে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। এর মধ্যে কোনো আহ্বায়ক কমিটি হলে আমি কেন্দ্রীয় দাপ্তরিক চিঠি পেতাম। আট মাস আগে আমাকে রানিং প্রেসিডেন্ট (কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি) চিঠি দিয়ে আগামী কমিটি প্রকাশ না করা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে বলেছেন।’

সাবেক আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন লিটন বলেন, ‘ভোলা যুবদল কমিটিতে আমি এখন সভাপতি পদপ্রার্থী ও সদর উপজেলা যুবদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। আহ্বায়ক কমিটি কেন্দ্রে অনুমোদন দেয়নি, তাই অনুমোদনহীন কমিটির পরিচয় দিয়ে নিজেকে খাটো করতে চাই না।’



মন্তব্য