kalerkantho


ডিএমপিএতে এইচআইভি ঝুঁকি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



ডিএমপিএতে এইচআইভি ঝুঁকি

ডেপট-মেড্রোজাইপ্রোজেস্টেরন অ্যাসিটেট বা ডিএমপিএ জন্ম নিয়ন্ত্রণের একটি পদ্ধতি। সম্প্রতি এক দল বিজ্ঞানী দাবি করেছেন, জন্ম নিয়ন্ত্রণে এই পদ্ধতি প্রয়োগের ফলে এইচআইভিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটা বেড়ে যায়। এ জন্য ডিএমপিএ বাদ দিয়ে সহজলভ্য অন্য কোনো পদ্ধতি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ডিএমপিএ সাধারণত ইনজেকশনের মাধ্যমে হাতের ওপরের অংশে কিংবা নিতম্বে প্রয়োগ করা হয়। এটি শরীরে এক ধরনের হরমোনের নিঃসরণ ঘটায়, যেটি নারীদের ক্ষেত্রে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণুকে অবমুক্ত হতে দেয় না। অন্যদিকে এই হরমোন পুরুষদের গলদেশের মিউকাস স্তরকে সংকুচিত করে ফেলে, যাতে শুক্রাণুর সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায়।

এই ডিএমপিএ পদ্ধতি নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ইউনিভার্সিটি অব কেপটাউনের এক দল বিজ্ঞানী। তাঁদের গবেষণা প্রতিবেদনটি ছাপা হয়েছে ‘এন্ডোক্রাইন রিভিউস’ সাময়িকীতে। তাতে বিজ্ঞানীরা বলেছেন, অন্যান্য জন্ম নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতিতে যে প্রজেসটিন আছে, সেটি থেকে ডিএমপিএর প্রজেসটিন আলাদা। এটি জেনিটাল কোষের মধ্যে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মতো কাজ করে। এর ফলে কোষ খুব সহজেই এইচআইভিতে আক্রান্ত হতে পারে। এ ছাড়া এটি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকেও দুর্বল করে দেয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই পদ্ধতি প্রয়োগের ফলে এইচআইভিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।


মন্তব্য