kalerkantho


ফিটনেস

অল্প সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যায়াম

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



অল্প সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যায়াম

শরীরের নড়াচড়ার কিছু স্বাভাবিক ছন্দ আছে। কোনোভাবে সেই ছন্দ নষ্ট হলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অব্যাহত রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

আর তখনই ফিরতে হয় পুরনো যুগে। হাঁটু মুড়ে বসা (স্কোয়াট), লাফানো (লাঞ্জ), শরীর বাঁকানো বা নিচু হয়ে মাটি থেকে কিছু তোলা, ওজন নিয়ে হাঁটা, ঠেলা, টানা ও খুব দ্রুত কিছু করা—বিশেষজ্ঞদের মতে সুস্থ শরীরকে এই সাত ধরনের নড়াচড়ার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়। স্বাভাবিক জীবনযাত্রার জন্য এগুলো জরুরি। অনেকে মনে করেন মানুষ আদিযুগে এই সাতটি নড়াচড়ার সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছিল। যেমন-ঠিকমতো স্কোয়াট করতে না পারলে আদি মানব আগুন জ্বালাতে পারত না। এ ছাড়া নানা রোগের চিকিৎসার সময়েও স্কোয়াট করতে হয়। আদিযুগে তো রাস্তা ছিল না। ফলে চলাফেরার জন্য তাদের লাঞ্জ করতে হতো। অন্যথায় চলাফেরাটা অসম্ভবই ছিল।

আমরা সেই আদিম যুগ থেকে অনেক দূর চলে এসেছি। কিন্তু সেই সাতটি নড়াচড়া ঠিকমতো না হলে চোট বা আঘাতের সমস্যা হতে পারে। আবার এসব নড়াচড়া ছাড়া জীবন কিন্তু অচল। যেমন বাড়িঘর তৈরির শ্রমিক, নার্স ও শিশুদের মা-বাবা ঠিকমতো বাঁকা না হতে পারলেও কিন্তু বড় সমস্যা হয়। ক্রীড়াবিদরা ঠিকমতো লাফাতে না পারলে হাঁটুতে আঘাত লাগতে পারে। অফিসে দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করলে স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে যে পেশিগুলো প্রত্যক্ষভাবে স্বাভাবিক নড়াচড়ার জন্য দায়ী তাদের বদলে পরোক্ষ পেশিগুলোই সক্রিয় হয়ে ওঠে। জিমে আবার এই পরোক্ষ পেশিগুলোর চর্চা বেশি হয়। তা ছাড়া এই পেশিগুলো শরীরচর্চার আগেই সারা দেয়। যাহোক এসব ব্যায়ামের জন্য খুব বেশি দূরে যাওয়ার দরকার নেই, একটু ফাঁকা জায়গা পেলেই হলো। স্বল্প সময়ে সেরে নেওয়া যাবে এই ব্যায়ামগুলো।

দৌড় ও হামাগুড়ি

১৫ মিটার দৌড়ানোর পরেই ১৫ মিটার হামাগুড়ি দিন। তিন মিনিট এভাবে করুন। নিজের সুবিধার জন্য লাঠি বা অন্য কিছু দিয়ে দূরত্ব চিহ্নিত করে নিলে ভালো হয়। এ ব্যায়ামে পায়ের উপকার হয় ও ফুসফুসের জোর বাড়ে। (চলবে)


মন্তব্য