kalerkantho


বড় দুই দলের শক্তি সমান পার্থক্য হবে প্রার্থীতে

রফিকুল ইসলাম, এস এম মঈনুল ও আজিম হোসেন, বরিশাল   

৭ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



বড় দুই দলের শক্তি সমান পার্থক্য হবে প্রার্থীতে

সন্ধ্যা নদীতীরের উপজেলা উজিরপুর আর বানারীপাড়া। এই দুই উপজেলা নিয়েই বরিশাল-২ আসন। উজিরপুরের প্রায় অর্ধেকটাই বিল এলাকা। চারটি ইউনিয়নই পড়েছে এ এলাকায়। সেখানকার বেশির ভাগ বাসিন্দাই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। ভোটের পরিসংখ্যান বলছে, সেখানে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকও বেশি। আবার পৌর এলাকাসহ অন্য পাঁচ ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থীরা ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে থাকেন। তবে বানারীপাড়ায়  ভোটের শক্তিতে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সমানে সমান। এসব বিবেচনায় প্রতীক বিবেচনায় ভোটের মাঠে বড় দুই দলের কোনোটিই খুব একটা সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। এ আসনে জয়-পরাজয়ের বিষয়টি নির্ভর করে প্রার্থী নির্বাচনের ওপরও। জয়ের ক্ষেত্রে দলীয় সমর্থনের পাশাপাশি ব্যক্তি ভাবমূর্তিও এখানে বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

নৌকা প্রতীকের কারণে আওয়ামী লীগ নেতা তালুকদার মো. ইউনুস এ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন; যদিও তাঁর বাড়ি বরিশাল-১ নির্বাচনী এলাকার গৌরনদীতে। এর আগে ২০০৮ সালে বিএনপির এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুকে প্রায় ১২ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের মনিরুল ইসলাম মণি। সংসদীয় আসন পনর্গঠনের আগে এখান থেকে ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন, জাতীয় পার্টির (জেপি) গোলাম ফারুক অভি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল নির্বাচিত হয়েছেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এ আসন ঘিরে চমকের আভাস দিয়েছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শীর্ষ পদের নেতারা। আর চমকের নেপথ্যে রয়েছেন সাবেক এক সংসদ সদস্য।

মনোনয়ন চাইছেন যাঁরা : জাতীয় সংসদের ১২০ নম্বর নির্বাচনী এলাকা উজিরপুর-বানারীপাড়ার দিকে আওয়ামী লীগ-বিএনপির পাশাপাশি জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাসদের নজর রয়েছে। আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা মনোনয়নের ব্যাপারে ব্যাপক আগ্রহী। এ লড়াইয়ে সাবেক সংসদ সদস্য থেকে শুরু করে দলের প্রভাবশালী নেতারাও রয়েছেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস, প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআইবি) চেয়ারম্যান ও জাতীয় দৈনিক সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম মণি, সাবেক ছাত্রনেতা শাহে আলম। ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় আরো রয়েছেন শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের দৌহিত্র ফাইয়াজুল হক রাজু, বানারীপাড়ার তিনবারের উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক, বর্তমান মেয়র সুভাষ চন্দ্র শীল।

পিআইবির চেয়ারম্যান ও দৈনিক সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে পারেন। তিনি প্রকাশ্যে মনোনয়ন না চাইলেও প্রধানমন্ত্রী তাঁকে পছন্দ করেন। ব্যক্তি ভাবমূর্তির কারণেও তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতেও পারেন। সে ক্ষেত্রে বর্তমান সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুসকে বরিশাল সদর আসনে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে।



অন্যদিকে এ আসনে বিএনপির একাধিক নেতা মনোনয়ন চাচ্ছেন। তাঁরা হলেন ২০০৮ সালের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, অ্যাডভোকেট শাহ খসরুজ্জামান, সাংবাদিক নেতা ইলিয়াস খান। এর বাইরে তৃণমূল থেকে প্রার্থী হিসেবে জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে সাবেক সংসদ সদস্য ও হুইপ শহীদুল হক জামালের নাম। এরই মধ্যে তিনি নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন; যদিও ঠিক কোন দল থেকে তিনি মনোনয়ন চাইবেন, সেটি নিশ্চিত নয়। তাঁর অনুসারী দলীয় নেতাকর্মীরা এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর বিরোধিতা করছে।

