kalerkantho


থার্টিফার্স্ট নাইট উদ্‌যাপনের রাতে কঠোর নিরাপত্তা

আকাশে উড়ল র‍্যাবের হেলিকপ্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



ইংরেজি বছরের শেষ রাত অর্থাৎ থার্টি ফার্স্ট নাইট ও নববর্ষ উদ্‌যাপন ঘিরে গতকাল রবিবার রাতে রাজধানী ঢাকায় কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রাতে আকাশে টহল দেয় র‍্যাবের হেলিকপ্টার; যে হেলিকপ্টারে থাকা বিশেষ সার্চ লাইটে এক হাজার মিটার ওপর থেকে নিচের সব কিছু দেখা যায়।

গুলশান, বনানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে শতাধিক চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তির দেহ ও যানবাহনে তল্লাশি চালায় পুলিশ ও র‍্যাব। পুলিশ ও র‍্যাবের ডগ স্কোয়াড, বোমা ডিসপোজাল টিম, সোয়াতসহ বিশেষ বাহিনীও ছিল মাঠে। নিরাপত্তার জন্য ১০ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল।  

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আগেই ঘোষণা দিয়েছিল, থার্টি ফার্স্ট নাইটে সন্ধ্যার পর খোলা স্থানে কোনো উৎসব আয়োজন করা যাবে না, এমনকি বাড়ির ছাদেও জমায়েত ও আতশবাজি করা যাবে না। এ কারণে গত রাতে রাজধানীতে ছিল অনেকটাই শীতল পরিবেশ। নিরাপত্তার কড়াকড়ির কারণে মধ্যরাতে রাস্তায় লোকজনের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। বিভিন্ন রুটে যানবাহন চলাচলেও কড়াকড়ি ছিল। সীমিত পরিসরে কিছু ঘরোয়া পার্টি হয়েছে, তবে পুলিশের অনুমতি নিয়ে। অনুমতি সাপেক্ষে তারকা চিহ্নিত বেশ কয়েকটি হোটেলেও থার্টি ফার্স্ট নাইটের অনুষ্ঠান হয়। গুলশান, বনানী, বারিধারা, ধানমণ্ডি, হাতিরঝিল, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া গত রাতে উত্তরা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, ধানমণ্ডিসহ বিভিন্ন স্থানে গিয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা প্রত্যক্ষ করেন। রাত পৌনে ১২টার দিকে তিনি গুলশানে সাংবাদিকদের বলেন, ‘নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থেই একটু কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।’

র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার প্রধান কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান গত রাতে কালের কণ্ঠকে জানান, গত রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত র‍্যাবের হেলিকপ্টারটি এক হাজার মিটার ওপর থেকে নিচে আলো ফেলে রাজধানীর কয়েকটি স্থানে টহল দিয়েছে।

বিকেলে ভাটারা থানাধীন প্রগতি সরণি এলাকার ডিম্পল রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বার থেকে বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি মদ ও বিয়ার হুইস্কিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন হুমায়ূন কবির (৫৫), মো. বাবুল মিয়া (২৮) ও মো. জিল্লুর রহমান (৩২)।


মন্তব্য