kalerkantho


৭ নম্বরের সেরা সাত

১২ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



৭ নম্বরের সেরা সাত

পেলে, ম্যারাডোনা, জিদান, মেসিদের জন্য ফুটবলে ১০ নম্বর জার্সির আবেদন অন্য রকম। স্ট্রাইকারদের জন্য বিখ্যাত ৯ নম্বর। পাশাপাশি কদর আছে ৭ নম্বরেরও। এই জার্সিতে পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। এবারের বিশ্বকাপে কেমন করলেন ৭ নম্বর জার্সির খেলোয়াড়রা? দেখে নেওয়া যাক সেরা সাতজনের পারফরম্যান্স।

আন্তোয়ান গ্রিয়েজমান (ফ্রান্স) : গত ইউরোয় ছয় গোল করে জিতেছিলেন গোল্ডেন বুট। টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কারও আন্তোয়ান গ্রিয়েজমানের। ফ্রান্স এবার চ্যাম্পিয়ন হলে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়েরও অন্যতম দাবিদার হবেন এই ফরাসি। ফ্রান্সকে ফাইনালে আনার পেছনে গোল তিনটি। শেষ ১৬-তে আর্জেন্টিনা আর কোয়ার্টার ফাইনালে উরুগুয়ের বিপক্ষে করেছিলেন একটি করে গোল। এর আগে গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও গোল করেছিলেন একটি। গত পরশু সেমিফাইনালে তাঁর কর্নারে মাথা ছুঁইয়ে লক্ষ্যভেদ স্যামুয়েল উমতিতির।

কেভিন দে ব্রুইন (বেলজিয়াম) : ১৯৮৬ বিশ্বকাপের পর বেলজিয়ামের সেমিফাইনালে পৌঁছানোর অন্যতম নায়ক কেভিন দে ব্রুইন। বিশ্বকাপে তাঁর সেরা ম্যাচ ব্রাজিলের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল। নেইমার, কৌতিনিয়ো, হ্যাজার্ড, লুকাকুদের ভিড়ে নজর কেড়েছেন আলাদাভাবে। তাঁর বুলেট শটের গোলে বিরতির আগে বেলজিয়াম এগিয়ে যায় ২-০ ব্যবধানে। ম্যাচটি বেলজিয়ামের মুঠোয় চলে আসে তাতে। এ ছাড়া জাপানের বিপক্ষে তাঁর ডিফেন্সচেরা পাস থেকেই ইনজুরি টাইমে তৃতীয় গোল পায় বেলজিয়াম।

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল) : বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গ্রুপ পর্বে মাতিয়েছিলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। শুরুটা স্পেনের বিপক্ষে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে। টানা চার বিশ্বকাপে গোল করে পাশে বসেন পেলে, উই শিলার ও মিরোস্লাভ ক্লোসার। সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিকের রেকর্ড হয় পর্তুগিজ যুবরাজের। মরক্কোর বিপক্ষে তাঁর গোলেই জয় পর্তুগালের। ইরানের সঙ্গে পেনাল্টি মিস না করলে পর্তুগাল হতে পারত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন। সেটা হয়নি। উরুগুয়ের কাছে হেরে খুব সম্ভবত শেষ বিশ্বকাপটা খেলে ফেললেন রোনালদো।

ইভান রাকিটিচ (ক্রোয়েশিয়া) : ১৯৯৮ সালের পর ক্রোয়েশিয়ার সেমিফাইনালে পৌঁছানোর অন্যতম নায়ক ইভান রাকিটিচ। টাইব্রেকারে শেষ পেনাল্টি নেওয়া এমনিতেই চাপের। সেখানে ডেনমার্কের পর রাশিয়া—নক আউটের দুই ম্যাচেই শেষ শটে গোল করে ক্রোয়েশিয়াকে সেমিফাইনালে পৌঁছে দিয়েছেন রাকিটিচ।

জেস লিনগার্ড (ইংল্যান্ড) : ৬ গোল করে সোনার জুতায় পা প্রায় দিয়েই রেখেছেন হ্যারি কেইন। মাত্র ১ গোল পেলেও বিশ্বকাপজুড়ে দাপটে খেলেছেন লিনগার্ড। তাঁর গতি আর পাসিং মুগ্ধ করা। পানামার বিপক্ষে একমাত্র গোলটিও দর্শনীয়।

ক্রিস্তিয়ান রোদ্রিগেস (উরুগুয়ে) : উরুগুয়ের হয়ে চতুর্থ সর্বোচ্চ ১০৯ ম্যাচ খেলার রেকর্ড ক্রিস্তিয়ান রোদ্রিগেসের। ৩২ বছর বয়সী এই উইঙ্গার যতক্ষণ মাঠে ছিলেন, ভালোভাবে বুঝিয়েছেন নিজের উপস্থিতি।

আহমেদ মুসা (নাইজেরিয়া) : এই বিশ্বকাপের দ্রুতগতির অন্যতম সেরা খেলোয়াড় আহমেদ মুসা। আইসল্যান্ডের বিপক্ষে দুই গোল করে নতুন করে চিনিয়েছেন নিজেকে।



মন্তব্য