kalerkantho


অনিয়ম রোধে টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে

২০ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



শিক্ষা পণ্যে পরিণত হয়েছে। একটি অসম আর্থসামাজিক ব্যবস্থায় শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সব ক্ষেত্রেই মূল্যবোধের অবক্ষয় দেখা দেয়। এরই প্রতিফলন শিক্ষা ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ বা এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার অধীনে মানদণ্ড পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার প্রক্রিয়া অবশ্যই থাকা উচিত।

সব ক্ষেত্রে যেভাবে তদারকিবিহীন ব্যাঙের ছাতার মতো বেসামাল স্কুল, কোচিং সেন্টার খুলে শিক্ষা দেওয়া ব্যবসার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তা অবশ্যই রোধ করা দরকার। ডাক্তাররা যেমন বর্তমানে সরকারি হাসপাতালে চাকরি করে বেতন নেন ঠিকই, কিন্তু চিকিৎসা দেন প্রাইভেট ক্লিনিকে। তেমনি যেন শিক্ষকদেরও লক্ষ্য অতি মুনাফা অর্জনের জন্য কোচিং সেন্টারের দিকে। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অনেক নামিদামি স্কুল-কলেজে ভর্তির সময় ও ফরম পূরণের সময় ছাত্রদের থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় করা হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি স্কুল কর্তৃপক্ষ এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে টিউশন ফি বাবদ ছয় হাজার ৮০০ টাকা দাবি করেছে। এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ফেব্রুয়ারি মাসের ১ তারিখে, সেখানে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের টিউশন ফি আদায় করা কর্তৃপক্ষের পক্ষে কতখানি যৌক্তিক? এভাবে আমাদের শিক্ষা খাতে চলছে অসংখ্য অনিয়ম ও দুর্নীতি। ছাত্রদের সব অভিভাবক আর্থিকভাবে সচ্ছল এমন তো নয়? এই অনিয়মগুলো জরুরি ভিত্তিতে দূর করার জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করা যায় কি না তা সরকার ভেবে দেখতে পারে।

 

কাজী আক্তার

মাইজভাণ্ডার, চট্টগ্রাম।   


মন্তব্য