kalerkantho


রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ চাই না

২০ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



বৈষম্যমূলক শিক্ষাব্যবস্থা ও বেতনবৈষম্য নিয়ে যখন দেশের গোটা বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষিকা আন্দোলন করছিলেন তখন কর্তৃপক্ষ থেকে ঘোষণা এলো যে প্রতি উপজেলায় একটি করে বালক ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করা হবে। পরে রাজনৈতিক বিবেচনায় কলেজটিকে জাতীয়করণ করা হয়েছে। তবে উপজেলা হেডকোয়ার্টার ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হয়েছে কি না জানি না।

আসলে গোটা শিক্ষাব্যবস্থাকেই জাতীয়করণ করা উচিত। উপজেলা হেডকোয়ার্টার পর্যন্ত একটি সীমাবদ্ধতা আছে। আর উপজেলা হেডকোয়ার্টার ছাড়া বাইরে সীমাহীন! উপজেলা হেডকোয়ার্টারের বাইরে কোনো মুরব্বির সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করলে সমালোচিত হতে হবে। আর উপজেলা হেডকোয়ার্টার পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থেকে মানের ক্রমানুসারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করলে কেউ কিছু বলতে পারবে না।

শিক্ষার প্রতিযোগিতাও বাড়বে। উপজেলা হেডকোয়ার্টার ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করার পদক্ষেপ স্থগিত রেখে উপজেলা হেডকোয়ার্টারের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নীতি অনুযায়ী মানের ক্রমানুসারে সিনিয়রিটিভিত্তিক ক্রমান্বয়ে জাতীয়করণ করলে কোনো রকম সমালোচনার সুযোগ থাকবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ কিংবা এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে অবশ্যই একটি মানদণ্ড থাকা উচিত বলে আমি মনে করি।

 

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।


মন্তব্য