kalerkantho


নির্বাচনী হাওয়ায় সরল ভাবনা

এ কে এম শাহনাওয়াজ

১৩ জুন, ২০১৮ ০০:০০



নির্বাচনী হাওয়ায় সরল ভাবনা

খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হয়ে গেছে। ঈদের পর প্রথমে গাজীপুর সিটির নির্বাচন। এরপর রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশনে নির্বাচন হবে। বছরের শেষার্ধে জাতীয় সংসদের নির্বাচন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে হাওয়া বেশ ভালোভাবেই বইতে শুরু করেছে। তবে অনেকটা একপক্ষীয় যেন। আওয়ামী লীগের বাইরে মাঝেমধ্যে জাতীয় পার্টির নড়াচড়া দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে প্রতিদিনই বিএনপির কণ্ঠশীলন চলছে, তবে তা নির্বাচনী প্রচারণা নয়—সরকার আর সরকারি দলের প্রতি অভিযোগ আর নানা দুঃখ প্রকাশ। আমাদের দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি কারো অজানা নয়। এই সংস্কৃতি সৃজনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি—সবাই ভূমিকা রেখেছে। সরকারি দল কতটা সুবিধাজনক জায়গায় বসা থাকে, কিভাবে সুযোগের সদ্ব্যবহার করে, বিরোধী পক্ষকে কোণঠাসা করার পদ্ধতি কেমন, তা সব পক্ষেরই জানা। যার যার সময়ে সব পক্ষই কমবেশি এসব কৌশল ব্যবহার করেছে। তাই সব প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে বিরোধী পক্ষ কেমন করে ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সেটিই হচ্ছে আসল কথা। দূরদর্শিতা, আত্মপ্রত্যয়, সাংগঠনিক প্রস্তুতি এবং নেতৃত্বের সক্ষমতার মধ্যেই এই শক্তি লুকিয়ে থাকে। সে পথে না হেঁটে বিএনপি নেতৃত্ব যদি প্রতিদিন ধারাবাহিকভাবে অভিযোগ করতে থাকেন, তবে নির্বাচনের মাঠে এর প্রভাব খুব বেশি পড়বে বলে আমাদের মনে হয় না। এর বড় কারণ, এ দেশের মানুষ সব দলকেই ক্ষমতায় দেখেছে। দলীয় নেতাদের কর্মক্ষমতা ও আচরণও প্রত্যক্ষ করেছে। তাই মানুষকে মন্দের ভালোই খুঁজে নিতে হয়।

নিকট-অতীতে দৃষ্টি ফেরালে কি অনেক কিছু স্পষ্ট হয় না? রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়া ও থাকার জন্য আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি বরাবরই প্রতিদ্বন্দ্বী। ২০০৮ সালে সাধারণ মানুষের হিসাব মিললেও নির্বাচনে ভূমিধস পরাজয় বিএনপির মেনে নেওয়া কঠিন ছিল। তার পরও বাস্তবতা মেনে বিএনপির যেভাবে দল গোছানো ও নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি করা উচিত ছিল, সে পথে খুব একটা হাঁটেনি। কিন্তু সে সময়ে সবচেয়ে বেশি ভুলপথ পরিক্রমণ করেছিল আওয়ামী লীগ। নেতাকর্মীরা অভাবনীয় বিশাল বিজয়ে যতটা আত্মপ্রসাদ লাভ করেছিলেন, তার সিকি পরিমাণ মূল্যায়ন করে দেখেননি তাঁদের বিজয়ের কারণগুলো। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের বিশ্বাস করা উচিত ছিল, বিএনপির কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে একটি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ভোটার বিকল্প না থাকায় আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিল। মহাজোটের নির্বাচনী ইশতেহারে চমকের ফুলঝুরি ছিল, যা আকৃষ্ট করতে পেরেছিল ভোটারকে। যদিও আমাদের ক্ষমতার রাজনীতিকদের আচরণ মানুষের অজানা নয়। তবুও নিরুপায় মানুষের লোভ হয় আশাবাদী হতে। সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় রাজনীতি ও রাজনৈতিক দুর্নীতিবাজদের ওপর যে ঝড় বয়ে গিয়েছিল তাতে রাজনীতিবিদরা এবার শুদ্ধ হবেন। শুদ্ধ ধারার রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলবেন। মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেওয়া আওয়ামী লীগ প্রবল জনসমর্থনের শক্তিতে রাজনীতিকে পরিশুদ্ধের পথে নিয়ে যাবে। মহাজোটের ‘দিন বদলে’র স্লোগানটিকে তাই মানুষ বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্য, আমাদের এমন প্রবল জনসমর্থনের শক্তিকে তেমন আমলে নেননি সে পর্বের আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব। উপরন্তু বিশাল সমর্থন পেয়ে যেন আত্ম-অহংকার বেড়ে গিয়েছিল। কল্পতরুর মগডালে উঠে গিয়েছিলেন নেতারা।

