kalerkantho


মানদণ্ড অনুসরণ করতে হবে

২০ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এমপিওভুক্তির দাবি আন্দোলনকারী শিক্ষকদের কথা দিয়েছিলেন। বিষয়টি তিনি বিবেচনায় রেখেছেন। নতুন বাজেটের সময় ব্যবস্থা নেবেন। স্কুল, কলেজ সরকারি বা এমপিওভুক্ত করার যে নীতিমালা আছে, তা মেনেই করা হবে। ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করে সরকার। পরে আর করা হয়নি। আমাদের মতো গরিব দেশের মানুষকে সরকার প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করবে—এটাই প্রত্যাশা। তবে কারা কারা এমপিওভুক্ত হবে তার তো একটা নীতিমালা আছে? আমার মতে, আমাদের দেশে শিক্ষার মান উন্নত করতে হলে অবশ্যই তাদের এমপিওভুক্ত করা উচিত। কেননা একজন শিক্ষক ক্লাসে পড়ানোর সময় যেন তাঁর পরিবারের ভরণ-পোষণের ব্যাপারে ভাবতে না হয়। তাঁরা যেন তাঁদের সম্পূর্ণ মনোযোগ ছাত্র-ছাত্রীদের দিকে দিতে পারেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সমৃদ্ধ করা ও সুশিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য এমপিওভুক্ত করার বিকল্প নেই। সরকার কিন্তু সব ক্ষেত্রে অঢেল টাকা খরচ করে, তবে যাঁরা মানুষ গড়ার কারিগর তাঁদের বেতনের ব্যাপারে কেন গাফিলতি করে বুঝি না। তাঁদের জীবনমানের উন্নতি ঘটাতে পারলে শিক্ষার মানও উন্নত হবে। বেসরকারি শিক্ষকের বেতন খুবই কম। এমপিভুক্তি এ ক্ষেত্রে স্বস্তি আনবে। আর শিক্ষকদের মান উন্নত না হলে কিছুতেই শিক্ষার মান উন্নত করা সম্ভব নয়। শিক্ষকদের প্রশিক্ষিত করে, নিয়মনীতি মেনে সরকার এমপিওভুক্ত করবে, এটা আমাদের প্রত্যাশা।

 

সাবিনা সিদ্দিকী শিবা

ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ।


মন্তব্য