kalerkantho


সংসদে প্রশ্নোত্তরে অর্থমন্ত্রী

মোবাইল ব্যাংকিং জনপ্রিয় করতে উদ্যোগ আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



প্রতিটি তফসিলি ব্যাংকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ক্যামেরা বসানোর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে গতকাল মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, দেশে মোবাইল ব্যাংকিং জনপ্রিয় করতে সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের ওয়ার্কার্স পার্টির সংসদ সদস্য হাজেরা খাতুনের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের কাছে বাংলাদেশ ব্যাংক এ নির্দেশনা প্রদান করেছে যে ব্যাংক স্থাপনার অধিকতর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাংক শাখার প্রবেশপথে, শাখার অভ্যন্তরে, শাখার বাইরের চতুর্দিকে এবং সকল প্রকার আইটি রুমে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সিসিটিভি/আইপি ক্যামেরা/স্পাই ক্যামেরা/ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ডার (ডিভিআর) স্থাপন করতে হবে। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সরকারি ব্যাংকসহ দেশের অন্যান্য সকল তফসিলি ব্যাংক নিজেরা পরিকল্পনামাফিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ’

আরেক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আরো জানান, মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) তথা মোবাইল ব্যাংকিংকে জনপ্রিয় ও সম্প্রসারণ করার জন্য সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের চার্জ সাধারণভাবে এজেন্টের অংশ, মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রোভাইডারের ইউএসএসডি মূল্য এবং মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের অংশ—এ তিনটি বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে ইউএসএসডি মূল্য এবং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের অংশ কমানোর বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে। এ দুটি চার্জ কমানো সম্ভব হলে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার চার্জ কমে আসবে বলে আশা করা যায়।

সরকারদলীয় সংসদ সদস্য শামশুল হক চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, নারী উদ্যোক্তাদের ব্যাংকিং সুবিধা নিশ্চিত করতে গত আট বছরে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মোট বিতরণকৃত এসএমই ঋণের ন্যূনতম ১০ শতাংশ নারীদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে, যা ২০২১ সাল নাগাদ ১৫ শতাংশে উন্নীত হবে।

অর্থমন্ত্রী জানান, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য সরকার বেশ কিছু অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আগামী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭.৪ শতাংশ, যা বিগত তিন দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। তিনি আরো বলেন, ‘মাথাপিছু আয়ের উচ্চতর প্রবৃদ্ধির ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এমডিজির মতো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জনেও আমরা সক্ষম হব। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে। ’


মন্তব্য