kalerkantho


মতামত দিতে গিয়েই লিখতে শিখেছি

১০ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



হাঁটি হাঁটি করে প্রথম শ্রেণির পত্রিকা কালের কণ্ঠ অষ্টম বর্ষ শেষ হয়ে নবম বর্ষে পদার্পণ করছে। পত্রিকার বুথে গিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করার স্বভাব আমার। নতুন পত্রিকা এসেছে শুনেই হাতে তুলে নিয়েছিলাম। সেই দিন থেকে আজও পাঠক হয়েই আছি। ২০১০ সালে পত্রিকাটি প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই এর লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত। সমসাময়িক বিষয়ে মতামত দিতে গিয়ে শিখেছি অনেক কিছু। আসলে নতুন লেখকদের জন্য এই মতগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মতামতের এই লেখা থেকেই শিখেছি কলাম লেখা। এ জন্য কৃতজ্ঞ কালের কণ্ঠ’র কাছে।  একজন সাধারণ পাঠক হিসেবে প্রতিবছর প্রিয় পত্রিকার কাছে প্রত্যাশা বেড়ে যায়। চাওয়ার কিন্তু শেষ নেই, তবে দেওয়ার শেষ আছে। প্রথম দিকে সপ্তাহে এক দিন ‘নারী পাতা’ বের হতো। এরপর বন্ধ হয়ে যায়। জানি সব পাতায় নারীরা লিখতে পারছে, তবুও বিশেষ কিছু লেখা আছে, যার জন্য পাতাটা খুব প্রয়োজন। সাহিত্য পাতা, ছোটদের পাতা খুবই ভালো লাগে। ছোটগল্পের জন্য একটি বিভাগ থাকলে ভালো হতো। নতুন লেখকরা সেখানে লিখতে পারত। লিখলেই শুধু লেখক হওয়া যায় না, লেখকের লেখা প্রকাশিত হলেই তার উৎসাহ বাড়ে। লেখার জন্য পড়তে হবে অনেক, সেই পড়ার জায়গাটা পত্রিকা থেকে পাওয়া যায়। সম্পাদকীয় বিভাগের লেখাগুলোর নিয়মিত পাঠক আমি। শুক্রবার বিশেষ ব্যক্তির সাক্ষাৎকার পড়ে তাঁদের সম্পর্কে অনেক কিছু অবগত হওয়া যায়। ভালো লাগে বিষয়টি। প্রতিবছর বর্ষপূর্তি সংখ্যা বের করে পত্রিকাটি। এটাও ভালো লাগে ভীষণ। প্রত্যাশা বেড়ে যাচ্ছে যেমন, প্রাপ্তিও হচ্ছে। তবুও আরো প্রত্যাশা কালের কণ্ঠ ‘কালোকে কালো সাদাকে সাদা বলবে, সত্য বলতে পিছপা হবে না’। আরো আরো সাফল্য কামনা করছি পত্রিকার।

রহিমা আক্তার মৌ, তেজগাঁও, ঢাকা।


মন্তব্য