kalerkantho


বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ

অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে অধ্যাপক মাহমুদ হাসান হেনস্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



এবার ‘অধ্যক্ষ’ নিয়ে কোন্দলে বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজে হেনস্তা হয়েছেন ওই কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান। জোর করে একটি কক্ষে আটকে রেখে তাঁর কাছ থেকে ব্যাংকের চেক ও আরেকটি কাজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এ ঘটনায় ধানমণ্ডি থানায় সাধারণ ডায়েরি করার পর গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজ বাসভবনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান জানান, কলেজটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত। বিধি অনুসারে কলেজ পরিচালনা বোর্ডই অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়ার এখতিয়ার রাখে। সে অনুসারে কলেজের অধ্যক্ষ তাইমুর নেওয়াজ গত ১৮ ডিসেম্বর পদত্যাগ করলে ওই পদে কলেজের উপাধ্যক্ষ সামসুল আলমকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেয় কলেজ পরিচালনা বোর্ড। এতে অসন্তুষ্ট হয়ে কলেজের মালিকানা প্রতিষ্ঠান ট্রাস্টি বোর্ডের পক্ষ থেকে কলেজের প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক পরিতোষ কুমার ঘোষকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেয়। ফলে দুজন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়ে চলতে থাকে কলেজটি। এর মধ্যেই গত ২৪ ডিসেম্বর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছ থেকে চাবি নিয়ে নেন ট্রাস্টি বোর্ডের একজন প্রভাবশালী সদস্য।

অধ্যাপক মাহমুদ হাসান কালের কণ্ঠকে জানান, গতকাল তিনি কলেজে দরিদ্র কোটায় এমবিবিএস কোর্সে ভর্তিসংক্রান্ত এক সভায় অংশ নিতে যান। একপর্যায়ে ট্রাস্টি বোর্ডের মনোনীত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পক্ষের এক প্রভাবশালীর সমর্থনপুষ্ট ৪০-৫০ জন ডাক্তার-কর্মচারী আকস্মিক তাঁকে একটি কক্ষে আটকে রাখেন। এ সময় তাঁরা জোর করে তাঁর হাত চেপে ধরে একটি চেক ও একটি কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। পরে বিষয়টি তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে ধানমণ্ডি থানায় জিডি করেন। বিএমডিসিকেও বিষয়টি জানিয়েছেন তিনি।


মন্তব্য