এ ছাড়া মনোনয়ন চাইছেন এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির যুব সংগঠন জাতীয় যুব সংহতির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির রফিকুল ইসলাম সুজন, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মাওলানা  নেছারউদ্দিন।

পিছিয়ে নেই কেউ : এ আসনে কোনো দল কখনোই একক আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি। নব্বই-পরবর্তী ছয়টি নির্বাচনে বিএনপি-আওয়ামী লীগের পাশাপাশি ওয়ার্কার্স পার্টি, এমনকি জেপির (মঞ্জু) নেতারাও নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯১ সালে এ আসনে সংসদ সদস্য হন ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন (বর্তমান সমাজকল্যাণমন্ত্রী)। ১৯৯৬-এ সবাইকে অবাক করে দিয়ে জেপির প্রার্থী সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম ফারুক অভি নির্বাচিত হন। বিএনপির সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল তাঁর কাছে হেরে যান; যদিও পরের দফায় অভির অনুপস্থিতিতে আলাল বিজয়ী হন।

২০০৮ সালের নির্বাচনে রাশেদ খান মেনন ও সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ঢাকা থেকে অংশ নেন। মামলার কারণে গোলাম ফারুক অভি রয়েছেন দেশের বাইরে। এই পরিস্থিতিতে ২০০৮ সালে বিএনপির এস সরফুদ্দিন সান্টুকে প্রায় ১২ হাজার ভোটে হারিয়ে সংসদ সদস্য হন আওয়ামী লীগের মনিরুল ইসলাম মণি। এর আগে তিনি পরপর দুইবার সংসদ সদস্য ছিলেন জাতীয় পার্টি থেকে। নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁকে আর মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হন তালুকদার মো. ইউনুস।

আওয়ামী লীগ : দশম সংসদ নির্বাচনে কম আলোচিত এক প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হলেও শুরু থেকেই তালুকদার মো. ইউনুসের সমালোচনা হচ্ছিল বহিরাগত বলে। বরিশাল-২ আসনে সংসদ সদস্য হলেও তাঁর বাড়ি বরিশাল-১ নির্বাচনী এলাকার গৌরনদীতে। যদিও ২০০৮ সালে ওই (বরিশাল-১) আসন থেকে সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবেক ছাত্রনেতা শাহে আলমকে প্রথমে মনোনয়ন দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। পরে অবশ্য অজ্ঞাত কারণে দেওয়া হয় ইউনুসকে।

একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রবীণ সাংবাদিক ও সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী চাইলে নির্বাচন করব। কারণ আমাদের পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘকাল ধরে যুক্ত। বাবা মরহুম গোলাম কুদ্দুস মোল্লা বানারীপাড়া ইউনিয়ন বোর্ডের দীর্ঘকাল প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ছোট ভাই গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা প্রায় ১৯ বছর বানারীপাড়া পৌরসভার নির্বাচিত মেয়র ছিলেন। এখন তিনি বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। আমি মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকার সুবাদে সংসদীয় আসনের নেতাকর্মীদের সব সময় পাশে থেকেছি। সময়-অসময়ে তারা আমার থেকে সব ধরনের সহযোগিতা পেয়ে আসছেন। আগামী দিনেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।’

তালুকদার মো. ইউনুস কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমার বাড়ি কোথায়, সেটা বড় কথা নয়। তার চেয়ে খুঁজে দেখুন আমি উজিরপুর-বানারীপাড়ায় কী উন্নয়ন করেছি। আমার প্রচেষ্টায় মাদক, সন্ত্রাস আর দুর্নীতিমুক্ত হিসেবে বরিশাল-২ আসনটি এখন একটি রোল মডেল। সেখানকার সাধারণ মানুষ আমায় অপছন্দ করে কি না। বিশেষ সুবিধা না পেয়ে গুটিকয়েক ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধাচরণ করছে। তাঁদের কেউ আমার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অন্যায়-দুর্নীতির অভিযোগও করতে পারবে না।’

সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম মণি বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনবার নির্বাচিত হয়েছি। আশির দশক থেকেই সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত রয়েছি। আসনের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে জনগণ কী চায় তা আমি বুঝি। তাদের সবার চাওয়া একটাই—এই মাটির কেউ হোক সংসদ সদস্য।’

বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তৃণমূলের সহযোগিতায় পরপর তিনবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। দলীয় নেতাকর্মীরা চাচ্ছেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। আমার রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং দলীয় সভানেত্রী যা সিদ্ধান্ত দেবেন তা-ই আমি মেনে নেব।’

ফাইয়াজুল হক রাজু বলেন, ‘রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম আমার। তাই ছোট থেকেই স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ আছে। এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীও অবগত। সেই সুবাদে দলীয় মনোনয়ন পেতে পারি। মনোনয়ন পেলে এ আসনটি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেব।’

বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুস দলের নেতাকর্মীদের সংঘটিত করার চেষ্টা করছেন; যদিও দুই উপজেলার শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা তাঁর বিরোধিতা করছেন। আমার বিশ্বাস, দলীয় মনোনয়ন পেলে নৌকার দিকে তাকিয়ে তাঁরা বিরোধ ভুলে গিয়ে ইউনুসের পক্ষেই কাজ করবেন।’

জোটের শরিক দল : ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘১৪ দল জোটবদ্ধ নির্বাচন না করলে বরিশাল-২ আসন থেকে ওয়ার্কার্স পার্টিও প্রার্থী দেবে। দলের হাইকমান্ড থেকে সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।’

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সহদপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি রয়েছে। তবে জোট ও দলের সিদ্ধান্তের ওপর সব কিছু নির্ভর করে।’

বিএনপিতে সাবেক-বর্তমান দ্বন্দ্ব : ২০০৮ সালে বিএনপির এস সরফুদ্দিন সান্টু প্রায় ১২ হাজার ভোটে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে হেরে যান। তবে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে দলীয় মনোনয়নের ক্ষেত্রে তিনি এগিয়ে আছেন। দানবীর হিসেবেও পরিচিত তিনি। এর আগে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৪৮০ ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কাছে হেরে যান তিনি। কিন্তু হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করতে পারায় সান্টুর ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে উঠেছে; যদিও বানারীপাড়ায় বিএনপির একটি অংশ তাঁর বিরোধিতা করছে। তারা সাবেক হুইপ শহীদুল হক জামালের সমর্থক।

সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু বলেন, ‘২০০৮ সালে যারা বিএনপির দলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রচার চালায়নি, তাদের দল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের মতো কিছু ব্যক্তি একত্র হয়ে ঢাকায় বসে আমার বিরোধিতা করছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘বিএনপির মতো বিশাল একটি দলে সবার মত যে একই থাকবে, সেটা সম্ভব নয়। তবে আমি মনে করি, আগামী নির্বাচন যেহেতু আমাদের অস্তিত্বের প্রশ্ন, তাই  ভোটের সময় সবাই ধানের শীষের দিকেই তাকাবে। তখন আর প্রার্থীর বিষয়টি মুখ্য থাকবে না।’

সাবেক হুইপ শহীদুল হক জামাল বলেন, ‘আসছে নির্বাচনে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। আমার প্রার্থিতা নিয়ে চমক থাকছে।’ অবশ্য চমকের রহস্য খোলাসা না করে তিনি বলেন, ‘সব রহস্যই যদি খোলাসা হয়ে যায়, তাহলে  শেষ চমক বলে তো আর কিছুই থাকবে না। এর জন্য একটু অপেক্ষায় থাকতে হবে ভোটারদের। আমার ভোটব্যাংক রয়েছে। সেই ভোটব্যাংকের সঙ্গে মনোনয়ন নিয়ে চমক যুক্ত হলে আসনটিতে জয় প্রায় নিশ্চিত। তা ছাড়া জনগণ চাইছে আমি নির্বাচনে অংশ নিই।’ 

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সাবেক হুইপ শহীদুল হক জামাল সংস্কার ইস্যুতে দলের থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন। ফলে এ আসনে প্রার্থী নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছিল। ২০০৮ সালের নির্বাচনে সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করায় সেই সংকট কেটে গেছে। বিগত দিনের চেয়ে ওই আসনটিতে বিএনপির অবস্থান খুবই ভালো। ভালোর নেপথ্যের নায়ক সান্টুই পুরস্কার হিসেবে আসছে নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন।’


মন্তব্য