kalerkantho


কাগজটি আরো সুন্দর ও সাবলীল হোক

৬ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



আমরা যারা এ পত্রিকার সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়িত, তাদের জন্য এটি একটি গর্বের বিষয় বটে। অষ্টম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কালের কণ্ঠ পরিবারকে ভালোবাসা অফুরান। পত্রপত্রিকা একটি জাতির মনন গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আগে অনেক পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছে, তবে কালের কণ্ঠ’র মতো এত দ্রুত জনপ্রিয় হয়নি কোনো পত্রিকা। পত্রিকাটির সব পৃষ্ঠার ডিজাইন বেশ নজরকাড়া। একই সঙ্গে পড়ালেখা পাতা, রাশিফল, খেলার পাতা, ফিটনেস, দেশকে জানো বিশ্বকে জানো, রংবেরং, আরো অনেক মজাদার বিষয় প্রকাশ করে, যা কোটি কোটি পাঠককে মুগ্ধ করে। কালের কণ্ঠ এখন আর কারো একার সম্পদ নয়, এটি পুরো দেশবাসীর সংবাদপত্র। কাগজটি এখন প্রথম শ্রেণির জাতীয় দৈনিক পত্রিকা। আজকাল দেখা যাচ্ছে গ্রামবাংলার মানুষের কাছেও এটি সমান জনপ্রিয়। যেভাবে গণমানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে লিখে যাচ্ছে, তাতে আমরা অজানা অনেক কিছুই জানতে পারছি। শিক্ষিত মানুষের জন্য সকালে এক কাপ চায়ের সঙ্গে একটি ভালো মানের পত্রিকা খুব প্রয়োজন। সেটা কালের কণ্ঠ পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে। মানুষের অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা, শিক্ষা ও মৌলিক অধিকারের বিষয়ে কাজ করা এবং স্বাধীনতার মূলস্তম্ভের ওপর আত্মনিয়োগ করাই হোক আগামী দিনের কালের কণ্ঠ’র মূল লক্ষ্য। আমাদের দেশের শিক্ষাকে এমনভাবে জাতির সামনে তুলে ধরা হোক, যাতে শিক্ষিত যুবসমাজ অনুপ্রাণিত হয়। কালের কণ্ঠ সমাজে অন্যায়, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, অবিচার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আরো সোচ্চার হোক, ভবিষ্যতে এটা আমরা চাই। তবে ইদানীং একটি ব্যাপার খুব খারাপ লাগে, বেশি মাত্রায় বিজ্ঞাপন দেখলে। আমরা ভবিষ্যতে যা আরো বেশি পেতে চাই, তা হলো অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। যাঁরা জীবনে সাহসী ভূমিকা রেখে চলেছেন, তাঁদের সম্পর্কে জানতে চাই, জানতে চাই দেশের দুর্নীতির খবর। কখন কোথায় কী হয়, সব যেন তুলে ধরা হয় কালের কণ্ঠে। ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি গণমানুষের বন্ধু হয়ে পথচলা শুরু করেছিল, আজও সগৌরবে চলছে, ভবিষ্যতেও চলবে। সবার মিলিত প্রয়াসে এগিয়ে যাক আমাদের সবার প্রিয় কালের কণ্ঠ—এ প্রত্যাশা আমাদের সবার। শুভ জন্মবার্ষিকী কালের কণ্ঠ।

 

সাবিনা সিদ্দিকী শিবা

ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ।


মন্তব্য