ক্ষমতায় এসে শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের সরকার সুশাসন প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সততা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছিল। আমলাতন্ত্রের ভেতরকার দুর্নীতির আরো বাড়বাড়ন্ত হয়েছিল তখন। নগরবাসী থেকে শুরু করে দেশবাসীকে সেবা প্রদানকারী সরকারি সংস্থাগুলোয় ঘুষ-দুর্নীতি অনেক বেশি প্রকাশ্য হতে থাকে। তিতাস, ওয়াসা, বিদ্যুৎ, জমি কেনাবেচা, নামজারি, হোল্ডিং ট্যাক্স—সব প্রতিষ্ঠানেই সেবাপ্রত্যাশী সাধারণ মানুষ ঘুষ-সন্ত্রাসীদের হাতে বিপর্যস্ত। প্রশাসনে কঠিন দলীয়করণ, রাজনৈতিক দুর্নীতি-সন্ত্রাস ও সরকারি প্রশ্রয়ে দলীয় সন্ত্রাসীদের আজদাহা হয়ে যাওয়া ইত্যাদি ক্রমবর্ধমান অপকর্মের কারণে সাধারণ মানুষের চোখে সরকার অনেক বেশি হেয় হয়ে পড়েছিল। এসবের পরিপ্রেক্ষিতে জন্ম দিয়েছিল শেয়ারবাজার ও হলমার্ক কেলেঙ্কারি।

দেশবাসীর এসব কষ্ট লাঘবের জন্য সরকার ও সরকারি দল তখন তেমন আন্তরিকতা দেখাতে পারেনি। বরং কল্পতরুর চূড়ায় বসে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা বক্তৃতা-বিবৃতিতে প্রতিনিয়ত অসহিষ্ণু আচরণ করতে থাকেন। সুধীসমাজের সমালোচনা থেকে পথনির্দেশ না নিয়ে দারুণ হামবরা শব্দে তাঁদের মুণ্ডুপাত করছিলেন প্রতিনিয়ত। এসব আচরণ দেখে সচেতন মানুষ আশঙ্কার সঙ্গে লক্ষ করে সরকারি দল ও সরকার যেন ইতিহাস আবর্তনের সত্য ভুলে গেছে। সাধারণ মানুষ যেমন সমর্থন দিতে জানে, তেমনি সমর্থন তুলে নিতেও জানে। ক্ষমতায় থাকলে যেন অন্ধত্ববরণ করে নিতে পছন্দ করে এ দেশের রাজনৈতিক দলগুলো। বিএনপি তার সময়ে ক্ষমতার দাপট কম দেখায়নি। অন্যায় দুর্নীতির পক্ষে নিমজ্জিত হয়েছিল। নানা অন্ধকার পথ তৈরি করে ভেবেছিল ক্ষমতা চিরস্থায়ী। এর পরিণতি ভালো হয়নি। গণশক্তির টর্নেডোতে দাবার ঘুঁটি উল্টে গিয়েছিল। এসব কারণে আশাবাদী মানুষ বিশ্বাস করেছিল বাস্তবতা হয়তো যথার্থ শিক্ষা দিতে পেরেছে আওয়ামী লীগকে। কিন্তু ফল পাওয়া যায়নি। আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব একটি বিশাল কল্পতরু রচনা করে এর উঁচু ডালে উঠে বসেছিলেন।

