kalerkantho


স্বস্তিদায়ক রেলসেবা চাই

১৫ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



স্বস্তিদায়ক রেলসেবা চাই

বর্তমান সরকার রেলওয়ে সেবাকে জনবান্ধব করার জন্য সব রকম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ঢাকা থেকে মাওয়া, পদ্মা সেতু, ভাঙ্গা, ভাটিয়াপাড়া হয়ে যশোর পর্যন্ত নতুন লাইন স্থাপন, ভাটিয়াপাড়া থেকে টুঙ্গিপাড়া হয়ে মোংলা বন্দর পর্যন্ত নতুন লাইন স্থাপন, ঢাকা ইপিজেড থেকে মানিকগঞ্জ হয়ে পাটুরিয়া ঘাট পর্যন্ত নতুন লাইন স্থাপন, সেখান থেকে পদ্মা নদী পার হয়ে গোয়ালন্দ ঘাটের পুরনো লাইন দিয়ে ভাটিয়াপাড়া হয়ে মোংলা বন্দর পর্যন্ত সংযোগ স্থাপন।

ভাঙ্গা থেকে বরিশাল পর্যন্ত নতুন লাইন স্থাপন। ঢাকা-চট্টগ্রাম সিঙ্গেল লাইনকে ডুয়াল গেজ ডাবল লাইনে রূপান্তর, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার নতুন লাইন স্থাপন। নারায়ণগঞ্জ থেকে লাকসাম পর্যন্ত নতুন লাইন, খুলনা থেকে মোংলা পর্যন্ত নতুন লাইন স্থাপনের পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে। এর মধ্যে অনেক লাইনের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। এ ছাড়া অতীতে বন্ধ হয়ে যাওয়া সব লাইন চালুসহ দেশের সব জেলাকে রেল সংযোগের আওতায় আনারও পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমান চালু লাইনগুলোর সেবাকে আধুনিক ও গতিশীল করার জন্য নতুন নতুন ক্যারেজ ও লোকোমোটিভ আমদানিসহ বিভিন্ন রুটে আরামদায়ক ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। গত এক-দেড় বছরের মধ্যে বিভিন্ন রুটে এক ডজনেরও বেশি নতুন ট্রেন চালু করা হয়েছে।

এত কিছুর পরও রেলওয়ের কিছু কর্মকর্তার উদাসীনতার কারণে মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না। উদাহরণস্বরূপ ঢাকা-কলকাতা রুটের ট্রেনের টিকিটে কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজারের ফোন নম্বর দেওয়া থাকলেও নম্বরটি সব সময়ই বন্ধ থাকে।

কমলাপুর স্টেশনের বিটিসিএল (ল্যান্ড) ফোনও কেউ রিসিভ করেন না। কমলাপুর স্টেশনের বেশির ভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারীর আচরণও সন্তোষজনক নয়। আশা করি, কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

শেখ ফরিদ আহমেদ

বারিধারা, ঢাকা।


মন্তব্য