kalerkantho


যন্ত্রসংগীত উৎসবে সুরের মূর্ছনা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত অবধি শিল্পকলা একাডেমি আঙিনায় বইছে সুরের মূর্ছনা। একাডেমির নন্দন মঞ্চে একতারা, দোতারার সুরের সঙ্গে বাজছে হৃদয় উদ্দীপ্ত করা তবলা কিংবা ঢোলের বোল। আর এমন মুখরিত সুরের উৎস হলো ৬৪ জেলার যন্ত্রসংগীতশিল্পীদের অংশগ্রহণে শুরু হওয়া জাতীয় যন্ত্রসংগীত উৎসব।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত ১০ দিনের এ উৎসবের চতুর্থ দিন ছিল গতকাল বৃহস্পতিবার। এদিন একক পরিবেশনায় তবলার বাদনে শ্রোতার হৃদয়ে আনন্দ ছড়ান জাকির হোসেন। এ ছাড়া একক পরিবেশনায় স্বরগীত বাজিয়ে শোনান নাসির উদ্দীন। তাঁর সঙ্গে একার্ডিয়ানে সংগত করেন মো. মনির হোসেন। আর জেলাভিত্তিক পরিবেশনায় অংশ নেন হবিগঞ্জ, সাতক্ষীরা, ফরিদপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার  বাদ্যশিল্পীরা।

বাউল ও লোকসংগীতের সুরে হবিগঞ্জের শিল্পীদের মধ্যে বিনয় চন্দ্র সূত্রধর বাজান বেহালা, সত্যেন্দ্র সরকার বাজান দোতারা, বাঁশিতে হাছন আলী, কাঠিঢোলে কাজল মিয়া, নালে সুবীর কান্তি রায়। আর তবলায় সংগত করেন বিল্লাল আহমেদ। 

সাতক্ষীরার বিশ্বজিৎ সাহা বাজান তবলা। দোতারায় তপন শীল, আড়বাঁশিতে দেবব্রত মণ্ডল, ঢোলে কার্ত্তিক, সানাইয়ে ছোট, কর্নেডে নিরঞ্জন, বেহালায় অজিত কুমার বৈরাগী, হারমোনিয়ামে শ্যামল কুমার সরকার এবং গিটারে সুর তোলেন জামিউল হক।

ফরিদপুরের মো. আলাউদ্দিন বাজিয়েছেন হাওয়াইন গিটার ও মাউথ অর্গান। ফারুক হোসেন বাজিয়েছেন হারমোনিয়াম, বাংলা ঢোলে বোল তুলেছেন হায়াতুল ইসলাম কল্লোল, তবলা বাজিয়েছেন সূর্যনাথ দাস, মো. লিয়াকত হোসেন সুর ছড়িয়েছেন বাঁশিতে, দোতারা বাজিয়েছেন শাহজাহান। অমিত সাহা ও অনুপ ঘোষ বেহালার সুরে উচ্চাঙ্গসংগীত, বিচ্ছেদী গান, আধুনিক গান ও  লোকগানের সুর ছড়িয়েছেন।

কুড়িগ্রামের সফিকুল ইসলাম সফি বাজিয়েছেন হারমোনিয়াম ও কি-বোর্ড, দোতারা ও বেহালা বাজিয়েছেন  নারায়ণ চন্দ্র, বাঁশিতে সুর তুলেছেন বিপিন ও জীবন, বাংলা ঢোল বাজিয়েছেন নিহার রঞ্জন, মন্দিরায় শব্দধ্বনি ছড়িয়েছেন মদন মোহন, খোলের বাদন শুনিয়েছেন দেবাশিষ রায়, তবলায় সংগত করেছেন নিমাই চন্দ্র, খমক বাজিয়েছেন হুলী চরণ, সারিন্দা ও দোতারা বাজিয়েছেন ফুলবাবু মোহন্তা, তবলায় বোল তুলেছেন কৃষ্ণ কুমার এবং জিপসি পরিবেশন করেন প্রদীপ কুমার।


মন্তব্য