অতঃপর নির্বাচনী পদ্ধতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ আগের নীতি থেকে ফিরে আসে। ক্ষমতায় থাকতে আওয়ামী লীগ উত্থাপিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিএনপির পছন্দ হয়নি। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এই পদ্ধতি মানায় না। তবুও গণতান্ত্রিক দল বলে দাবিদার দলগুলো থেকে এমন দাবি উঠে আসে, কারণ তারা সরকার ও সরকারি দলকে বিশ্বাস করে না। সরকারি ক্ষমতা প্রয়োগ করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে এমন আশঙ্কা থাকে। সে সময় বিএনপি নেতৃত্ব সুশাসন উপহার দিতে না পারায় সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ ছিল। তাই তারা আওয়ামী লীগের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে সমর্থন জানিয়েছিল। জনসমর্থনের উত্তাপে বিএনপি জোট সরকার মানতে বাধ্য হয়েছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি। এরপর এই তথাকথিত নিরপেক্ষ সরকারও সমালোচিত হয়েছে।

গণরায়ের অপব্যবহার করা কোনো গণতান্ত্রিক দলের কাছে কাম্য নয়। ভোট দিয়ে মানুষ মহাজোটকে সরকার গঠন করতে ক্ষমতা দিয়েছিল। এর অর্থ এই নয়, সরকারের সব কাজে জনগণের সায় আছে তা ভেবে নিতে হবে। যদি তা-ই হতো, তাহলে তো আর পরবর্তী নির্বাচনের প্রয়োজন পড়ত না। এমন সরকার চিরস্থায়ী শাসন করতে পারত। সংকট যেখানে কমিয়ে আনার কথা, সেখানে হেফাজতে ইসলামের উত্থানকে দূরদৃষ্টি দিয়ে মূল্যায়ন করতে পারলেন না সে সময়ের আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব। পরে যদিও জামায়াত ব্যবহার করেছে, তথাপি এটি সত্য হেফাজতে ইসলাম একটি ধর্মচর্চাকারী দল। এই দলের চিন্তা, ব্যাখ্যা ও ধর্ম সম্পর্কে উপলব্ধি বা সীমাবদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। তবে শক্তিটিকে অগণ্য করার কারণ নেই। গ্রামেগঞ্জে সাধারণ মুসলমানের মধ্যে হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে যুক্ত আলেমদের প্রতি একটি সমর্থন রয়েছে। যদিও বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও ঐতিহ্যিক বাস্তবতায় হেফাজতের প্রবল রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার সুযোগ নেই, তবে চলমান রাজনীতি এই শক্তিটিকে সুযোগমতো ব্যবহার করতে পারবে। এই সত্যটি সরকার ও সরকারি দল পরে অনুভব করেছে। মানতে হবে সরকার প্রথম থেকেই দূরদর্শিতা দিয়ে সংকটটিকে মোকাবেলা করতে পারেনি। বলা যায়, অতি আত্মবিশ্বাসী হয়ে তেমন পাত্তা দেয়নি। শক্তির মদে মত্ত হয়ে রয়েছে। গোকুলে কে কতটা বাড়ল তার খোঁজ করতে ব্যর্থ হয়েছিল। নেতা-নেত্রীরা ২০২১ সাল পর্যন্ত টিকে থাকার রূপকল্প তৈরি করতে থাকলেন। তবে এর জন্য প্রয়োজনীয় ‘প্রজারঞ্জক’ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মনোযোগী হলেন না।

তবু ভালো ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব আত্মচৈতন্যে ফিরতে পেরেছে। আগের জড়তা থেকে ফিরে আসার চেষ্টা করেছে। এটি আওয়ামী লীগ প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়তা ও নেতৃত্বগুণের সাফল্যই বলতে হবে। পাশাপাশি একই প্রশ্নে বিএনপি নেতৃত্ব অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে। তারা ‘আপসহীন নেত্রী’ আর ‘তারেক রহমান জিন্দাবাদে’র মধ্যেই আটকে ছিলেন। একটি দুর্নীতিপরায়ণ দলের তকমাই বেশি জুটেছে বিএনপি নেতা-নেত্রীদের ললাটে। ক্ষমতায় থাকতে এমন কোনো দৃশ্যমান কর্ম রেখে যেতে পারেননি, যা আজ নির্বাচনের মাঠে পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করতে পারতেন। অন্যদিকে মানুষের কাছে ফিরে আসার জন্য পরিকল্পনামাফিক কর্মসূচি নিতে থাকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার। এই সরকার সাফল্যের সঙ্গে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পেরেছে। বিদ্যুতের সংকট অনেকটা সুরাহা করতে পেরেছে। নিজ অর্থায়নে পদ্মা সেতুর নির্মাণ এখন দৃষ্টিসীমায়। নাগরিক দুঃখ লাঘবে বেশ কয়েকটি উড়াল সেতু হয়েছে। এগিয়ে চলছে মেট্রো রেলের কাজ। মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে। অর্থনীতির সূচক দিন দিন ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। দাঁড়াতে যাচ্ছে মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে। সাধারণ মানুষ এসবের ইতিবাচক ফল ভোগ করছে। তাদের জীবনযাত্রায় অনেক পরিবর্তন আসছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বর্তমান সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্প, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, নানা প্রকল্পে চিকিৎসা সুবিধা ইত্যাদির সুফল ভোগ করছে। নির্বাচনের মাঠে এসব কি আওয়ামী লীগের পক্ষে শক্তি জোগাবে না?

তবে বিরোধী দলের পথচলায় আওয়ামী লীগ সরকার কি সুযোগ রাখেনি? রেখেছে তো বটেই। সরকার এখনো সুশাসনের পথে হাঁটতে পারেনি। দলীয় ও প্রশাসনিক দুর্নীতি সাধারণ মানুষকে ক্ষুব্ধ করে তুলছে। আমলাতন্ত্রকে তুষ্ট রাখতে গিয়ে অন্য পেশাজীবীদের ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। ন্যায়বিচার নিয়ে প্রশ্ন আছে। উগ্র দলীয়করণ নীতি সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিচ্ছে না। সরকারি আচরণে মনে হয় না মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তেমনভাবে সমন্বিত রাখতে পারছে।

এ জায়গাগুলো থেকে বিএনপি রসদ সংগ্রহ করতে পারে। তবে সে পথ বিএনপির জন্য খুব যে কুসুমাস্তীর্ণ হবে তেমন মনে হয় না। কারণ সরকারি দুর্নীতির কথা বলতে গেলে তাদের সময়ের পাহাড়সমান দুর্নীতির কথা সামনে চলে আসবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রসঙ্গ এলে মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের সঙ্গে বিএনপির বন্ধুত্বের কথা চলে আসবে। তবে আমরা মনে করি যদি বিএনপির নেতৃত্ব দলীয় নীতিনির্ধারণে আন্তরিক হতে পারেন, দলকে সুসংগঠিত করতে পারেন। প্রয়োজনে আন্দোলনের জন্য মাঠে নামতে নেতারা আত্মপ্রত্যয়ী হতে পারেন, তাহলে দলটির ঘুরে দাঁড়ানোর পথ তৈরি হতে পারে। যে অবস্থায় বিএনপি দাঁড়িয়েছে, তাতে ক্ষমতায় আসার নানা অন্ধকার পথ আবিষ্কারের চিন্তা না করে ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির পথেই এগিয়ে যাওয়া উচিত। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ এর সাফল্যের পালকে অনেক সোনালি আভা লাগাতে পারলেও সরকার কালিমামুক্ত নয়। বর্তমান বাস্তবতায় এই দলটির শুদ্ধতার পথে হাঁটার সুযোগ অনেক বেশি। দলকে একটি উজ্জ্বল অবস্থায় দাঁড় করাতে আমরা আশা করব আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব, বিশেষ করে শেখ হাসিনা দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে যাবেন।

লেখক : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

shahnawaz7b@gmail.com


মন্তব্য